অরিজিতের রেস্তরাঁর মেনুতে কী কী রয়েছে? গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।
কয়েক দিন আগে আচমকা অরিজিৎ সিংহ ঘোষণা করেন, তিনি ছবির জন্য আর গান গাইবেন না। গায়কের এই সিদ্ধান্তের কথা জানতে পেরে তোলপাড় গোটা দেশ। যদিও গানের জগতে তিনি আছেন আর ভবিষ্যতেও থাকবেন। সঙ্গীত জগতের পাশাপাশি অরিজিৎ যে ব্যবসা জগতে পা রেখেছেন, সে খবর অবশ্য অনেকেরই অজানা। মুর্শিদাবাদের জিয়াগঞ্জে একটি রেস্তরাঁও রয়েছে অরিজিতের। নাম ‘হেঁশেল’। তবে অন্যান্য তারকার রেস্তরাঁর থেকে ‘হেঁশেল’ একেবারেই আলাদা। এই রেস্তরাঁয় কেউ চাইলে ৪০ টাকাতেও পেট ভরে খেতে পারেন।
বেশ কয়েক বছর ধরে গায়কের বাবা সুরিন্দর সিংহই ‘হেঁশেল’ সামলাচ্ছেন। তবে গত বছর থেকে অরিজিৎও বাবাকে ব্যবসার কাজে সহায়তা করছেন। এই রেস্তরাঁয় ভারতের বিভিন্ন প্রদেশের খাবার চেখে দেখতে পারেন একেবারে অল্প খরচে। অন্যান্য তারকাদের রেস্তরাঁর মতো হেঁশেলে গিয়ে আপনাকে মোটা অঙ্কের টাকা খরচ করতে হবে না। সাধারণ মানুষকে সাধ্যের মধ্যেই ভাল খাবার খাওয়ানোই অরিজিতের মূল ভাবনা।
বেশ কয়েক বছর ধরে গায়কের বাবা সুরিন্দর সিংহই ‘হেঁশেল’ সামলাচ্ছেন। ছবি: সংগৃহীত।
হেঁশেলের মেনুতে পঞ্জাবি আর বাঙালি বিভিন্ন পদ রয়েছে। ভেজ থালি শুরু হয় মাত্র ৪০ টাকা থেকে। রেস্তরাঁর অন্দরসজ্জা ভীষণই ছিমছাম। অরিজিৎ খুবই সাদামাঠা একজন মানুষ, তাঁর রেস্তরাঁতেও খুব বেশি আড়ম্বর আর জাঁকজমকের ছোঁয়া নেই।
হেঁশেলের মেনুতে থালি ছাড়াও রয়েছে ভেজ মেনুতে রয়েছে মিক্স ভেজ (১৫০ টাকা), ভেজ হান্ডি (১৭০ টাকা), নবরত্ন কোর্মা (১৮০ টাকা), আলু জিরা (১০০ টাকা), শাহি পনির (১৯০ টাকা)। যাঁরা আমিষ ভালবাসেন তাঁরাও ‘হেঁশেল’-এ গিয়ে হতাশ হবেন না। মেনুতে পাবেন চিকেন কোর্মা (১৮০ টাকা), চিকেন চাঁপ (২০০টাকা), চিকেন রেজ়ালা (১৮০ টাকা), পাতিয়ালা চিকেন (২০০ টাকা), চিকেন টিক্কা মশলা (৩৭০ টাকা)। এছাড়াও রয়েছে চিকেন বিরিয়ানি (২০০ টাকা) আর মটন বিরিয়ানি (২৫০ টাকা)। রয়েছে কবাবের রকমারি সম্ভার।
বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে অরিজিৎ বলেন তিনি সাধারণত ঘরে তৈরি করা খাবার খেতেই বেশি পছন্দ করেন। তাঁর রেস্তরাঁর খাবারেও পাওয়া যায় ঘরে তৈরি খাবারের স্বাদ। সেখানে ভাত, ডাল, ডুমুরের তরকারি, চিকেন কষা খেলে মনে হবে একেবারে বাড়িতে বসেই বাড়ির তৈরি খাবার খাচ্ছেন।