দোলের দিনে মুখরোচক কোন খাবার রাখবেন খুদে অতিথিদের আপ্যায়নে। ছবি: সংগৃহীত।
দোলের দিনে বড়দের পায়ে আবির দিয়ে ছোটরা আশীর্বাদ নেয়। বড়রাও কপালে আবির তিলক দিয়ে ছোটদের আশীর্বাদ করেন। এর মাঝেই হয় মিষ্টিমুখ। দোলের দিন মঠ-ফুটকড়াই খাওয়ার চল দীর্ঘ দিনের। কিন্তু চিনির মঠ মুখে তুলতে চায় না কেউই। তা ছাড়া রং দেওয়া মঠ স্বাস্থ্যের বিচারেও বিশেষ ভাল নয়। তা হলে দোলের সন্ধ্যায় ছোটদের আবির মাখিয়ে কী খাওয়াবেন? মিষ্টিতে তেমন মন থাকে না ছোটদের। আবার বেশি ঝালও তারা খেতে পারবে না। তা হলে কী বানাবেন?
পোট্যাটো পিলো
নামে যেমন বাহার, খেতেও স্বাদু। বিশেষত ছোটদের ভাল লাগবেই। বানানো তেমন ঝক্কির নয়। আলু সেদ্ধ করে মেখে নিন। যোগ করুন অল্প চালের গুঁড়ো আর কর্নফ্লাওয়ার। স্বাদ মতো নুন দিন। ভাল করে মাখিয়ে নিন। তার পরে সেটি থেকে চৌকো বা বালিশের মতো আকার তৈরি করে নিন। একটি কাঁটা চামচের সাহায্যে তার উপর নকশা করে ছাঁকা তেলে ভেজে নিন। উপর থেকে চাট মশলা ছড়িয়ে দিয়ে সস্ বা মেয়োনিজ় দিয়ে পরিবেশন করতে পারেন।
সুজির নিমকি
নিমকির মতো ভাজাভুজি ছোট থেকে বড়, সকলেরই পছন্দ। স্বাদবদলে খানিক পাল্টে ফেলুন রন্ধন প্রণালী। সুজি মিক্সারে গুঁড়িয়ে নিন। একটি কড়াইয়ে সর্ষের তেল নিয়ে তাত জিরে, সাদা তেল, শুকনো লঙ্কা ফোড়ন দিন। হালকা ভাজা হলে নামিয়ে নিন। এবার গুঁড়ো করা সুজিতে দিন কসৌরি মেথি। জিরে, তেল এবং শুকনো লঙ্কার ফোড়নটি তাতে দিয়ে হালকা গরম জল দিয়ে মেখে ফেলুন। যোগ করুন স্বাদ মতো নুন। শুকনো লঙ্কা আর কসৌরি মেথি থাকায় এতে লাল-সবুজের মিশেল চোখে পড়বে। সুজি মেখে ১০ মিনিট ঢাকা দিয়ে রাখুন। তার পরে গোল করে বেলে নিমকির মতো কেটে ছাঁকা তেলে ভেজে নিন। ছোট থেকে বড়, সকলেরই এই খাবার পছন্দ হবে।
কুড়কুড়ে পাস্তা
পাস্তা পছন্দ খুদের। তা দিয়ে বানিয়ে ফেলুন মুচমুচে স্ন্যাক্স। ফুটন্ত জলে একটু সাদা তেল এবং নুন মিশিয়ে পাস্তা সেদ্ধ হতে দিন। ৯০ শতাংশ সেদ্ধ হলেই সেটি তুলে ঠান্ডা করে নিন। একটি বাটিতে কর্নফ্লাওয়ার, অল্প হলুদ, কাশ্মীরি লঙ্কার গুঁড়ো, হার্বস বা অরিগ্যানো মিশিয়ে নিন। যোগ করুন এক টেবিল চামচ সাদা তেল। মশলা-তেল ভাল করে মাখিয়ে নিন পাস্তার গায়ে। তার পরে সেটি তেলে ভেজে নিন।