বর্ষার সন্ধ্যা জমুক মুচমুচে ভাজাভুজিতে। ছবি:সংগৃহীত।
বর্ষার দিনে রাস্তায় জমা জল পেরিয়ে যাতায়াত করা যতটা বিরক্তিকর, ততটাই আনন্দের বর্ষণমুখর সন্ধ্যা গরম গরম তেলেভাজা খেয়ে উপভোগ করা। বেগুনি, চপ, পেঁয়াজি তো খাওয়াই হয়। এ বার বরং কিছু অন্য রকম খেয়ে দেখুন। স্বাদে বৈচিত্র আনতে, বানিয়ে ফেলুন ভিন্রাজ্যের জনপ্রিয় তেলেভাজা।
ধুসকা
ঝাড়খণ্ডের জনপ্রিয় খাবার ধুসকা। ছবি:সংগৃহীত।
ঝাড়খণ্ডের জনপ্রিয় খাবার ধুসকা। বানাতে লাগে ১ কাপ চাল, ১/৩ কাপ ছোলার ডাল আর ১/৪ কাপ বিউলির ডাল। সমস্ত উপকরণ অন্তত ছ’ঘণ্টা ভিজিয়ে রেখে মিক্সারে ঘুরিয়ে নিন। মিশ্রণে যোগ করুন স্বাদমতো নুন, এক চিমটে হিং, চাটমশলা, গোটা জিরে, হলুদ। ভাল করে ফেটিয়ে ছাঁকা তেলে বড়ার মতো ভেজে নিন।
চায়ের সঙ্গে শুধুই খাওয়া যায়। তবে ঝাড়খণ্ডে ধুসকার সঙ্গে একটু ঝোল ঝোল আলু এবং ছোলার তরকারি খাওয়া হয়।
পাঝম পোরি
কেরলের জনপ্রিয় খাবার এটি। ছবি:সংগৃহীত।
স্বাদে বদল আনতে চাইলে পাকা কলা দিয়ে বানিয়ে ফেলুন পাঝম পোরি। সহজ কথায় বললে, এটি কলার বড়া। কেরলে খাওয়ার চল রয়েছে। এক কাপ ময়দার সঙ্গে ৩ টেবিল চামচ চালের গুঁড়ো, সামান্য একটু এলাচগুঁড়ো, এক চিমটে হলুদগুঁড়ো এবং স্বাদমতো নুন দিয়ে ভাল করে মিশিয়ে নিতে হবে। অল্প করে জল দিয়ে গুলতে থাকুন এটি। মিশ্রণটি খুব ঘন যেমন হবে না, তেমন একেবারে তরলও হবে না। পাকা কলা লম্বা লম্বা কেটে নিন। খেয়াল রাখতে হবে কলা যেন খুব বেশি পাকা না হয়। কলা মিশ্রণে চুবিয়ে ছাঁকা তেলে ভেজে নিন।
লঙ্কার বড়া
লঙ্কার বড়াও বেশ লোভনীয় হতে পারে। ছবি:সংগৃহীত।
রাজস্থান, দক্ষিণ ভারত, পশ্চিমবঙ্গ— সর্বত্রই লঙ্কার বড়া খাওয়ার চল রয়েছে। এই লঙ্কা অবশ্য বাংলার কাঁচালঙ্কার মতো নয়। বরং ঈষৎ মোটা এবং লম্বা লঙ্কাটিতে ঝাল হয় না তেমন। লঙ্কা লম্বালম্বি চিরে ভিতরে ঝাল ঝাল আলুর পুর ভরে দিন। বেসন, হলুদগুঁড়ো, লঙ্কার গুঁড়ো, নুন ও জল দিয়ে গুলে পাতলা করে মিশ্রণ বানিয়ে পুরভরা লঙ্কা তাতে ডুবিয়ে ছাঁকা তেলে ভেজে নিন।