ছবি : সংগৃহীত।
ঘন জমাট দই। চামচে করে কাটলে জেলির মতো উঠে আসবে অথচ ভাঙবে না। দই খেতে যাঁরা পছন্দ করেন, এ ভাবে চামচে করে দই কাটা তাঁদের কাছে এক ধরনের সুখানুভূতি। তবে তার জন্য দই ভাল ভাবে জমাট বাঁধাও দরকার, যা শীতকালে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই হয় না।
যেহেতু দই গরম পরিবেশে জমে ভাল, তাই শীতে আবহাওয়ার কারণেই সহজে জমাট বাঁধতে চায় না। জমলেও ভেঙে ভেঙে যায়। তবে চাইলে সেই সমস্যা থেকে শীতকালেও মুক্তি পাওয়া যায়। কাঁচা লঙ্কাও দই জমাতে সাহায্য করতে পারে। কী ভাবে ব্যবহার করবেন? এবং শীতে দই পাতার জন্য আর কী কী বিষয় খেয়াল রাখবেন, জেনে নিন।
১। ১ লিটার টোনড দুধ ফোটান।
২। ঠান্ডা করে রেফ্রিজারেটরে রেখে দিন এক রাত।
৩। পরের দিন সকালে উপরে জমা ক্রিম সরিয়ে দিন।
৪। আবার দুধ গরম হতে দিন। দুধ ততটাই গরম হবে যাতে দুধের মধ্যে আঙুল ডুবিয়ে ৫-৬ সেকেন্ড রাখা যায়। গরম কালে দই পাতার জন্য দুধ যতটা গরম করেন শীতে তার থেকে সামান্য বেশি গরম করতে হবে।
৫। এ বার ১ টেবিল চামচ দইয়ের সাজি একটি কাপের মধ্যে দিয়ে তার মধ্যে সামান্য উষ্ণ দুধ মিশিয়ে ভাল ভাবে ঘেঁটে নিন।
৬। এ বার ওই দই মেশানো দুধ ঢেলে দিন বাকি দুধের মধ্যে।
৭। একটি হুইস্কার বা কাঁটা চামচ বা লস্যি বানানোর মথনি নিয়ে দ্রুত দুধ ফেটাতে থাকুন, যাতে দই মেশানো দুধ ভাল ভাবে বাকি দুধের সঙ্গে মিশে যায়। মনে রাখতে হবে এই প্রক্রিয়াটি দ্রুত করা জরুরি। কারণ দুধের গরম ভাব ঠান্ডা হতে দেওয়া যাবে না।
৮। দই বেশি জমাট করতে চাইলে ওই মিশ্রণে ২ চা চামচ গুঁড়ো দুধ মিশিয়ে আরও এক বার ভাল ভাবে মিশিয়ে নিতে পারেন।
৯। দই ভাল জমাট বাঁধার আরও একটি টোটকা হল দইয়ের ভিতর বোঁটা সমেত একটি কাঁচা লঙ্কা ভেঙে দিয়ে দেওয়া।
১০। এ বার পাত্রটির মুখ একটি ন্যাপকিন দিয়ে ঢেকে মাইক্রোওয়েভ অভেনের ভিতরে রেখে দিন, যাতে গরম থাকে। ৬ ঘণ্টা পরে এক বার দেখুন। যদি ভাল ভাবে জমাট না বেঁধে থাকে তবে আরও ২ ঘণ্টা রাখতে পারেন। দই জমাট বাঁধার পরে ফ্রিজে রেখে দিতে পারেন।