বেনে দোসার স্বাদ সাধারণ দোসার থেকে কতটা আলাদা? গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।
দক্ষিণী খাবার থেকে দূরে পালালেও অনেক বাঙালিই কিন্তু দোসা খেতে ভীষণ পছন্দ করেন। শহর জুড়ে ছড়িয়ে রয়েছে দোসার দোকান আর রেস্তরাঁ। ইদানীং সেই সব রেস্তরাঁ আর দোকানগুলিতে গেলেই চোখে পড়ছে একটি বিশেষ ধরনের দোসা। তার নাম বেনে। এই দোসা সাধারণ দোসার তুলনায় কতটা আলাদা?
বেনে দোসা হল কর্ণাটক-শৈলীর একটি দোসা। এই দোসায় অত্যধিক মাত্রায় মাখনের ব্যবহার করা হয়। ‘বেনে’-র আক্ষরিক অর্থ কন্নড় ভাষায় মাখন। সেই থেকেই এই দোসার নামকরণ। সাধারণ দোসার তুলনায় বেনে দোসায় তেল খুব কম ব্যবহার করা হয়। বেনে দোসাগুলি বানানোর সময় প্রচুর পরিমাণে মাখন ব্যবহার করা হয়। শুধু তা-ই নয়, পরিবেশনের সময়েও উপর থেকে দেওয়া হয় অনেকখানি মাখন। বিষয়টা পুরো মাখনে মাখামাখি।
আলাদা কোথায়?
১) ঐতিহ্যগতভাবে দোসা চাল এবং বিউলির ডালের মিশ্রণ দিয়ে তৈরি করা হলেও বেনে দোসায় তার সঙ্গে চিঁড়েও মেশানো হয়। কোথাও কোথাও ময়দাও ব্যবহার করা হয়। এর ফলে গাঁজনের পরিমাণ কমে যায়। তাই বেনে দোসার স্বাদে টক ভাব সাধারণ দোসার তুলনায় কম।
২) সাধারণ দোসা যেমন কাগজের মতো পাতলা হয়, বেনে দোসা কিন্তু তা নয়। আবার সেট দোসার মতো মোটা আর স্পঞ্জিও নয়। বেনের চারপাশটা মুচমুচে হয় এবং ভিতরটা নরম, তুলতুলে হয়।
৩) বেনে দোসার সঙ্গে সাধারণ দোসার মতো সম্বর ডাল পরিবেশন করা হয় না। এটি শুধুমাত্র নারকেলের চাটনি দিয়েই খাওয়া হয়।