Khalilur Rahman

স্ত্রী, সন্তান-সহ বাড়ির ৭ সদস্যকে নিয়ে এসআইআরের শুনানিতে হাজিরা তৃণমূল সাংসদের, তোপ দাগলেন বিজেপিকে

এসআইআর শুনানির জন্য মঙ্গলবার সকালে প্রচুর ভিড় ছিল শমসেরগঞ্জ বিডিও অফিসে। সেই ভিড়ে ছিলেন এলাকার সাংসদও। শুনানিতে হাজিরা দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে শিবির ঘুরে দেখে লাইনে দাঁড়ানো এবং শুনানির জন্য আসা সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলেন তিনি।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ২৭ জানুয়ারি ২০২৬ ২১:২১
Khalilur Rahman

খলিলুর রহমান। —ফাইল চিত্র।

ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় শুনানির নোটিস পেলেন তৃণমূলের আরও এক সাংসদ। দেব (দীপক অধিকারী), বাপি হালদার, সামিরুল ইসলামদের পর এ বার জঙ্গিপুরের তৃণমূল সাংসদ খলিলুর রহমান হাজিরা দিলেন শুনানিতে। তাঁর অভিযোগ, বিজেপির জন্য সারা রাজ্যের মানুষ হয়রানির শিকার হচ্ছেন। তৃণমূলের দাবি, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থেকে বেছে বেছে তাদের নেতাদের ডাকা হচ্ছে।

Advertisement

সাংসদ খলিলুর একা নন, তাঁর স্ত্রী, পুত্র-সহ পরিবারের মোট সাত সদস্যকে মঙ্গলবার হাজির হতে হয় সমশেরগঞ্জ বিডিও অফিসে আয়োজিত শুনানির শিবিরে। শুনানির পর সাধারণ মানুষকে হয়রানি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তৃণমূল সাংসদ। পাশাপাশি, তাঁকে এবং তাঁর পরিবারকে হাজিরা দিতে হয়েছে ‘বিজেপির জন্য’ বলে অভিযোগ করেছেন খলিলুর।

এসআইআর শুনানির জন্য মঙ্গলবার সকালে প্রচুর ভিড় ছিল শমসেরগঞ্জ বিডিও অফিসে। সেই ভিড়ে ছিলেন এলাকার সাংসদও। শুনানিতে হাজিরা দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে শিবির ঘুরে দেখে লাইনে দাঁড়ানো এবং শুনানির জন্য আসা সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। তার পর বলেন, ‘‘কেন্দ্রের বিজেপি সরকার ইচ্ছাকৃত ভাবে বাংলার মানুষকে হেনস্থা করার চক্রান্ত করছে। সামান্য বানানের ভুলের জন্য সাধারণ মানুষ থেকে জনপ্রতিনিধি, কাউকেই রেহাই দেওয়া হচ্ছে না।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘নির্বাচন কমিশনকে হাতিয়ার করে এই হয়রানি করা এ বার বন্ধ হওয়া দরকার।’’

খলিলুরের দাবি, দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ ব্লক অফিসে গিয়ে ভিড় করেছেন। তাই প্রতিটা অঞ্চলে এই শিবির করার জন্য বুধবার জেলাশাসককে চিঠি দেবেন তিনি।

তবে মুর্শিদাবাদ জেলা উত্তর বিজেপির নেতা তথা বিধায়ক গৌরীশঙ্কর ঘোষ পাল্টা তোপ দেগে বলেন, ‘‘আইন তো সকলের জন্য সমান। ভোটার তালিকায় ভুল থাকলে তা সংশোধন করা প্রশাসনিক প্রক্রিয়া। এখানে তৃণমূল সাংসদের পরিবারের আলাদা খাতির পাওয়ার সুযোগ নেই। উনি বিষয়টিতে রাজনৈতিক রং দিয়ে মানুষের মনে বিভ্রান্তি ছড়াতে চাইছেন। স্বচ্ছ ভোটার তালিকা তৈরি হলে তৃণমূলের অসুবিধা কী, সেটা বুঝতে হবে।’’

Advertisement
আরও পড়ুন