ছবি : সংগৃহীত।
ঝকঝকে ত্বক বললে কম বলা হয়। কিয়ারা আডবাণীর মুখে আলো পড়লে সেই আলো যেন জেল্লা হয়ে ঠিকরে বেরোয় তাঁর গাল থেকে। এমনই মসৃণ আর উজ্জ্বল ত্বক তাঁর। অবশ্যই নায়িকাসুলভ সেই ত্বকের বিপুল যত্নআত্তি তিনি করেন। কিন্তু তার পাশাপাশি তাঁর দিদিমার দেওয়া এক ঘরোয়া টোটকাও ব্যবহার করতে ভোলেন না। এক পডকাস্টে কিয়ারা জানিয়েছেন সেই ত্বক পরিচর্যার উপায়।
তাঁর কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল, আধুনিক প্রসাধনীর পাশাপাশি, ত্বকের যত্ন নিতে তিনি কোনও প্রাকৃতিক উপকরণ ব্যবহার করেন কি? জবাবে অভিনেত্রী বলেছেন, ‘‘অল্প একটু বেসন, বাড়িতে পাতা টক দই বা গরুর দুধ আর সামান্য মধু মিশিয়ে একটি মিশ্রণ তৈরি করে মুখে লাগালে তা ত্বককে দারুণ ডিটক্স করে। এই রেসিপি আমার দিদিমা আমাকে দিয়েছিলেন। এখনও হাতে সময় থাকলে আমি মাঝেমধ্যেই এই প্যাক ব্যবহার করি।’’
সাধারণত মেকআপ বেশি ব্যবহার করতে পছন্দ করেন না কিয়ারা। উজ্জ্বল ত্বকের রহস্য কি জানতে চাওয়ায়, সে কথাও বলেছেন নায়িকা। তাঁর কথায়, ‘‘খুব প্রয়োজন না হলে আমি মেকআপ করতে ভালবাসি না। ময়েশ্চারাইজ়ার, ফেস সিরাম আর সানস্ক্রিন— এই তিনটি জিনিস থাকলেই আমার হয়ে যায়।’’ কাজ না থাকলে বা বন্ধুবান্ধব, প্রিয়জনের সঙ্গে বেড়াতে গেলেও করেন না মেকআপ। কিয়ারা বলছেন, ‘‘ব্লাশ আমার ভাল লাগে। দরকার পড়লে কখনও সখনও গালে সামান্য ব্লাশ, ঠোঁটে লিপ বাম আর চোখে মাস্কারা লাগিয়ে নিলেই আমার হালকা সাজ হয়ে যায়। মাঝেমধ্যে কাজল পরি।’’
ত্বকের যত্ন নিতে আর কী করেন তিনি? কিয়ারা জানিয়েছেন, যেহেতু তাঁর কাজের সময় মেকআপ ব্যবহার করতেই হয়, তাই কাজের শেষে ভাল ভাবে মেক আপ তোলার বিষয়টিতেই সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেন তিনি। নায়িকা বলছেন, ‘‘আমার বয়স এখন ৩০-এর কোঠায়। তাই এখন আরও বেশি করে ত্বকের যত্ন নিই। তবে তার জন্য শুধু মুখে কী মাখলাম, তা গুরুত্বপূর্ণ নয়। কী খাচ্ছি, কত ক্ষণ ঘুমোচ্ছি, ঠিকমতো জল খাচ্ছি কি না— এই সব কিছুর উপর নির্ভর করে ত্বক ভাল থাকবে কি না।’’