বিরিয়ানি রাঁধার বিশেষ কৌশল। ছবি: এআই সহায়তায় প্রণীত।
মটন বিরিয়ানি রাঁধতে জানেন, অথচ কিছুতেই দোকানের মতো সুস্বাদু হয় না। কেবল রান্নার প্রণালীতে নয়, কিছু ছোটখাটো টোটকার দিকেও মন দিতে হবে। আবার অনেকেই ভাবেন, রেস্তরাঁর মতো সুগন্ধি বিরিয়ানি ঘরে বানানো কঠিন। আসলে তা নয়। ছোট কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি নিয়ম মানলেই আপনার রান্নাঘর ভরে উঠবে বিরিয়ানির মন মাতানো সুবাসে।
বিরিয়ানি বানানোর টোটকা। ছবি: সংগৃহীত
১. চাল নির্বাচন
লম্বা দানার ভাল মানের বাসমতী চাল ব্যবহার করুন। এই চাল রান্নার পর আলাদা আলাদা থাকে, লেগে যায় না। ফলে বিরিয়ানির গঠন যেমন সুন্দর হয়, তেমনই সুগন্ধও ছড়িয়ে পড়ে।
২. মশলা তৈরি
এলাচ, দারচিনি, লবঙ্গ, তেজপাতা, জিরে— স্বাদমতো নানা ধরনের মশলা দিয়ে বিরিয়ানির মশলা তৈরি করুন। হালকা ভেজে ব্যবহার করলে গন্ধ আরও তীব্র হয়। গুঁড়ো মশলার পাশাপাশি গোটা মশলাই বিরিয়ানির আসল চরিত্র তৈরি করে।
৩. পেঁয়াজ ও কেশরের মেলবন্ধন
পাতলা করে কাটা পেঁয়াজ ধীরে ধীরে সোনালি করে ভাজুন। এই ভাজা পেঁয়াজ বিরিয়ানির স্বাদ ও রং দুই-ই বাড়ায়। পাশাপাশি কেশর দুধে ভিজিয়ে ভাতের উপর ছড়িয়ে দিতে পারেন।
৪. মাংস ম্যারিনেশন
দই ও লেবুর রস দিয়ে সারা রাত মাংস মেখে রাখুন। এতে মাংস নরম হয় এবং মশলার স্বাদ ভিতর পর্যন্ত পৌঁছে যায়। যত বেশি সময় ধরে রেখে দেবেন, ততই ভাল ফল মিলবে।
৫. ভাত সেদ্ধর নিয়ম
চাল ধুয়ে অন্তত আধ ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখুন। এর পর গোটা মশলা (দারচিনি, এলাচ এবং লবঙ্গ) দিয়ে সেদ্ধ করুন, তবে পুরোটা নয়। অর্ধেকের বেশি সেদ্ধ হলেই নামিয়ে নিন। দমে বসালে বাকি অংশ নিজে থেকেই সেদ্ধ হয়ে যাবে।
৬. স্তর সাজানো
প্রথমে মাংস, তার উপর ভাত— এ ভাবে স্তর করুন পাত্রের উপর পর্যন্ত। প্রতিটি স্তরে ভাজা পেঁয়াজ ছড়িয়ে দিন। নিখুঁত স্বাদ তৈরি হবে।
৭. সুস্বাদু সঙ্গী
শুধু বিরিয়ানি খাওয়ার চেয়ে সঙ্গে রায়তা বা স্যালাড রাখলে খাওয়ার আনন্দ দ্বিগুণ হয়। বিরিয়ানির স্বাদ বৃদ্ধি পায় সঙ্গীর গুণে।