জীবাণুনাশক ওয়াইপস কোন জায়গায় ব্যবহার করা উচিত নয়। ছবি:সংগৃহীত।
ঘরদোর-আসবাবে জীবাণু থাকা মানেই অসুস্থ হয়ে পড়ার আশঙ্কা। কারণ, অপরিচ্ছন্ন জায়গায় হাত দেওয়ার পরে সেই হাত যদি মুখে-চোখে যায়, তা থেকে শরীরে ঢুকতে পারে জীবাণু। সেই কারণে সহজ সমাধান জীবাণুনাশক ওয়াইপস, যা দিয়ে যে কোনও জায়গা চটজলদি মুছে ফেলা যায়, জীবাণুমক্ত করা যায়। তবে ঘরদোর পরিষ্কারের ব্যাপারে পেশাদারেরা মনে করাচ্ছেন ভুল হতে পারে সেখানেই। জীবাণুনাশক ওয়াইপস বাড়ির সর্বত্র ব্যবহার করা চলে না। করলে ক্ষতি হতে পারে।
শিশুর খেলনা: শিশুদের জিনিসপত্র জীবাণুমুক্ত করতেই অভিভাবকেরা বেশি আগ্রহী হন। কারণ, খেলতে খেলতেই তারা মুখে হাত দেয়। ফলে মনে হতেই পারে, জীবাণুনাশক ওয়াইপ্স দিয়ে শিশুর প্লাস্টিকের খেলনাগুলি বা টেডি বিয়ার মুছে দেওয়া যেতে পারে। কিন্তু ভেবে দেখা প্রয়োজন, খুদেরা তাদের খেলার জিনিস মুখে দেয়। তা ছাড়া ওয়াইপ্সে থাকা জীবাণুনাশক রাসায়নিক নরম খেলনায় শোষিত হতে পারে। সেটি কিন্তু মোটেই স্বাস্থ্যের পক্ষে ভাল নয়।
বৈদ্যুতিক এবং বৈদ্যুতিন জিনিস: টিভির পর্দা, ল্যাপটপের কিবোর্ড ওয়াইপস দিয়ে মোছা সুবিধাজনক বলে ব্যবহার করা ঠিক নয়। এলইডি বা এলসডি পর্দার টিভি, ল্যাপটপ এতে নষ্ট হয়ে যেতে পারে। কিবোর্ডেও রাসায়নিক ঢুকে যেতে পারে। নিয়ম মেনে সেগুলি পরিষ্কার করুন।
চামড়ার সোফা: চামড়ার সোফাতেও জীবাণুনাশক ওয়াইপ্স ব্যবহার করলে তা নষ্ট হয়ে যেতে পারে। এক-দু’দিনে কিছু হবে না ঠিকই। কিন্তু বার বার ব্যবহারে ক্ষতি হতে পারে সোফা সেটের। শুধু চামড়া নয়, এতে ইথানল, হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড-সহ এমন অনেক উপাদান থাকে, যা আসবাবের জন্য ক্ষতিকর। কাঠের আসবাবেও বেশি ঘষলে পালিশ উঠে যাবে।