How to Stop Emotional Overeating

মন ভেঙেছে? কষ্ট লাঘবে চকোলেট, পিৎজ়ায় ডুবে রয়েছেন? ৫ কৌশলে অস্বাস্থ্যকর প্রবণতা আটকাতে পারেন

মন ভাঙার পরে আবেগপ্রবণ হয়ে বেশি খেয়ে ফেলছেন? স্বাস্থ্যের ক্ষতি হওয়ার আগে আবেগ নিয়ন্ত্রণ করবেন কী ভাবে? জেনে নিন, বাড়তি খাওয়ায় দাঁড়ি টানার ৫ কৌশল।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ০৮ জুন ২০২৬ ১৬:৩৫
প্রেম ভাঙার দুঃখে বেশি খাওয়ার প্রবণতা আটকাবেন কী করে?

প্রেম ভাঙার দুঃখে বেশি খাওয়ার প্রবণতা আটকাবেন কী করে? গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম

বিছানায়, খাওয়ার টেবিলে বা বাড়ির আনাচে কানাচে কোথাও আধ-খাওয়া পিৎজ়া, চিপ্‌স, বার্গার বা অন্য খাবারের প্যাকেট ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে? ঘরের এমন অবস্থা তখনই হয়, যখন সোৎসাহে পার্টি চলে, নয়তো কারও মন ভাঙে। সিনেমায় অন্তত এমন ছবি দেখা যায়।

Advertisement

প্রেম ভাঙার কষ্ট লাঘবে কখনও কেঁদে ফেলা কখনও আবার লোভনীয় খাবার বেশি পরিমাণে খেয়ে ফেলার প্রবণতা নতুন নয়। ইদানীং আবার প্রেম ভাঙলে চুল কেটে ফেলার চলও দেখা যাচ্ছে। চুল কাটলে কয়েক মাসে সেই চুল বেড়ে যাবে। কিন্তু বিরহ, মনঃকষ্ট, অবসাদে ডুবে দিনের পর দিন পিৎজা, বার্গার, পেস্ট্রি, ভাজাভুজিতে মন দিলে শরীরের যে ক্ষতি হবে, তা পরে ঠিক করা কঠিন হতে পারে। তা ছাড়া, পুষ্টির সঙ্গে যে মনেরও সম্পর্ক রয়েছে, তা একাধিক গবেষণায় প্রমাণিত। সঠিক ভিটামিন, খনিজ যেমন মানসিক স্বাস্থ্যের পক্ষে ভাল, তেমনই চিনি বা ভাজাভুজি জাতীয় লোভনীয় খাবার, উল্টে মানসিক স্বাস্থ্যের ক্ষতিও করতে পারে।এমন পরিস্থিতিতে নিজেকে সামলাবেন কী করে। কী ভাবে অস্বাস্থ্যকর বা বেশি খাওয়া থেকে নিজেকে বিরত রাখবেন?

বিরতি নিন ৫ সেকেন্ড: মনে দুঃখ, তাই চিপ্‌স, পেস্ট্রি খেতে ইচ্ছা করছে? চানাচুর খেয়েই কষ্ট খানিক ভোলার চেষ্টা করছেন। খাবার মুখে দেওয়ার সময় ৫ সেকেন্ড বিরতি নিয়ে ভাবুন, আদৌ খিদে পেয়েছে, না কি কোনও কারণ ছাড়াই খাচ্ছেন? ভাবলে কিন্তু থমকাতেও পারে এমন অভ্যাস।

নিয়ম করে খাওয়া দরকার: যতই মনখারাপ থাক নিয়ম করে প্রাতরাশ, মধ্যাহ্নভোজ, নৈশাহারের করতেই হবে। যদি বেশি খেতে ইচ্ছা না হয়, তা হলেও চলবে। তবে নিয়ম করে খাওয়া জরুরি। সেই সময় স্বাস্থ্যকর খাবার রাখুন। লেবুর মতো সাইট্রাস জাতীয় ফল মানসিক চাপ, উদ্বেগ কমাতে সহায়ক। টাটকা শাকসব্জি, প্রোটিন খাবার, ফলমূল শুধু শারীরিক নয়, মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য ভাল। কারণ, ভিটামিন ডি, সি, জ়িঙ্ক, ফোলেট-সহ নানা খনিজের সঙ্গে মানসিক স্বাস্থ্যের যোগ রয়েছে।

অস্বাস্থ্যকর খাবার দূরে রাখুন: হাতের কাছে চিপ্‌স, চানাচুর, পিৎজ়া, শিঙাড়া, ভাজাভুজি রাখলে খেতে ইচ্ছা হবেই। প্রথমেই সেগুলি নাগালের বাইরে সরিয়ে দিন। মুখরোচক কিন্তু স্বাস্থ্যকর খাবার রাখুন হাতের কাছে। বিভিন্ন রকম বাদাম, মাখানা, ঘরে তৈরি চিঁড়েভাজা, ডার্ক চকোলেট, শুকনো ফল রাখুন হাতের কাছে। চাইলে আলুকাবলি, ঝালমুড়ি, বাদামমাখার মতো খাবারও বেছে নেওয়া যায়।

শরীরচর্চা: জোর করেই জিমে ভর্তি হতে পারেন। না হলে সকালে উঠে প্রাণায়াম করতে পারেন। ভোরে হাঁটতে বেরিয়ে যেতে পারেন। বিশেষত, খালি পায়ে নরম ঘাসে হাঁটলে মন হালকা লাগবে। শরীরচর্চার সময় মন ভাল করা হরমোন নিঃসরণ হয়, ফলে ধীরে ধীরে মন খারাপ লাগা কেটে যাবে।

সচেতন ভাবে এড়ানো যায়: অস্বাস্থ্যকর খাওয়ার খুব ইচ্ছা হলে জল খান। ভাবতে পারেন, আরও ১০ মিনিট বাদে খাবেন। এই ভাবে সময়টা পিছোতে পারেন। মন দিতে পারেন পছন্দের কোনও কাজে। মন না বসলেও, মন অন্য দিকে চালনা করতে হয় কখনও কখনও।

Advertisement
আরও পড়ুন