Online Gaming in India

চুপিচুপি অনলাইনে টাকা বাজি রেখে ‘বিশেষ’ গেম খেললেই ‘চেপে ধরবে’ কেন্দ্র! চালু হচ্ছে নতুন নিয়ম, পাল্টাবে বহু হিসাব

চলতি বছরে দেশে চালু হতে চলেছে অনলাইন গেমিংয়ের নতুন নিয়ম। ২২ এপ্রিল, বুধবার কেন্দ্রীয় সরকারের তরফ থেকে বিজ্ঞপ্তি জারি করে তা জানানো হয়েছে। ১ মে থেকে তা দেশে কার্যকর হতে চলেছে।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ৩০ এপ্রিল ২০২৬ ১০:৫০
০১ ১৯
online game

বর্তমানে ঘরে ঘরে অনলাইনে বিভিন্ন গেম খেলার হিড়িক। সদ্য কৈশোরে পা দেওয়া জেন জ়ি থেকে চল্লিশ ছুঁই ছুঁই তরুণ, সকলেই এ বিষয়ে সমান ভাবে আসক্ত। বিশেষ করে, সদ্য হাতে মোবাইল পাওয়া কিশোর-কিশোরীর মধ্যে অনলাইন গেম খেলার প্রবণতা বেশি। তবে তরুণ-তরুণীরাও এ বিষয়ে পিছিয়ে নেই।

০২ ১৯
covid

মূলত, কোভিডের সময় থেকে ভারতের বাজার ছেয়ে গিয়েছে বিভিন্ন অনলাইন গেমে। বহু মানুষ সেটিকে জুয়ার স্তরেও নিয়ে গিয়েছেন। খোয়া গিয়েছে লক্ষ লক্ষ টাকা।

০৩ ১৯
pubg

সেই কারণে কেন্দ্রীয় সরকার আন্তর্জাল মাধ্যমে টাকা বাজি রেখে অনলাইনে গেম খেলার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল। বাতিল করা হয়েছিল পাবজি, ফ্রিফায়ারের মতো জনপ্রিয় অনলাইন গেম।

Advertisement
০৪ ১৯
online game

কারণ ছিল, কিছু মানুষের টাকা বাজি রেখে সে সকল গেম খেলা। এ ফাঁদে পা দিয়েছিল বহু নাবালক-নাবালিকাও। মা-বাবার নজরের বাইরে তারা টাকা বাজি রেখে অনলাইনে সে সকল গেম খেলছিল। এর ফলে বাবা-মায়ের সঞ্চিত টাকাও খোয়া যাচ্ছিল।

০৫ ১৯
online game

যদিও পরবর্তী কালে সে সব নিষিদ্ধ হয়ে যাওয়া কিছু গেম পুনরায় ভারতীয় গেমারদের জন্য নতুন করে বানানো হয়েছে, যা কেবল ভারতীয়েরাই খেলতে পারেন।

Advertisement
০৬ ১৯
online game

চলতি বছরে দেশে চালু হতে চলেছে অনলাইন গেমিংয়ের নতুন নিয়ম। ২২ এপ্রিল, বুধবার কেন্দ্রীয় সরকারের তরফ থেকে বিজ্ঞপ্তি জারি করে তা জানানো হয়েছে। ১ মে থেকে তা দেশে কার্যকর হতে চলেছে।

০৭ ১৯
online game

এর মূল উদ্দেশ্য হল গেমিং প্ল্যাটফর্মগুলিতে ব্যবহারকারীর সুরক্ষায় কিছু নতুনত্ব বৈশিষ্ট্য আনা। এর মধ্যে বয়সভিত্তিক সীমাবদ্ধতা অন্যতম। এ ছাড়াও রয়েছে খেলার নির্দিষ্ট সময় বেঁধে দেওয়া, অভিভাবকেরা যাতে নজর রাখতে পারেন সন্তানেরা কী গেম খেলছেন সেটা খেয়াল রাখা এবং ব্যবহারকারীদের অভিযোগ জানানোর ব্যবস্থা করে দেওয়া।

Advertisement
০৮ ১৯
online game

এই নিয়মের অধীনে আলাদা নেট গেমিং কর্তৃপক্ষ বানানোর কথাও জানানো হয়েছে, যার নাম দেওয়া হচ্ছে ‘অনলাইন গেমিং অথরিটি অফ ইন্ডিয়া’। এর সঙ্গে যুক্ত লোকজন অনলাইন গেমগুলির উপর কড়া নজরদারি চালানো হবে বলে জানিয়েছেন তথ্যপ্রযুক্তি সচিব এস কৃষ্ণন।

০৯ ১৯
online game

সচিবের দাবি, অনলাইন গেমিং ঘিরে আনা সমস্ত নিয়মগুলিই অত্যন্ত সহজ-সরল। এতে কোনও জটিলতা রয়েছে বলে তিনি মনে করেন না। বর্তমানে দেশে অনলাইন গেমিংয়ের প্রসারের কথা মাথায় রেখেই এ সকল বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। কোনও নিয়মই কারও উপর জোর করে চাপানো হচ্ছে না। তবে কিছু ক্ষেত্রে এর ব্যতিক্রম ঘটতে পারে।

১০ ১৯
online game

এর ফলে ভারতের অনলাইন গেমিং প্ল্যাটফর্মগুলিতে বড় বদল আসতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। নেট গেমিং কর্তৃপক্ষই ঠিক করবেন, কোন গেমকে অনলাইন সোশ্যাল গেমিং (বিনোদনের জন্য খেলা) বলা হবে, আর কোন গেম অনলাইন মানি গেম অথবা ইস্পোর্টসের (টাকা দিয়ে খেলা) আওতায় পড়বে।

১১ ১৯
online game

এ ক্ষেত্রে জানানো হয়েছে, বিনোদনের জন্য যে সকল গেম খেলা হয়, সে সকল গেমিং প্ল্যাটফর্মের এই আইনে নথিভুক্ত হওয়ার বাধ্যবাধকতা নেই। কিন্তু যে সকল গেম অনলাইনে গেমিং প্রতিযোগিতার আয়োজন করে, তাদের অবশ্যই এই আইনে নথিভুক্তিকরণ করতে হবে।

১২ ১৯
online game

এর বাইরে সোশ্যাল গেমিং বলে দাবি করা কোনও গেমিং সংস্থাকে ঘিরে যদি নেট গেমিং কর্তৃপক্ষের মনে প্রশ্ন জাগে, তা হলে সে বিষয় খতিয়ে দেখার অধিকার তাঁদের রয়েছে। সেটি ইস্পোর্টস শ্রেণির কি না তা যাচাই করে দেখা হবে।

১৩ ১৯
online game

কোনও সোশ্যাল গেমিং সংস্থা নিজে থেকেও তাকে ইস্পোর্টস স্তরে নিয়ে যাওয়ার জন্য আবেদন করতে পারে। উভয় ক্ষেত্রেই আবেদনের বা নথিভুক্ত করার ৯০ দিনের মধ্যে শ্রেণিবিন্যাস করা সম্পন্ন হবে।

১৪ ১৯
online game

সকল ইস্পোর্টস, যেখানে একাধিক গেমার মিলে পেশাদারিত্বের সঙ্গে অনলাইন গেম খেলেন, সে সকল মানি গেম সংস্থাকে পেরেন্ট অ্যাক্টের অধীনে নথিভুক্ত করা হবে।

১৫ ১৯
online game

অনলাইন গেমিং জুয়া স্তরে পৌঁছে যাওয়ার কারণে কেন্দ্রীয় সরকার অতীতে নানা পদক্ষেপ করেছে। কেন্দ্র থেকে এ ধরনের খেলার উপর সর্বোচ্চ হারে জিএসটি চাপানো হয়।

১৬ ১৯
money

বাজির পুরো টাকায় কর হিসাব শুরু হয়। গত বছর টাকা দিয়ে অনলাইন গেমিংকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করতে আসে আইন, যা ভেঙে অনলাইন মাধ্যমে টাকা বাজি রেখে খেলা চালালে ‘জামিনঅযোগ্য’ ধারায় ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশও করা হয়।

১৭ ১৯
online game

বর্তমানে জারি করা বিজ্ঞপিতে আরও জানানো হয়েছে যে, কেন্দ্র চাইলে পরবর্তী কালে সিদ্ধান্ত নিতে পারে কোনও নির্দিষ্ট শ্রেণিতে বিনোদনমূলক গেমিংকে নিয়ে আসার। অর্থাৎ, বর্তমানে তাদের নথিভুক্ত করার বাধ্যবাধকতা নেই ঠিকই, তবে পরবর্তী কালে সে নিয়মে বদল এলেও আসতে পারে। পুরোটাই নির্ভর করছে কেন্দ্রের উপর।

১৮ ১৯
online game

অনলাইন গেমের সার্টিফিকেশনেও আসছে বড় বদল। আগে কোনও গেমিং সংস্থাকে দেওয়া সার্টিফিকেটগুলির মেয়াদ ছিল পাঁচ বছর পর্যন্ত। ১ মে থেকে নতুন আইন জারি হওয়ার পর তা ১০ বছর হয়ে যাবে।

১৯ ১৯
bank

ব্যাঙ্ক এবং আর্থিক সংস্থাগুলিকেও এ বিষয়ে নজরদারি রাখার নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্র। কোনও গেমিং সংস্থাকে টাকা দেওয়ার আগে তাদের সার্টিফিকেট যাচাই করে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে কেন্দ্রের তরফে। অন্যথায় কোনও গেম যদি পরবর্তী কালে জুয়ার সঙ্গে জড়িত বলে সামনে আসে, সে ক্ষেত্রে তার সঙ্গে জড়িত ব্যাঙ্ক বা আর্থিক সংস্থাগুলির উপরও নিষেধাজ্ঞা জারি করতে পারে কেন্দ্র।

সব ছবি: সংগৃহীত এবং এআই সহায়তায় প্রণীত।

(সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের Google News, X (Twitter), Facebook, Youtube, Threads এবং Instagram পেজ)
আরও গ্যালারি