ছবি: সংগৃহীত।
চুল পড়ার সমস্যায় ভোগেননি এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া দায়। অনেকেই ভাবেন, চুলে খুশকি না থাকলে বা পুষ্টিকর খাবার খেলে চুল পড়বে না। তাই প্রথম ওই দু’টি সমস্যারই সমাধান করেন। কিন্তু বাস্তব চিত্রটা ভিন্ন। নিয়মিত সুষম খাদ্য গ্রহণ করলে এবং মাথার ত্বক পরিষ্কার রাখার পরেও অনেকের অস্বাভাবিক হারে চুল পড়তে পারে। তার কারণ, চুল পড়ার নেপথ্যে কেবল বাহ্যিক যত্ন বা পুষ্টিই শেষ কথা নয়। এর পেছনে লুকিয়ে থাকতে পারে কিছু জীবনযাপন জনিত সমস্যাও।
কেন উঠছে চুল? মূল কারণগুলি কী কী?
অতিরিক্ত মানসিক চাপ : ব্যস্ত জীবনেচুল পড়ার অন্যতম প্রধান কারণ মানসিক চাপ । অতিরিক্ত দুশ্চিন্তার কারণে শরীর ‘টেলোজেন এফ্লুভিয়াম’ এমন এক অবস্থায় পৌঁছায়, যা চুলের স্বাভাবিক বৃদ্ধি চক্রকে ব্যাহত করে এবং চুলকে সময়ের আগেই ঝরিয়ে দেয়।
হরমোনের ভারসাম্যহীনতা: থাইরয়েডের সমস্যা, নারীদের ক্ষেত্রে পিসিওএস বা গর্ভাবস্থার পরবর্তী সময়ে হরমোনের ওঠানামার কারণেও চুল পড়তে পারে।
বংশগত কারণ : পরিবারে যদি কারও কম বয়সে চুল পড়ার প্রবণতা থাকে, তবে পুষ্টিকর খাবার খাওয়ার পরেও অ্যান্ড্রোজেনেটিক অ্যালোপেসিয়ার কারণে চুল পাতলা হতে শুরু করে।
ভুল প্রসাধনী ও স্টাইলিং: অতিরিক্ত রাসায়নিকযুক্ত শ্যাম্পু, ড্রায়ারের গরম বাতাস, কিংবা চুল সোজা বা রিবন্ডিং করার কারণে চুলের গোড়া দুর্বল হয়ে যায়।
পর্যাপ্ত ঘুমের অভাব ও ওষুধ: দৈনিক ৭-৮ ঘণ্টা গভীর ঘুম না হলে চুলের ফলিকলগুলো পুষ্টি পায় না। এছাড়া উচ্চ রক্তচাপ বা অবসাদের কিছু ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াতেও চুল পড়তে পারে।