ফোনের কভারের সঙ্গে ব্রণের কি কোনও যোগ আছে? ছবি: সংগৃহীত।
ব্রণ নিয়ে বিড়ম্বনা অনেকেরই। ঠিক যেন বেছে বেছে বিশেষ দিনগুলির আগে ব্রণ বেরোয়। হয় প্রথম ডেট কিংবা চাকরির সাক্ষাৎকার কিংবা কোনও বিয়েবাড়ির আগেই যেন বেশি করে দেখা দেয় এই সমস্যা! সারা মাস ত্বক দারুণ ঝকঝকে রইল। ঠিক বিশেষ দিনের আগেই কপালে বিশাল একটা ব্রণ বেরিয়ে গেল— এই ঘটনা ঘটেই থাকে। আর তাতে মনখারাপ হয়ে যায় প্রত্যেকেরই। অনেকে আবার এমনও আছেন, যাঁরা সারা বছর ধরেই ব্রণের সমস্যায় ভোগেন। শরীরে জলের ঘাটতি, অস্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া, হরমোনজনিত বিভিন্ন সমস্যার কারণে ব্রণ হতেই পারে। এ ছাড়া, ত্বকের পরিচর্যা ঠিকমতো না করার কারণেও ব্রণ হয়। তবে, ফোনের কভার থেকেও ব্রণ হতে পারে, সেই খবর রাখেন কি? শুধু ব্রণই নয়, এর থেকে ত্বকের সংক্রমণের ঝুঁকিও বাড়ে।
ফোন আমরা যেখানে-সেখানে রাখি। কখনও টেবিলের উপর, কখনও আবার হেঁশেলে প্ল্যাটফর্মে। ফলে মোবাইলের কভারটি জীবাণুদের আঁতুড়ঘরে পরিণত হয়। এই সব জীবাণু ত্বকে ঢুকলে কেবল ব্রণ-ফুস্কুড়ি নয়, তা চর্মরোগেরও কারণ হয়ে উঠতে পারে। শৌচাগারেও মোবাইল নিয়ে যান অনেকে। মোবাইলের কভার রবারের তৈরি। সেখানে বাসা বাঁধে যাবতীয় ক্ষতিকর ভাইরাস ও ব্যাক্টেরিয়া। বাথরুমের ফ্লাশ, কল বা দরজার লক ব্যবহারের পর মোবাইলের স্ক্রিনে হাত দিলে সেখানে জন্মাতে পারে ব্যাক্টেরিয়া, ভাইরাসগুলি। এ বার সেই মোবাইল দীর্ঘ সময়ে কানে দিয়ে কথা বললে অথবা মুখের কাছাকাছি রাখলে, কভার আর ফোন থেকে সেই সব জীবাণু ঢুকে গিয়ে ত্বকে বাসা বাঁধবে ও বংশবৃদ্ধি করতে থাকবে। সেই থেকেও ত্বকের সমস্যা বাড়তে পারে। এ ছাড়া মোবাইলে কথা বলার সময়ে ঘাম হয়, ত্বকের সঙ্গে ঘষা লাগে ফোনে, ব্রণ হতে পারে সেই কারণেও। মোবাইলের নীল আলো ও ফোন থেকে বেরোনো তাপ ত্বকের ক্ষতি করে।
ব্রণের সমস্যা কমাতে তা হলে কী করণীয়?
১) জীবাণুনাশক ওয়াইপ বা অ্যালকোহলযুক্ত ক্লিনার দিয়ে রোজ ফোন আর ফোনের কভার পরিষ্কার করুন।
২) অ্যান্টি-ব্যাক্টেরিয়াল গুণযুক্ত ফোনের কভার কিনুন।
৩) মোবাইল ফোনে সরাসরি কথা না বলে হেডফোন বা ইয়ারপড ব্যবহার করুন।