পাকা কলার খোসা দিয়ে তৈরি হতে পারে মুখরোচক খাবারও। ছবি:সংগৃহীত।
কলা খেয়ে খোসাটা ফেলে দেন? কেউ আবার কলার খোসা জমিয়ে গাছের সার বানান। কিন্তু পাকা কলার খোসা যে মুচমুচে স্ন্যাক্স হতে পারে, তা জানেন কি!
পাকা কলার খোসা দিয়ে চা থেকে বড়া ভাজা, এমনকি বেকনও রান্না করা যায়। বিশেষত কলার খোসার বেকন বিদেশে বেশ জনপ্রিয় স্ন্যাক্স। শিখে নিন, পাকা কলার খোসা ব্যবহার করে কী করে রকমারি রান্না করতে পারেন।
কলার খোসার বেকন: বেকন এমনিতে আমিষ পদ, চর্বি দিয়ে তৈরি হয়। কলার খোসা সরু করে কাটলে কিছুটা এমন দেখায়। প্রথমত এই রান্নার জন্য খোসাটি পরিষ্কার হতে হবে। কীটনাশক বা রাসায়নিক সারের অংশ লেগে থাকলে উল্টে ক্ষতি হতে পারে। একটি পাত্রে পেপরিকাগুঁড়ো, স্বাদমতো নুন, ২-৩টেবিল চামচ সাদা তেল বা অলিভ অয়েল ভাল করে মিশিয়ে কলার খোসা ডুবিয়ে রাখুন অন্তত ৫ মিনিট। তার পরে বেক করে নিন যত ক্ষণ না মুচমুচে হচ্ছে।
কলার খোসার বড়া: পাকা কলার খোসা বড় টুকরো করে কেটে পরিষ্কার করে নিন। নুন, হলুদ, লঙ্কাগুঁড়ো মাখিয়ে নিন। বেসনে আদাকুচি, কালোজিরে, লঙ্কার গুঁড়ো, নুন যোগ করুন। জল দিয়ে পাতলা করে গুলে নিন। মশলা মাখানো কলার খোসা, বেসনের মিশ্রণে ডুবিয়ে ডুবো তেলে ভাজুন।
কলার খোসার চা: কলায় যেমন পটাশিয়াম, ক্যালশিয়াম-সহ নানা রকম ভিটামিন এবং খনিজ রয়েছে, সে সব উপাদানের কিছুটা থেকে যায় কলার খোসাতেও। ফলে কলার খোসা দিয়ে তৈরি ভেষজ চা-ও কম উপকারী নয়। প্রথমেই কলার খোসা ভাল করে পরিষ্কার করে নিতে হবে। টুকরো করা কলার খোসা জলে ফুটিয়ে নিন আঁচ কমিয়ে। জল ছেঁকে চায়ের মতো খান।