Frizzy Hair Care

উসকোখুসকো, জট পড়া চুলকে বাধ মানানো দুষ্কর! সহজ কয়েকটি কৌশলে সমস্যা মিটতে পারে

এলোমেলো, রুক্ষ আর উসকোখুসকো চুল সমস্ত সাজ নষ্ট করে দিতে পারে। সে ক্ষেত্রে বিশেষ কয়েকটি নিয়ম মেনে চুলের যত্ন নেওয়া উচিত। কী কী করবেন জেনে নিন।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ১৩ জানুয়ারি ২০২৬ ২০:৪৫
রুক্ষ, এলোমেলো চুলকে বশ মানাবেন কী ভাবে?

রুক্ষ, এলোমেলো চুলকে বশ মানাবেন কী ভাবে? ছবি: সংগৃহীত।

শ্যাম্পু করার পর চুল যেন বাধা মানতে চায় না। তার উপর আবার চুলের আগা শুকনো হয়ে যায়, ঘন ঘন জট পড়তে থাকে, মাথার উপর বা কানের চারপাশে ছোট ছোট চুল দাঁড়িয়ে থাকে। এলোমেলো, রুক্ষ আর উসকোখুসকো চুল সমস্ত সাজ নষ্ট করে দিতে পারে। মাথার ত্বকে খুব সূক্ষ্ম একটি আবরণ থাকে, যাকে কিউটিকল বলা হয়। এই আবরণ ক্ষতিগ্রস্ত হলে চুল রুক্ষ হয়ে যায়। এই আবরণ যখন উঠে যায় বা খুলে যায়, তখন বাতাসের জলকণা চুলের ভিতরে ঢুকে পড়ে। ফলে চুল ফুলে ওঠে, জট পড়ে, নিয়ন্ত্রণে থাকে না।

Advertisement

এই আবরণ নষ্ট হয় বেশ কয়েকটি কারণে। অতিরিক্ত গরম জল দিয়ে চুল ধোয়া, খারাপ শ্যাম্পু ব্যবহার করা, বার বার ড্রায়ার দিয়ে চুল শুকোনো, স্ট্রেটনার দিয়ে স্ট্রেট করা, ভেজা চুলে চিরুনি চালানো, তোয়ালে দিয়ে জোরে মাথা মোছা— এ সবই চুলকে ধীরে ধীরে রুক্ষ করে তোলে। তা ছাড়া আবহাওয়া তো বড় কারণ বটেই।

শ্যাম্পু করার আগে ও পরে কী কী নিয়ম মানতে হবে?

শ্যাম্পু করার আগে ও পরে কী কী নিয়ম মানতে হবে? ছবি: সংগৃহীত।

বিশেষ কয়েকটি নিয়ম মেনে চুলের যত্ন নেওয়া উচিত

১. শ্যাম্পুর আগে যত্ন: চুল ধোয়ার আগে সামান্য তেল দেওয়া খুব জরুরি। নারকেল তেল বা আমন্ড অয়েল হলে ভাল হয়। চুলের মাঝখান থেকে ডগা পর্যন্ত তেল লাগান। মাথার ত্বক যদি খুব শুষ্ক হয়ে থাকে, তা হলেই কেবল সেখানে তেল মালিশ করবেন। আধ ঘণ্টা মতো রেখে দিতে হবে। চুল আঁচড়ানোর সময়ে বড় ডাঁটির চিরুনি ব্যবহার করা উচিত। সব সময়ে নীচ থেকে আঁচড়ানো শুরু করবেন। ধীরে ধীরে উপরে উঠবেন।

২. মাথা ধোয়ার নিয়ম: চুলে শ্যাম্পু করার জন্য সঠিক পণ্য বেছে নেওয়া দরকার। সালফেট-মুক্ত শ্যাম্পু ব্যবহার করবেন। খুব গরম জল দিয়ে চুল ধোয়া উচিত নয়। এতে চুলের কিউটিকলগুলি উঠে যায় বা খুলে যায়। তার ফলে চুল রুক্ষ হয়ে যায়। হালকা উষ্ণ জল বা স্বাভাবিক তাপমাত্রার জল ব্যবহার করা উচিত। কন্ডিশনার ব্যবহার করার সময়ে মনে রাখবেন, গোড়ার চেয়ে আগার দিকে নজর দেওয়া উচিত বেশি। চুলের মাঝখান থেকে ডগা পর্যন্ত লাগাতে হবে। ৩-৫ মিনিট রেখে জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

৩. চুল শুকোনোর পন্থা: ভেজা চুল তোয়ালে দিয়ে জোরে ঘষবেন না। এতে চুলের ক্ষতি হয়। বরং মাইক্রোফাইবার কাপড়ের তোয়ালে বা সুতির কাপড় দিয়ে আলতো করে চাপ দিয়ে জল শুষে নিতে হবে। ভেজা চুল আঁচড়াবেন না কখনও। তাতে চুলে ভাঙন ধরার প্রবণতা বাড়বে। হঠাৎ বাইরে বেরোনোর আগে চুল খুব এলোমেলো লাগলে, হাতে সামান্য জল নিয়ে চুলের উপর আলতো করে বুলিয়ে নিন। এতে চুল বাধ না মানার সমস্যা থেকে রেহাই মেলে খানিক হলেও।

Advertisement
আরও পড়ুন