— প্রতীকী চিত্র।
মরসুমি ফল সব সময়েই উপকারী। গাঢ় বেগুনিরঙা জামে এখন ভরে আছে বাজার। এই ফল খুব বেশি হলে মাসখানেক বাজারে থাকবে। স্বাদে একটু কষাটে হলেও এই ফলের উপকারিতা অনেক। তাই নুন দিয়ে মেখেই হোক কিংবা শরবত বানিয়ে, জাম রাখুন নিয়মিত খাদ্যতালিকায়।
গুণে ভরা ফল
যে কোনও গাঢ় রঙিন ফলে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টস থাকে। জামও তার ব্যতিক্রম নয়। ভিটামিন, খনিজ সবই ভরপুর থাকে এই ফলে। হৃদ্যন্ত্র ভাল রাখা, মস্তিষ্কের বিকাশ, রক্তের শোধন— বহু উপকার রয়েছে এই ফলের। সেই সঙ্গে রয়েছে পর্যান্ত পরিমাণে ফাইবার, যা কোষ্ঠ পরিষ্কারে সাহায্য করে। ভিটামিন সি সমৃদ্ধ এই ফলে ক্যালরির পরিমাণ কম। তাই এই ফল খেয়ে ওজন বৃদ্ধির বিশেষ সম্ভাবনা নেই।
অসুখের মোকাবিলায়
যাঁদের হাই ব্লাড সুগার, তাঁদের জাম খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন চিকিৎসকেরা। এই ফলের গ্লাইসেমিক ইনডেক্স কম হওয়ায় রক্তে শর্করার মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। এ ছাড়া অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টস সমৃদ্ধ হওয়ায় তারুণ্য ধরে রাখতেও এই ফলের জুড়ি নেই। শরীরের অনাক্রম্যতা বাড়ায় এই ফল, তার ফলে চট করে আবহাওয়ার পরিবর্তনে সর্দি-কাশিতে ভোগার সম্ভাবনা কমে আসে। উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি শরীরে সোডিয়াম-পটাশিয়ামের ব্যালান্স বজায় রাখে। হজমের সমস্যা নিরসন করতেও এর জুড়ি নেই, ভাল রাখে লিভারও।
তবে জাম বেশি খাওয়ার কিছু সমস্যা রয়েছে। যাঁদের কিডনিতে সমস্যা আছে, তাঁরা এই ফল মেপে খাবেন। খালি পেটে এই ফল খাবেন না। আর জাম খাওয়ার আগে বা পরে দুগ্ধজাত খাবার না খাওয়াই ভাল।