Long Lasting Healthy Skin Care

চটজলদি সমাধান নয়, দীর্ঘ মেয়াদে ত্বক হোক সুস্থ ও উজ্জ্বল, রোজের রুটিনে থাকুক ৫টি ধাপ

১০ ধাপের রুটিনও প্রয়োজন নেই, আবার নামীদামি প্রসাধনেরও দরকার নেই। দীর্ঘমেয়াদি চিন্তা করলে ত্বক নিজে থেকেই সুস্থ থাকবে। আগে থেকেই সঠিক অভ্যাস তৈরি করা উচিত, যাতে পরে ত্বকের যত্ন নেওয়া অনেক সহজ হয়ে যায়।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ২২ মার্চ ২০২৬ ১৬:৫৭
কী ভাবে ত্বকের যত্ন নিলে তা দীর্ঘমেয়াদি হবে?

কী ভাবে ত্বকের যত্ন নিলে তা দীর্ঘমেয়াদি হবে? ছবি: সংগৃহীত।

‘ফাস্ট’ ফুড থেকে ‘ফাস্ট’ ফ্যাশন। যাপনের সঙ্গে ‘ফাস্ট’ অর্থাৎ দ্রুতগতি এখন ওতপ্রোত ভাবে জড়িয়ে। ত্বকচর্চার ক্ষেত্রেও চটজলদি সমাধান পাওয়ার চল বেড়েছে। অনেকেই দ্রুত ত্বক উজ্জ্বল করার টোটকার পিছনে ছোটেন। কিন্তু ত্বকচর্চার ক্ষেত্রে তাড়া না থাকলে দেখা যাবে, ১০ ধাপের রুটিনেরও প্রয়োজন নেই, আবার নামীদামি প্রসাধনেরও দরকার নেই। দীর্ঘমেয়াদে ত্বক নিজে থেকেই সুস্থ থাকবে। দৈনন্দিন রুটিন সহজ ও টেকসই হবে। আগে থেকেই সঠিক অভ্যাস তৈরি করা উচিত, যাতে পরে ত্বকের যত্ন নেওয়া অনেক সহজ হয়ে যায়।

Advertisement
ত্বকচর্চার ক্ষেত্রে তাড়া না থাকলে দেখা যাবে, ১০ ধাপের রুটিনেরও প্রয়োজন নেই, আবার নামীদামি প্রসাধনেরও দরকার নেই।

ত্বকচর্চার ক্ষেত্রে তাড়া না থাকলে দেখা যাবে, ১০ ধাপের রুটিনেরও প্রয়োজন নেই, আবার নামীদামি প্রসাধনেরও দরকার নেই। ছবি: সংগৃহীত

এই ধারণার ভিত্তিতেই কিছু গুরুত্বপূর্ণ অভ্যাস গড়ে তোলা যায়

প্রথমেই জরুরি হল রোদ থেকে সুরক্ষা। প্রতি দিন সানস্ক্রিন ব্যবহার অনেকের কাছেই বিরক্তিকর মনে হলেও, এটি ত্বকের পিগমেন্টেশন, রঙের সামঞ্জস্যহীনতা এবং বয়সের ছাপ কমাতে বড় ভূমিকা নেয়। যাঁরা নিয়মিত সানস্ক্রিন ব্যবহার করেন, তাঁদের ত্বকে পরবর্তীতে তেমন বেশি চিকিৎসার প্রয়োজন হয় না।

দ্বিতীয়ত, ত্বকচর্চা এমন হওয়া উচিত, যা দীর্ঘ দিন ধরে বজায় রাখা যায়। অনেকেই দামি ক্রিম বা সিরাম কিনে কিছু দিন ব্যবহার করেন, তার পর বন্ধ করে দেন। এতে কোনও লাভ হয় না। বরং নিজের জীবনযাত্রা ও বাজেট অনুযায়ী একটি সহজ, নিয়মিত রুটিনই বেশি কার্যকর। রুটিন যত সহজ রাখা যায়, ততই ভাল। ৭-১০ ধাপের ত্বকচর্চা শুনতে আকর্ষণীয় বটে, কিন্তু তা দীর্ঘ দিন মেনে চলা কঠিন। অল্প কিছু সঠিক প্রসাধনী নিজের ত্বকের ধরন অনুযায়ী বেছে নিতে হবে। এই সরল পদ্ধতিই সবচেয়ে কার্যকর।

তৃতীয়ত, এর পাশাপাশি নিয়মিত যত্ন নেওয়া দরকার। মাঝে মাঝে ত্বকের চিকিৎসা বা পরিচর্যা করালে ত্বকের গঠন ভাল থাকে। এতে সমস্যা হওয়ার আগেই তা নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়, ফলে দৈনন্দিন যত্ন আরও সহজ হয়ে যায়। ত্বকের ক্ষেত্রে প্রতিরোধই সবচেয়ে বড় হাতিয়ার। এক বার পিগমেন্টেশন বা দাগ তৈরি হলে তা সারানো কঠিন, তাই আগে থেকেই সঠিক যত্ন নেওয়া জরুরি। এতে ভারী মেকআপ বা বার বার চিকিৎসার প্রয়োজনও কমে যায়।

চতুর্থত, দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগের কথাও ভাবা প্রয়োজন। যেমন, লেজ়ার হেয়ার রিডাকশন প্রথমে খরচসাপেক্ষ মনে হলেও, নিয়মিত ওয়্যাক্সিং বা শেভিংয়ের তুলনায় এটি অনেক বেশি সুবিধাজনক এবং সময়ও বাঁচায়। ফলে দৈনন্দিন পরিচর্যা অনেক সহজ হয়ে যায়।

পঞ্চমত, ত্বকের সৌন্দর্য অনেকটাই নির্ভর করে জীবনযাত্রার উপর। পর্যাপ্ত ঘুম, নিয়মিত ব্যায়াম, সুষম আহার, জলপান এবং মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ, এই অভ্যাসগুলি ত্বককে ভিতর থেকে সুস্থ রাখে।

Advertisement
আরও পড়ুন