ভোটারেরা আসলে কী চান? বলে দিলেন শিল্পী সনাতন দিন্দা। গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।
সনাতন দিন্দা: আমি পঞ্চাশোর্ধ্ব। তবু আমার ভরসা ‘ইয়ং ব্রিগেডেই’। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তো অনেক দিন রইলেন মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে। এ বার দেখতে চাইব অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে।
সনাতন: কোন ভোট দিচ্ছি, তার উপর নির্ভর করে। পুরসভার ভোটে প্রার্থী দেখে দিই। লোকসভা, বিধানসভায় দল দেখে।
সনাতন: চাকরি পেতে যদি পরীক্ষা দিতে হয়, তবে প্রার্থী হওয়ারই বা পরীক্ষা হবে না কেন? তা ছাড়া, ধরুন যিনি মন্ত্রী হলেন, তিনি তো গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেবেন। নিজের বিষয়টি না জানলে নেবেন কী ভাবে? তাই ট্রেনিং জরুরি।
সনাতন: হতাম না। রাজনীতিতে আগ্রহ নেই। তবে বদল আনার কথা হলে, প্রাথমিক স্কুল ও প্রাথমিক স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানের খোলনলচে বদলাতাম, গাছ পুঁততাম, জলাজমি বুজিয়ে ইমারত তৈরি করা বন্ধ করতাম।
সনাতন: ওটা অনেক পরে। মানুষের যে প্রাথমিক প্রয়োজন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, রাস্তাঘাট— এগুলো আগে চাই।
সনাতন: আমি রাজনীতিজ্ঞ নই। তাই জানি না কী করলে কী হতে পারে।
সনাতন: এটা করাই উচিত নয়। যে দলের হয়ে জিতেছেন, সে দলেই থাকতে হবে। যাঁরা এটা করেন, তাঁরা আসলে ‘ধান্দা’ করছেন। তাঁদের বিধায়কপদ থেকে বাদ দেওয়া উচিত।
সনাতন: যাঁরা এটা করেন, তাঁদের পারিবারিক পরিচয়টাই প্রকাশ হয়ে পড়ে। পরিশিলীত বোধ, শিক্ষা নেই বলেই বলেন। এটাও প্রার্থীর যোগ্যতার মধ্যেই পড়া উচিত।
সনাতন: তিনটেতেই ভাঁওতা রয়েছে। ভোটের আগে বলতে হয়, তাই বলছেন। কোনওটাই করবেন না। সেটা জনতাও বুঝে গিয়েছে। রাষ্ট্রনেতারা যা ঠান্ডাঘরে বসে ঠিক করবেন, সেটাই হবে।
সনাতন: যেখানে মানুষের কর্মসংস্থান নেই, সেখানে শুধু ভাতা দিয়ে একটা সমাজকে বাঁচিয়ে রাখা খুব ভাল দিক নয়।
সনাতন: এটা তো মানুষের সিদ্ধান্ত। কোনও সরকার যদি সত্যিই উন্নয়নমূলক কাজ করে থাকে, তবে কেউ বিরোধী পক্ষে থাকবেন না। সরকার পক্ষে থাকবেন।
সনাতন: তারকারা ভাল কথা বলতে পারেন। তাঁদের দেখে অনেকে ভোট দেন বলেই তো প্রার্থী করা হয়।
সনাতন: কিছু দিন আগে কানহাইয়া কুমারের ভক্ত ছিলাম। রাহুল গান্ধীর ভক্ত ছিলাম। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়েরও ভক্ত ছিলাম। এখন আমি রাঘব চাড্ডার ভক্ত।