এসি চালাচ্ছেন, তবে নিয়ম না মানলেই বাড়বে ইলেকট্রিকের খরচ। ছবি: সংগৃহীত।
দুয়ারে বসন্ত। তাপমাত্রার পারদ ধীরে ধীরে চড়ছে। ইতিমধ্যেই গরমের আঁচ পেতে শুরু করেছেন শহরবাসী। গ্রীষ্মকাল আসার আগেই দরকার হচ্ছে এসির। দীর্ঘ দিন বন্ধ থাকার পর হঠাৎ করে এসি চালানোর আগে কিছু বিষয় কিন্তু মাথায় রেখে না চললেই মুশকিল, বিদ্যুতের বিল বাড়তে খুব বেশি সময় লাগবে না। তা ছাড়া দীর্ঘ দিন ব্যবহার না করার ফলে এসি যেমন না চলতে পারে, তেমনই আবার গ্যাস লিক হলে বা রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে কোথাও তার আলগা হয়ে থাকলে বা ছিঁড়ে গেলে বিপদের ঝুঁকি থেকেই যায়। ফলে এসি চালানোর আগে সতর্ক থাকা জরুরি।
১. এসি ব্যবহারের আগে প্রথমেই দেখা দরকার, এসির এয়ার ফিল্টার পরিষ্কার আছে কি না। সবার আগে ফিল্টার পরিষ্কার করতে হবে। এসির ভিতরের অংশের ঢাকা খুললেই, একেবারে সামনে যে জালির মতো অংশ থাকে, সেগুলিই ফিল্টার। এগুলি সহজে খুলে সাবানজল দিয়ে পরিষ্কার করে নেওয়া যায়।
২. এসির ভিতরের অংশটি পরিষ্কার করলেও আউটডোর ইউনিট পরিষ্কার করার কথা অনেকেই খেয়াল রাখেন না। অথচ তাতে ধুলো জমলে যন্ত্রে বাড়তি চাপ পড়বে। ঠান্ডা হতেও সময় বেশি লাগবে। জল দিয়ে এটি বাইরে থেকে ধুয়ে নেওয়া যায়। তবে দক্ষ কোনও ব্যক্তিকে দিয়েই এই কাজ করানো ভাল।
৩.এসি খুব ভাল ভাবে পরিষ্কার করার জন্য পেশাদার লোকজনের প্রয়োজন। কিছু কাজ নিজেরা করা গেলেও পুরোটা করা যায় না। এসির ভিতরে থাকা যন্ত্রাংশ ঠিক আছে কি না, কোথাও কোনও তার আলগা হয়ে রয়েছে কি না, তাঁরাই বুঝতে পারবেন।
৪. এসির জলের পাইপটি ঠিক আছে কি না, তা-ও যাচাই করা জরুরি। সেটিও ধুলো-ময়লা বা শ্যাওলায় ভরে যেতে পারে। রোদে-জলে অনেক সময় তা নষ্টও হয়ে যায়। তাই সেটিও পরীক্ষা করে নিন। ময়লা পাইপ এক বার ধুয়ে পরিষ্কার করে নেওয়াই ভাল।
৫. পেশাদার কাউকে দিয়ে ‘সার্ভিসিং’-এর পর এসি চালানো যাবে। তবে যদি তা না হয়, তা হলে, বোতাম টিপে প্রথমে এসি চালিয়ে ‘ফ্যান মোড’ চালু করে দিন। এতে ভিতরের ধুলো-ময়লা কিছুটা পরিষ্কার হয়ে যাবে। ১০ মিনিট পরে ঠান্ডা করার মোডটি চালু করুন।