মাঝের ঝোল হোক বা কষা মাংস, রান্নার শেষে টাটকা ধনেপাতা জুড়লে স্বাদ বেড়ে যায় অনেকটাই। রান্নায় পুদিনা থেকে ধনেপাতা, ফোড়নে কারিপাতা দেওয়ার চল রয়েছে। আবার খাবারে লেবুর স্বাদগন্ধ জুড়তে, দেওয়া হয় পাতিলেবু বা গন্ধরাজ লেবুর রসও। কিন্তু রন্ধনশিল্পীরা বলছেন, রান্নায় স্বাদ-গন্ধ বৃদ্ধির কৌশল জানা দরকার। ছোট ছোট পন্থাই অনেক সময় বিশেষ কার্যকর হয়।
১। তুলসীপাতা থেকে ধনেপাতা সাধারণত কুচিয়েই রান্নায় দেওয়া হয়। কিন্তু এই পাতার গন্ধ থাকে পাতার ভিতরে। পাতা সামান্য থেঁতো করে নিলেই সুবাস বেরিয়ে আসে। তার সঙ্গে যদি একটু নুন মিশিয়ে থেঁতো করা যায় গন্ধ হবে আরও ভাল। বিভিন্ন রেস্তরাঁয় খাবারের স্বাদ এবং গন্ধ বৃদ্ধিতে এমন কৌশল অনুসরণ করা হয়।
২। আচারের তেলও যোগ করা যেতে পারে। সাধারণত মুড়ি দিয়ে আচারের তেল খাওয়া হয়। ছাতুর পরোটাতেও তা যোগ করা হয়। তবে দৈনন্দিন রান্না করা সব্জি এবং মাংসেও শেষ ধাপে আচারের তেল ছড়িয়ে দিলে, কবাব বানানো সময় মশলার মিশেলে আচার থাকলে, খাবারের স্বাদ-গন্ধ বাড়বে।
৩। মাছের গন্ধ কাটাতে পাতিলেবুর রস ব্যবহার হয়। তরি-তরকারিতেও পাতিলেবু যোগ করা হয়। মাংসের পদ হোক বা মাছের, পাতিলেবুর রস দেওয়ার বদলে খোসা কুরিয়ে দিলে বা রান্নার একদম শেষধাপে খোসা-সহ পাতিলেবু ফেলে দিলে গন্ধ হবে বেশি।