মুখের সঙ্গে মানানসই হবে কোন ভ্রু, বোঝার জন্য আছে বিশেষ পন্থা, জেনে নিন কৌশল

নাক, চোখের গড়ন আলাদা হয় সকলেরই। তা ছাড়া, চোয়ালের উপর নির্ভর করে মুখের আকৃতিও। তার উপর নির্ভর করে কী ভাবে নিখুঁত ভাবে ভ্রু প্লাক করাবেন?

Advertisement
শেষ আপডেট: ২৬ মার্চ ২০২৬ ১৬:৩৮

ধনুকের মতো বাঁকা, লম্বা ঘন ভ্রু হোক, চান অনেকেই। কিন্তু এমন ভ্রু সুন্দর হলেও যে কোনও মুখে মানানাসই হবে কি? চওড়া, ঘন ভ্রু রয়েছে দীপিকা পাড়ুকোনেরও। কিন্তু আকারের দিক থেকে তা শিল্পার চেয়ে ভিন্ন। কারও ভ্রু গোলাকার, কারও ধনুকের মতো, কারও আবার কিছুটা সরল রৈখিক।

Advertisement

রূপটান শিল্পীরা বলছেন, কোনও ভ্রুয়ের আকার পছন্দ হলেও সেটি যে কোনও মুখে মানাবে এমন নয়। বরং চোয়াল, মুখের গড়নের উপর নির্ভর করে ভ্রুর আকার নির্বাচন করা জরুরি। আর এ ক্ষেত্রেই কাজে আসতে পারে ভ্রু ম্যাপিং।

আন্দাজ নয়, বরং এই পদ্ধতির সাহায্যে কোন ধরনের ভ্রু মুখের সঙ্গে মানানসই হবে তা বুঝে নেওয়া যায়। চোখের আকার, নাকের গড়ন, চোয়ালের ধরন প্রত্যেকেরই আলাদা। ভ্রুর ঘনত্ব এবং দৈর্ঘ্যও সকলের সমান নয়। ঠিক সেই কারণেই এই পন্থা ভ্রুর সঠিক আকারটি তৈরি করতে সাহায্য করে।

ভ্রু ম্যাপিং কী?

তিনটি বিন্দুর সাহায্যে কাজটি করা হয়। ভ্রু কোথা থেকে শুরু হয়ে কোথায় শেষ হচ্ছে দুই প্রান্তে থাকে দুই বিন্দু। ধনুকের মতো বাঁকা স্থানটি কোথায় কী ভাবে হবে তার জন্য চিহ্নিত করতে হয় শীর্ষ বিন্দু।

কোথায়, কী ভাবে লাইন টানতে হবে বুঝে নিন।

কোথায়, কী ভাবে লাইন টানতে হবে বুঝে নিন। ছবি: সংগৃহীত।

সঠিক আকার বোঝার জন্য গুঁড়ো রং লাগানো সুতো ব্যবহার করুন। সেই সুতো দিয়ে দুই ভ্রুর মাঝামাঝি, নাকের মাঝ বরাবর লম্বা দাঁড়ির মতো দাগ দিন। শুরুর বিন্দু হবে নাকের দুই পাশ থেকে। নাকের দুই পাশ থেকে সোজা উল্লম্ব ভাবে সুতো দিয়ে দাগ দিতে হবে। এটি হবে শুরুর বিন্দু। নাকের ছিদ্রের বাইরের অংশ থেকে সুতো ধরে কৌণিক ভাবে দাগ দিন সেই স্থানে যেখানে ভ্রু সবচেয়ে উঁচু। নাকের একই জায়গা থেকে সুতো ধরে ভ্রুর শেষ প্রান্তটি চিহ্নিত করে দাগ দিন। এই ভাবে শুরু, শীর্ষ এবং শেষ বিন্দু মিলবে।

এবার সুতোর সাহায্যে নাকের ঠিক উপরে ভ্রুর নীচের অংশটিতে সমান্তরাল ভাবে দাগ দিন। আর একটি সমান্তরাল বা নাকের আড়াআড়ি দাগ টানুন ভ্রুর উপরের অংশ। তৃতীয় আড়াআড়ি দাগটি টানতে হবে ভ্রুর শীর্ষ অংশটির উচ্চতম স্থান বরাবর। তা হলেই ভ্রু কী ভাবে প্লাক করতে হবে, তার আকার তৈরি হয়ে যাবে। এর পর পেশাদার কারও সাহায্য নিয়ে ভ্রু তুললে মুখের উপযোগী সঠিক আকার পাবেন।

কোন ধরনের মুখে কেমন ভ্রু ভাল লাগে?

কারও মুখ গোলাকার, কারও ডিম্বাকার, কারও আবার চৌকো ধরনের হয়। চোয়ালের আকারের উপর তা নির্ভর করে। সাধারণত ডিম্বাকার মুখে ধনুকের মতো মাঝ খান থেকে বাঁকা ভ্রু না করে, একটু অন্য ভাবে ভাবা যায়। খাঁজের মতো ভ্রু না করে, একটু তুলে ঢালের মতো করলে দেখতে ভাল লাগে। তবে সেই ঢাল চোখের মাঝ বরাবর নয়, করতে হবে ভ্রুর শেষবিন্দুর একটু আগে। চৌকো মুখেও নিখুঁত বাঁকানো ভ্রুর বদলে হালকা গোলাকার ভ্রু ভাল লাগবে। গোলাকার মুখে কিন্তু খুব একটা তীক্ষ্মতা থাকে না। তাই ভ্রু ‘আর্চ’ আকারে তুলতে পারলেই ভাল।

Advertisement
আরও পড়ুন