রান্নাঘরের বাসন রাখার তাকে নতুনত্ব আসছে। ছবি: সংগৃহীত।
বাসন ধুয়ে সিঙ্কের পাশে রাখা ঝাঁপিতে ভরে রাখেন। কেউ বা স্ল্যাবের ফাঁকা অংশেই ভেজা থালা-বাটি জমিয়ে রাখেন। যখন সে সব শুকিয়ে যাবে, তখন আলমারি আর ড্রয়ারে ভরে রাখার পালা। কিন্তু রান্নাঘরের দিকে ভাল করে তাকিয়ে দেখেছেন কখনও এ সময়ে? যে স্ল্যাব বা ঝুড়িতে থালা-বাসন জমে থাকে, তার নীচে জল থইথই! চারপাশে সব সময়ে একটা ভেজা ভেজা, অগোছালো ভাব। ছোট রান্নাঘরে এই ডিশ র্যাক আরও বেশি জায়গা দখল করে নেয়। তাই এখন অনেকেই এই পুরনো অভ্যাস বদলাচ্ছেন।
নতুন ধারায় নতুন ভাবে হেঁশেল সাজাচ্ছেন অনেকে। সিঙ্কের পাশে, ঠিক উপরে না রেখে তার বদলে এমন ব্যবস্থা করা হচ্ছে, যাতে রান্নাঘর থাকে ফাঁকা, পরিষ্কার আর গোছানো। ধোয়া বাসন শুকোনোর জন্য আর সিঙ্কের পাশের জায়গা দখল করার দরকার নেই। এমন ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে যেখানে জল সরাসরি সিঙ্কে পড়ে যায়, কিন্তু থালা বাসন থাকে আলাদা করে সাজানো।
এই পদ্ধতির সবচেয়ে বড় সুবিধা হল, সিঙ্কের আশপাশে জল জমে থাকবে না। পুরনো ডিশ র্যাকে জল জমে ধীরে ধীরে দাগ, দুর্গন্ধ আর ময়লা তৈরি করে। নতুন ব্যবস্থায় এই সমস্যা অনেকটাই কমে যায়। আর একটি বড় সুবিধা হল, জায়গা বাঁচে। সিঙ্ক বা কাউন্টারটপ ফাঁকা থাকলে রান্নার সময়ে কাজ করা সহজ হয়। রান্নাঘর দেখতেও অনেক পরিপাটি লাগে।
অনেকে এখন সিঙ্কের খানিক উপরে বসানো এমন র্যাক ব্যবহার করছেন, যেখানে থালা-বাটি রাখা যায়, কিন্তু জল নীচে সিঙ্কে পড়ে যায়। দেওয়ালে আটকানো থাকে বলে এতে সিঙ্কের আশেপাশে ভিড় থাকে না।
তবে আরও একটি পন্থা অবলম্বন করতে পারেন। তা হল, ভাঁজ করা যায় এমন থালা শুকোনোর স্ট্যান্ড কিনে নিতে পারেন। প্রয়োজন হলে ব্যবহার করা যায়, কাজ শেষ হলে তুলে রাখা যায়। ফলে রান্নাঘর সব সময়ে অগোছালো হয়ে থাকে না। এই নতুন ট্রেন্ড শুধু জায়গা বাঁচায় না, রান্নাঘরের অভ্যাসও বদলে দেয়। কম জিনিস চোখে পড়ে। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন দেখায় হেঁশেল।