AI Drone

কৃত্রিম মেধায় শত্রুকে চিনে নিয়ে ধ্বংস করবে ভারতীয় সেনার ড্রোন! নির্মাণ যৌথ উদ্যোগে, চুক্তি ইজ়রায়েলের সঙ্গে

প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সূত্রের খবর, শুধু যৌথ উদ্যোগে ‘এআই ড্রোন’ নির্মাণ নয়, দ্বিপাক্ষিক সমঝোতার অন্যতম শর্ত হিসাবে প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং অপারেশনাল সক্ষমতা বৃদ্ধির কর্মসূচি অন্তর্ভুক্ত হয়েছে এই প্রক্রিয়ায়।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ২০ মার্চ ২০২৬ ১৬:১০
XTEND of Israel partners Rayonix to boost Indigenous AI Drone Production in India

সামরিক ড্রোন। —ফাইল চিত্র।

মানববিহীন উড়ুক্কু যানে এ বার কৃত্রিম মেধা ব্যবহার করবে ভারতীয় সেনা। ইজ়রায়েলের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ কর্মসূচিতে দেশেই নির্মাণ হবে সেই ‘এআই ড্রোন’। ইজ়রায়েলের শীর্ষস্থানীয় এআই-রোবোটিক্স এবং সফ্‌টঅয়্যার সিস্টেম, সংস্থা ‘এক্সটেন্ড’, ভারতীয় প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি কোম্পানি রায়োনিক্স টেক-এর সঙ্গে এ সংক্রান্ত ১ কোটি ১ লক্ষ ডলারের (প্রায় ১০৩ কোটি টাকা) সমঝোতা করেছে বলে তেল আভিভের দাবি।

Advertisement

প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সূত্রের খবর, শুধু যৌথ উদ্যোগে ‘এআই ড্রোন’ নির্মাণ নয়, দ্বিপাক্ষিক সমঝোতার অন্যতম শর্ত হিসাবে প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং অপারেশনাল সক্ষমতা বৃদ্ধির কর্মসূচি অন্তর্ভুক্ত হয়েছে এই প্রক্রিয়ায়। উৎপাদিত ড্রোনগুলোর ‘সফ্‌টঅয়্যার ব্যাকবোন’ হিসাবে কাজ করবে ‘এক্সটেন্ড’-এর নিজস্ব ‘এক্সওস প্ল্যাটফর্ম’। যার সাহায্যে স্বয়ংক্রিয় ভাবে কৃত্রিম মেধার সাহায্যে শত্রুর অবস্থান চিহ্নিত করে হামলা চালাবে ‘এআই ড্রোন’। পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধের আবহে নয়াদিল্লির সঙ্গে চুক্তি চূড়ান্ত হওয়ার কথা জানিয়ে ‘এক্সটেন্ড’ বলেছে, ‘‘দ্বিপাক্ষিক প্রতিরক্ষা সহযোগিতা নিবিড় করার পথে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।’’

সম্প্রতি ‘এক্সটেন্ড’ গোষ্ঠী ইজ়রায়েলি সেনাকে ৫০০০টি অ্যাসল্ট ড্রোন সরবরাহের জন্য চুক্তি করেছে বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সরকারের সঙ্গে। যা তাদের যুদ্ধ-প্রমাণিত প্রযুক্তিগত উৎকর্ষের প্রমাণ বলে মনে করছেন সামরিক পর্যবেক্ষকদের অনেকেই। প্রসঙ্গত, একবিংশ শতকে দ্রুত গতিতে বদলাচ্ছে প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি। বর্তমানে যে কোনও যুদ্ধে ‘গেম চেঞ্জার’ হয়ে দাঁড়িয়েছে ড্রোন। গত বছর সিঁদুর অভিযান-পর্বে ড্রোনের কার্যকারিতার প্রমাণ পেয়েছে ভারতীয় সেনা। বস্তুত, তার পরেই প্রতিরক্ষা মন্ত্রক নজরদারি এবং ঘাতক ড্রোন নির্মাণের বিষয়টিতে অগ্রাধিকারের প্রথম সারিতে এনেছে। সেই সঙ্গে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে শত্রুর ড্রোন হামলা ঠেকাতে ‘ড্রোন ধ্বংসকারী’ হাতিয়ার নির্মাণের উপরেও।

Advertisement
আরও পড়ুন