৮৪ সেকেন্ডের মাহেন্দ্রক্ষণে ‘প্রাণপ্রতিষ্ঠা’ হল রামলালার মূর্তিতে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ১১দিনের ব্রত পালনের শেষে ‘প্রাণপ্রতিষ্ঠা’ করলেন মূর্তিতে। একই দিনে দেশবাসী জানতে পারল কবে থেকে শুরু হবে অযোধ্যায় মসজিদ নির্মাণের কাজ।
অযোধ্যায় কবে থেকে শুরু হবে মসজিদ তৈরির কাজ, তা জানিয়ে দিল ইন্দো-ইসলামিক কালচারাল ফাউন্ডেশন।
সংগঠনের এক প্রবীণ নেতা সংবাদ সংস্থা রয়টার্সকে জানিয়েছেন, মে মাস থেকে শুরু হবে মসজিদ তৈরির কাজ। কী ভাবে অনুদান সংগ্রহ করা হবে, সেই বিষয়টিও জানিয়েছেন তিনি।
অযোধ্যায় যে মসজিদ তৈরি হতে চলেছে, তার সম্ভাব্য নকশা। — ফাইল চিত্র।
নির্মাণ শেষ হতে তিন থেকে চার বছর সময় লাগবে। ঘটনাচক্রে, সোমবার অযোধ্যার মন্দিরে রামলালার বিগ্রহের ‘প্রাণপ্রতিষ্ঠা’ হল। সে দিনই প্রকাশ্যে এল এই খবর।
মসজিদের প্রকল্পটির তত্ত্বাবধানে রয়েছে ইন্দো-ইসলামিক কালচারাল ফাউন্ডেশন (আইআইসিএফ)। সেই সংগঠনের প্রধান হাজি আরফত শেখ মসজিদ নির্মাণ নিয়ে তথ্য দিয়েছেন।
অযোধ্যায় যে মসজিদ তৈরি হতে চলেছে, তার সম্ভাব্য নকশা। — ফাইল চিত্র।
তিনি আরও জানিয়েছেন, মসজিদ নির্মাণের অনুদান সংগ্রহের জন্য শীঘ্রই একটি ‘ক্রাউড ফান্ডিং’ ওয়েবসাইট চালু করা হবে। মহম্মদের নাম অনুসারে মসজিদের নাম হবে ‘মসজিদ মহম্মদ বিন আবদুল্লা’।
অযোধ্যায় যে মসজিদ তৈরি হতে চলেছে, তার সম্ভাব্য নকশা। — ফাইল চিত্র।
শেখ বলেন, ‘‘মানুষের মধ্যে বৈরিতা, ঘৃণাকে ভালবাসায় পরিণত করাই আমাদের প্রচেষ্টা। সে আপনি সুপ্রিম কোর্টের রায় মানুন বা না মানুন। এই সব লড়াই থেমে যাবে, যদি আমাদের সন্তানদের সুশিক্ষা দিই।’’
২০১৯ সালে সুপ্রিম কোর্ট রায় দিয়ে জানিয়েছিল, অযোধ্যার ওই জমিতে মন্দির হবে। মসজিদের জন্য পৃথক জমি দিতে হবে।
সেই নির্দেশ মেনে অযোধ্যার উপকণ্ঠে ধন্যিপুরে তৈরি হওয়ার কথা মসজিদ। আইআইসিএফের প্রেসিডেন্ট জুফর আহমেদ ফারুকি জানিয়েছেন, অনুদানের জন্য সংগঠনটি কারও কাছে যায়নি।
সংগঠনের সম্পাদক আথার হুসেন জানিয়েছেন, মসজিদ নির্মাণে দেরি হচ্ছে কারণ নকশায় আরও কিছু সাবেকি রীতির ছোঁয়া আনতে চাইছেন তাঁরা। মসজিদ চত্বরে ৫০০ শয্যার একটি হাসাপাতালও তৈরি হবে।
অযোধ্যায় যে মসজিদ তৈরি হতে চলেছে, তার সম্ভাব্য নকশা। — ফাইল চিত্র।