Work Life Balance

অফিসেই কেটে যায় ৮-১০ ঘণ্টা! সামাজিকতা বজায় রাখবেন কী ভাবে? জেনে নিন ৩ উপায়

কর্পোরেট দুনিয়ায় বহু অফিসেই কর্মীদের ৮-১০ ঘণ্টা কেটে যায়। টানা ১০ ঘণ্টা অফিসে সময় দেওয়ার পর সামাজিক জীবন বজায় রাখা সত্যিই কঠিন।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ২১:২৩

ছবি : সংগৃহীত।

সারা দিনের ব্যস্ততার মাঝেও নিজের জন্য এবং প্রিয়জনদের জন্য সময় দেওয়া সহজ নয়। তবে সেই ভারসাম্য বজায় রাখার কৌশল সহজ নয়। যাঁরা পারেন, তাঁরা যেমন বুদ্ধিমান তেমনই করিৎকর্মাও। কর্পোরেট দুনিয়ায় বহু অফিসেই কর্মীদের ৮-১০ ঘণ্টা কেটে যায়। টানা ১০ ঘণ্টা অফিসে সময় দেওয়ার পর সামাজিক জীবন বজায় রাখা সত্যিই কঠিন। তবে নিজের শান্তি এবং সামাজিক সম্পর্কগুলি ভাল রাখতে হলে যোগাযোগ বজায় রাখা জরুরি।

Advertisement

তিনটি উপায়ে এই সমস্যার কিছুটা সমাধান করতে পারেন

১. ‘কোয়ালিটি’ বনাম ‘কোয়ান্টিটি’

অর্থাৎ কতটা সময় দিচ্ছেন সেটা বিষয় নয়। যখন সময় দিচ্ছেন, তখন কী ভাবে সেই সময় কাটছে, সেটা বেশি গুরুত্বপূর্ণ। প্রতি দিন সবার সঙ্গে দেখা করতে হবে বা ঘণ্টার পর ঘণ্টা আড্ডা দিতে হবে — তা নয়। কাজের দিনগুলোতে লম্বা আড্ডার পরিকল্পনা না করে ছুটির দিনে একটি নির্দিষ্ট সময় বন্ধুদের বা আত্মীয়দের জন্য বরাদ্দ রাখুন। সেই সঙ্গে মাথায় রাখুন, যখন কারও সঙ্গে কথা বলবেন, সেটা ১০ মিনিটের জন্য হলেও, তাঁকে সম্পূর্ণ মনোযোগ দিন। হাতে ফোন নিয়ে কথা বলবেন না। ফোন দূরে রাখুন। এতে সম্পর্কের গভীরতা বাড়ে, যা দীর্ঘক্ষণ দায়সারা আলাপচারিতার চেয়ে ভাল।

২. ফোনের স্মার্ট প্রয়োগ

অফিসের যাতায়াতের সময় বা লাঞ্চ ব্রেকেও সামাজিক যোগাযোগ বজায় রাখা যায়। টাইপ করার সময় না থাকলে যাতায়াতের পথে প্রিয়জনকে ছোট ভয়েস নোট পাঠান বা ফোন করুন। এতে তারা বুঝবেন যে, শত ব্যস্ততার মাঝেও আপনি তাদের কথা ভাবছেন। ছোটখাটো খবরাখবর শেয়ার করার জন্য বন্ধুদের বা পরিবারের গ্রুপ চ্যাটে সক্রিয় থাকতে পারেন। এ ভাবেও প্রিয়জনদের ছুঁয়ে থাকা যায়। ৩. সামাজিকতাই হোক মন ভাল করার জায়গা

সামাজিকতাকে ‘কাজ’ মনে না করে মন ভাল করার জায়গা হিসেবে ভাবার চেষ্টা করুন।আলাদা করে সময় বের না করে প্রাত্যহিক কাজের সঙ্গেই সামাজিকতাকে জুড়ে নিন। যেমন— কোনো বন্ধুর সঙ্গে জিমে যাওয়া বা এক সঙ্গে রাতের খাবার খাওয়া। তবে জোর করে কোনও কাজ করবেন না। কারণ, সে কাজে মন থাকবে না। আর তা উল্টো দিকের মানুষটি বুঝতে পারলে লাভের চেয়ে ক্ষতি হবে।

Advertisement
আরও পড়ুন