অভয়ের বাড়িতে অন্দরসজ্জা কেমন? গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।
তারকা পরিবারের সন্তান তিনি। তা সত্ত্বেও আর পাঁচজন তারকাসন্তানের মতো ঝাঁ-চকচকে বলিউডি ছবির মাধ্যমে বিনোদন জগতে পা রাখেননি তিনি। গতে বাঁধা বাণিজ্যিক ছবির বদলে অন্য ঘরানার ছবিতে কাজ করেই দর্শকের নজর কেড়েছেন বলি অভিনেতা অভয় দেওল। শুরুটা হয়েছে ইমতিয়াজ় আলির ‘সোচা না থা’ ছবির মাধ্যমে। তার পর ‘ওয়ে লাকি! লাকি ওয়ে!’, ‘দেব ডি’, ‘এক চালিস কি লাস্ট লোকাল’ ছবির মাধ্যমে দর্শকের মনে আলাদা জায়গা করে নিয়েছেন অভিনেতা। বলিউডের অন্যতম বিচক্ষণ রিয়্যাল-এস্টেট বিনিয়োগকারী হিসেবে অভয় নিজের আলাদা পরিচিতি গড়ে তুলেছেন। গোয়ার আসাগাওয়ের স্নিগ্ধ সবুজে ঘেরা জঙ্গলের মাঝে অভয়ের কাচের বাড়িটি নিয়ে বলিপাড়ায় বেশ আলোচনাও হয়।
বনের মাঝে এই কাচের বাড়িটির মূল্য প্রায় ৩০ কোটি টাকা। বাড়িটি স্থাপত্য সৌকর্যের এক অনন্য নিদর্শন। এই বাড়িটি নিয়ে অভয়ের ভাবনা ছিল স্পষ্ট। তিনি এমন বাড়ি বানাতে চেয়েছিলেন, যা বাইরের বনভূমিকে বাড়িরই অবিচ্ছেদ্য অংশে পরিণত করবে। অভয়ের বাড়িতে কোনও জানলা নেই, তার বদলে বিশাল সব কাচের দরজা। এগুলি বসার ঘর ও বাইরের সুবিশাল লনের মধ্যে মূল সংযোগসূত্র তৈরি করে।
কাচের দেওয়াল দিয়ে ঘেরা বসার ঘরটিতে বসলে আশেপাশের বনের দৃশ্য উপভোগ করা যায়। মেঝেতে ব্যবহার করা হয়েছে কালো গ্রানাইট পাথর, একটি দেয়াল ইটের আস্তরণে সাজানো হয়েছে। ঘরের পরিবেশকে আরও মনোরম করে তুলতে তিনি আসবাবপত্রে উজ্জ্বল রঙের ছোঁয়া যোগ করেছেন। অভিনেতার পরিবেশসচেতন চিন্তাধারার প্রতিফলন পুরো বাড়ি জুড়েই দেখা যায়। অভয়ের বাড়িতে রয়েছে কাঠের মেঝে, বেতের আসবাবপত্র, নানা ধরনের গাছপালা। কোনও চড়া রং নয়, আকাশি রং দিয়েই দেওয়াল সাজিয়েছেন তিনি।
বসার ঘর থেকে বেরিয়েই রয়েছে একটি বিরাট আউটডোর অঞ্চল। যেখানে রয়েছে সানবেড ও ঘন সবুজ গাছপালায় ঘেরা একটি মিনিম্যালিস্ট ধাঁচের সুইমিং পুল। অভয়ের বাগানে পা রাখার সঙ্গে সঙ্গে মনে হবে, যেন আপনি স্বর্গে চলে এসেছেন। অভয় রান্না করতে খুবই ভালবাসেন। তাই বাগানের মাঝে ছোট একটি হেঁশেলেরও ব্যবস্থা করেছেন অভিনেতা।