Israel’s Samson Doctrine

তেহরানে পরমাণু হামলা চালাবে তেল আভিভ! যুদ্ধে পিঠ ঠেকলেই ইজ়রায়েলের ঝুলি থেকে বেরিয়ে আসা ‘স্যামসন নীতি’ কী?

ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ক্ষতবিক্ষত ইজ়রায়েল এ বার তেহরানের উপর প্রয়োগ করবে পরমাণু অস্ত্র? ইহুদিদের ‘স্যামসন বিকল্প’ নিয়ে পশ্চিম এশিয়ায় বাড়ছে আতঙ্ক।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ১৯ মার্চ ২০২৬ ০৭:৫৮
০১ ১৯
Nuclear attack on Iran may Israel’s last resort to finish West Asian war

‘নৃত্যরত ক্ষেপণাস্ত্র’ থেকে কামিকাজ়ে (আত্মঘাতী) ড্রোন। নতুন নতুন অত্যাধুনিক হাতিয়ারে হামলা চালিয়ে ইজ়রায়েলকে যেন ফালা ফালা করে ফেলছে ইরান! বিশ্বমানের আকাশ প্রতিরক্ষা (এয়ার ডিফেন্স) ব্যবস্থা থাকা সত্ত্বেও সেই আক্রমণ ঠেকাতে ব্যর্থ পশ্চিম এশিয়ার ওই ছোট্ট ইহুদি রাষ্ট্র। প্রাণ বাঁচাতে শেষ পর্যন্ত তেহরানে পরমাণু হামলার সিদ্ধান্ত নেবে তেল আভিভ? আরব দুনিয়ায় যুদ্ধ পরিস্থিতি ভয়ঙ্কর হয়ে উঠতেই দুনিয়া জুড়ে বাড়ছে তার আতঙ্ক।

০২ ১৯
Nuclear attack on Iran may Israel’s last resort to finish West Asian war

ইজ়রায়েলের আণবিক অস্ত্রভান্ডার নিয়ে যথেষ্ট ধোঁয়াশা রয়েছে। সরকারি ভাবে কখনওই ওই গণবিধ্বংসী হাতিয়ার থাকার বিষয়টি স্বীকার করেনি ইহুদি ফৌজ। আবার ব্যাপারটা অস্বীকারও করেনি তারা। শুধু তা-ই নয়, ভারতের মতো ‘প্রথমে ব্যবহার নয়’ নীতি নিয়ে চলে না তেল আভিভ। তাদের মতবাদ হল ‘স্যামসন বিকল্প’। এর সঙ্গে রাশিয়ার ‘মৃত হাত’ বা ‘ডেড হ্যান্ড’ পরমাণু হামলা ব্যবস্থার বেশ মিল খুঁজে পান বিশ্বের তাবড় সামরিক বিশ্লেষকদের একাংশ।

০৩ ১৯
Nuclear attack on Iran may Israel’s last resort to finish West Asian war

মার্কিন প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের দাবি, গত শতাব্দীর ৭০-এর দশকের একেবারে শেষে পরমাণু অস্ত্রের শক্তি সঞ্চয় করে ইজ়রায়েল। ওই সময় সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের (আজকের রাশিয়া) সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের চলছিল পুরোদস্তুর ‘ঠান্ডা লড়াই’ (কোল্ড ওয়ার)। ফলে শত্রুর উপর নজরদারিতে একাধিক গুপ্তচর কৃত্রিম উপগ্রহ মহাশূন্যে পাঠায় ওয়াশিংটন। এর মধ্যে একটি হল ‘ভেলা-৬৯১১’, যা ইহুদিদের আণবিক হাতিয়ারের প্রথম সফল পরীক্ষা ফাঁস করে দেয় বলে জানিয়েছেন তাঁরা।

Advertisement
০৪ ১৯
Nuclear attack on Iran may Israel’s last resort to finish West Asian war

আমেরিকার গোয়েন্দা বাহিনীর দেওয়া রিপোর্ট অনুযায়ী, সাউথ আফ্রিকা ও আন্টার্কটিকার মধ্যবর্তী স্থানে ভারত মহাসাগরীয় এলাকায় এক জোড়া অতি শক্তিশালী আলোর ঝলক ক্যামেরাবন্দি করে ওই গুপ্তচর কৃত্রিম উপগ্রহ। ‘ভেলা-৬৯১১’-এর পাঠানো ছবিগুলির সঙ্গে পরমাণু বিস্ফোরণের যথেষ্ট সামঞ্জস্য আছে বলে মনে করেছিলেন বিশেষজ্ঞেরা। ফলে অত্যন্ত গোপনে গণবিধ্বংসী আণবিক অস্ত্র যে ইহুদিরা তৈরি করে ফেলেছে, তা বুঝতে দেরি হয়নি তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টারের। যদিও রহস্যজনক ভাবে সে ব্যাপারে নীরব ছিলেন তিনি।

০৫ ১৯
Nuclear attack on Iran may Israel’s last resort to finish West Asian war

যুক্তরাষ্ট্রের গুপ্তচর সংস্থা ‘সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স এজেন্সি’র (সিআইএ) পদস্থ কর্তারা জানিয়েছেন, ১৯৭৯ সালে পরমাণু অস্ত্রের পরীক্ষা করে ইজ়রায়েল। বর্ণবৈষম্যকে কেন্দ্র করে তখন ঘরোয়া অশান্তিতে বেশ বিব্রত ছিল সাউথ আফ্রিকা। ফলে রসদ ও টাকার বিনিময়ে তাদের থেকে ভারত মহাসাগরের প্রিন্স এডোয়ার্ড দ্বীপপুঞ্জকে বাগিয়ে নেয় তেল আভিভ। পরে সেখানেই পরমাণু হাতিয়ারের পরীক্ষা চালান ইহুদি প্রতিরক্ষা গবেষকেরা। সিআইএ-র সেই তত্ত্বকে অবশ্য মান্যতা দেয়নি কার্টার সরকার।

Advertisement
০৬ ১৯
Nuclear attack on Iran may Israel’s last resort to finish West Asian war

পশ্চিমি দুনিয়ার নজরদারি সংস্থাগুলি মনে করে, বর্তমানে ইজ়রায়েলের কাছে কম-বেশি ৯০টা পরমাণু ওয়ারহেড রয়েছে। এগুলির মধ্যে বেশ কয়েকটা ‘কৌশলগত’ আণবিক হাতিয়ার। তবে আপৎকালীন পরিস্থিতিতে ২০০-র কাছাকাছি পরমাণু অস্ত্র তৈরির কাঁচামাল সঞ্চিত রেখেছে আরব দুনিয়ার ওই ইহুদি রাষ্ট্র। লড়াকু জেট, ভূমি থেকে উৎক্ষেপণযোগ্য ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং ক্রুজ় ক্ষেপণাস্ত্রের সাহায্যে আণবিক আক্রমণের সক্ষমতা রয়েছে তাদের।

০৭ ১৯
Nuclear attack on Iran may Israel’s last resort to finish West Asian war

ইজ়রায়েলের পরমাণু হাতিয়ার নিয়ে গণমাধ্যমে মুখ খুলেছেন গবেষণা সংস্থা ‘আর্মস কন্ট্রোল অ্যাসোসিয়েশন’-এর শীর্ষ আধিকারিক কেলসি ডেভেনপোর্ট। তাঁর কথায়, ‘‘ইজ়রায়েলি শীর্ষ আধিকারিকেরা কখনওই দেশের আণবিক মতবাদ নিয়ে খোলাখুলি আলোচনা করেন না। তবে এ ব্যাপারে ‘স্যামসন বিকল্প’কে তাঁদের মূল নীতি বলে ধরে নেওয়া যেতে পারে, যেটা ফিদায়েঁ হামলার শামিল। সেই কারণে পরমাণু আক্রমণের সিদ্ধান্ত নেওয়া ইহুদি সরকার ও ফৌজের পক্ষে বেশ কঠিন।’’

Advertisement
০৮ ১৯
Nuclear attack on Iran may Israel’s last resort to finish West Asian war

ইহুদিদের হিব্রু বাইবেলের অন্যতম চরিত্র স্যামসন। রোমান ভাষায় যার অর্থ ‘সূর্যপুরুষ’। ইজ়রায়েলি পৌরাণিক কাহিনি অনুসারে, বিশ্বাসঘাতকদের ষড়যন্ত্রে অন্ধ হয়ে এক রকম মৃত্যুর দরজায় পৌঁছে যান তিনি। তখন সর্বশক্তি প্রয়োগ করে একটি মন্দিরের যাবতীয় স্তম্ভ উপড়ে ফেলেন স্যামসন। এতে মৃত্যু হয় সমস্ত চক্রান্তকারীর। পাশাপাশি, প্রাণ হারান ইহুদিদের ওই ‘সূর্যপুরুষ’ও। সামরিক বিশ্লেষকদের বড় অংশই মনে করেন, আণবিক হাতিয়ারের ক্ষেত্রে ঠিক এই নীতিই রয়েছে তেল আভিভের।

০৯ ১৯
Nuclear attack on Iran may Israel’s last resort to finish West Asian war

বিষয়টি নিয়ে সংবাদমাধ্যমে বিবৃতি দিয়েছেন বহু অবসরপ্রাপ্ত সেনা অফিসার। তাঁদের কথায়, ‘‘স্যামসন বিকল্পের অন্তর্নিহিত অর্থ বুঝতে হবে। পরমাণু শক্তিবিহীন কোনও রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে কখনই ওই গণবিধ্বংসী হাতিয়ার ব্যবহার করবে না ইহুদি ফৌজ। কিন্তু অস্তিত্বের সঙ্কট তৈরি হলে সেই সিদ্ধান্ত নিতে পারে তারা। আয়তনের নিরিখে ইজ়রায়েল দুনিয়ার অন্যতম ছোট রাষ্ট্র। ফলে শত্রুরা আণবিক হামলা চালালে তাদের মানচিত্র থেকে মুছে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। একমাত্র তখনই আসবে পরমাণু অস্ত্র ব্যবহারের প্রসঙ্গ।’’

১০ ১৯
Nuclear attack on Iran may Israel’s last resort to finish West Asian war

১৯৩৩ সালে জার্মানিতে ক্ষমতায় আসে নাৎজ়ি পার্টি। দেশের প্রধান শাসক (পড়ুন ফ্যুয়েরার) হিসাবে শপথ নেন আডল্‌ফ হিটলার। কুর্সিতে বসেই ইহুদি জাতিকে সমূলে ধ্বংস করতে মরিয়া হয়ে ওঠেন তিনি। ফলে ইউরোপ জুড়ে শুরু হয় গণহত্যা, যা ১৯৪৫ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ না হওয়া পর্যন্ত চলেছিল। এই সময়সীমার মধ্যে হিটলার এবং তাঁর অনুগামীদের হাতে প্রাণ হারান প্রায় ৬০ লক্ষ ইহুদি। সংশ্লিষ্ট ধর্মাবলম্বীদের এক রকম বিলুপ্তির দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গিয়েছিলেন তাঁরা।

১১ ১৯
Nuclear attack on Iran may Israel’s last resort to finish West Asian war

হিটলারের ইহুদি গণহত্যার পোশাকি নাম ছিল ‘দ্য হলোকাস্ট’। এর জন্য পোল্যান্ড-সহ ইউরোপের একাধিক জায়গায় তৈরি করা হয় গ্যাস চেম্বার। হাজার হাজার ইহুদিকে একসঙ্গে তার ভিতরে ঢুকিয়ে দিতেন তাঁর অনুগামীরা। বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে ১৯৪৮ সালে রাষ্ট্রপুঞ্জের সম্মতিতে ইজ়রায়েলের জন্ম হলে বিশেষ শপথ নেয় এই ধর্মগোষ্ঠী। ঠিক হয়, আগামী দিনে কোনও অবস্থাতেই অস্তিত্ব বিপন্ন হওয়ার পরিস্থিতি তৈরি হতে দেবেন না তাঁরা। এর জন্য যা যা প্রয়োজন সব কিছু করা হবে।

১২ ১৯
Nuclear attack on Iran may Israel’s last resort to finish West Asian war

সামরিক বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, ইজ়রায়েলের জন্মলগ্নে নেওয়া ইহুদিদের এই শপথের মধ্যেই লুকিয়ে আছে তাদের পরমাণু অস্ত্রের রাষ্ট্রীয় নীতি। ১৯৬৭ সালে বিখ্যাত ‘ছয় দিনের যুদ্ধে’ (সিক্স ডে’জ় ওয়ার) ওই গণবিধ্বংসী হাতিয়ার ব্যবহারের সিদ্ধান্ত প্রায় নিয়ে ফেলেছিল তেল আভিভ। সে বছর একযোগে পশ্চিম এশিয়ার ছোট্ট ইহুদি রাষ্ট্রটিকে আক্রমণ করে বসে মিশর, সিরিয়া, ইরাক, লেবানন এবং জর্ডন। যদিও মাত্র ছ’দিনে ওই সম্মিলিত বাহিনীকে গুঁড়িয়ে দেয় ইজ়রায়েল।

১৩ ১৯
Nuclear attack on Iran may Israel’s last resort to finish West Asian war

ছ’দিনের যুদ্ধ চলাকালীন ‘প্ল্যান বি’ তৈরি করেন ইহুদি জেনারেলরা। ঠিক হয়, লড়াইয়ে হেরে যাওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হলে মিশরের সিনাই উপদ্বীপের পর্বতশৃঙ্গে পরমাণু বিস্ফোরণ ঘটাবে তেল আভিভ। এর উদ্দেশ্য হবে শত্রুদের ধ্বংস করা নয়। বরং চরম হুঁশিয়ারি দিয়ে তাদের অগ্রগতি থামানো। যদিও সংঘর্ষের গোড়াতেই অতর্কিত হামলা চালিয়ে কায়রোর প্রায় সমস্ত যুদ্ধবিমান উড়িয়ে দেয় ইজ়রায়েলি বিমানবাহিনী। পাশাপাশি, ইহুদিদের কব্জায় চলে যায় সিনাই উপদ্বীপও।

১৪ ১৯
Nuclear attack on Iran may Israel’s last resort to finish West Asian war

২০১৭ সালে এই সংক্রান্ত বেশ কিছু গোপন নথি জনসমক্ষে আনে ইহুদি প্রশাসন। ওই বছরই একটি সাক্ষাৎকারে ছ’দিনের যুদ্ধ নিয়ে আরও কয়েকটি বিস্ফোরক তথ্য ফাঁস করেন ‘ইজ়রায়েল ডিফেন্স ফোর্সে’র (আইডিএফ) অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইৎজ়াক ইয়াকভ। লড়াইয়ের সময় তেল আভিভের অস্ত্র উন্নয়ন বিভাগের তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন তিনি। ইৎজ়াকের কথায়, ‘‘৬০ দশকের শেষে আমরা পরমাণু শক্তিধর হয়ে উঠি। তবে যুদ্ধ দ্রুত শেষ হওয়ায় আণবিক অস্ত্র প্রয়োগের প্রয়োজন হয়নি।’’

১৫ ১৯
Nuclear attack on Iran may Israel’s last resort to finish West Asian war

পরমাণু অস্ত্র নীতির অস্পষ্টতা কেবলমাত্র ইজ়রায়েলের ক্ষেত্রে রয়েছে, তেমনটা নয়। এ ক্ষেত্রে উদাহরণ হিসাবে পাকিস্তানের কথা বলা যেতে পারে। ইসলামাবাদ প্রায়ই ভারতকে আণবিক হামলার হুমকি দিয়ে থাকে। গত বছর ‘অপারেশন সিঁদুর’-এ মার খাওয়ার পর সেই প্রবণতা কয়েক গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। পরমাণু যুদ্ধের কথা বলতে শোনা গিয়েছে পশ্চিমের প্রতিবেশীর সেনা সর্বাধিনায়ক তথা সিডিএফ (চিফ অফ ডিফেন্স ফোর্সেস) ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরের গলাতেও।

১৬ ১৯
Nuclear attack on Iran may Israel’s last resort to finish West Asian war

১৯৯৮ সালে দক্ষিণ-পশ্চিমের বালোচিস্তান প্রদেশে প্রথম বার পরমাণু অস্ত্রের পরীক্ষা চালায় ইসলামাবাদ। পাক ফৌজের হাতে থাকা আণবিক হাতিয়ারের সংখ্যা প্রতি বছর প্রকাশ্যে আনে সুইডেনের প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত নজরদার সংস্থা ‘স্টকহলম ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্চ ইনস্টিটিউট’ বা সিপ্রি। তাদের দেওয়া ২০২৫ সালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, রাওয়ালপিন্ডির জেনারেলদের কাছে রয়েছে ১৭০টি পরমাণু অস্ত্র। ভারতের ক্ষেত্রে এই সংখ্যা ১৮০।

১৭ ১৯
Nuclear attack on Iran may Israel’s last resort to finish West Asian war

এই পরিস্থিতিতে ইসলামাবাদ আণবিক হাতিয়ারের সংখ্যা বৃদ্ধি করবে কি না, তা স্পষ্ট নয়। তবে কোনও দিনই ‘প্রথমে ব্যবহার নয়’ নীতিতে সই করেনি পাক সরকার। একই কথা উত্তর কোরিয়া বা ডিপিআরকে-র (ডেমোক্র্যাটিক পিপলস রিপাবলিক অফ কোরিয়া) ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। সেখানকার সর্বোচ্চ নেতা (সুপ্রিম লিডার) কিম জং-উন প্রায়ই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে পরমাণু হামলার হুমকি দিয়ে থাকেন।

১৮ ১৯
Nuclear attack on Iran may Israel’s last resort to finish West Asian war

চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে চলা ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে যথেষ্টই বেকায়দায় পড়েছে ইজ়রায়েল। তেল আভিভ ও হাইফা-সহ ইহুদি রাষ্ট্রটির একাধিক শহরে ইতিমধ্যেই ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে তেহরানের ‘ইসলামিক রেভলিউশনারি গার্ড কোর’ বা আইআরজিসি। ড্রোন ও ‘হারপারসনিক’ (শব্দের চেয়ে পাঁচ গুণ গতিশীল) ক্ষেপণাস্ত্র আছড়ে পড়েছে ইজ়রায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর দফতরেও। তার পর থেকে আর জনসমক্ষে দেখতে পাওয়া যায়নি তাঁকে।

১৯ ১৯
Nuclear attack on Iran may Israel’s last resort to finish West Asian war

নেতানিয়াহুর দফতরে হামলার পর তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে সমাজমাধ্যমে খবর ছড়িয়ে পড়ে। তেল আভিভ অবশ্য সে কথা স্বীকার করেনি। ইহুদি প্রশাসনের দাবি, সুস্থ আছেন ‘বিবি’ (নেতানিয়াহুর ডাক নাম)। তবে ইরান যে ভাবে আক্রমণের ঝাঁজ বাড়াচ্ছে, তাতে অস্তিত্ব বিপন্ন হওয়ার মতো পরিস্থিতির মুখে পড়তে হতে পারে তাঁদের। তখন কি প্রাণে বাঁচতে ইহুদিরা প্রয়োগ করবে পরমাণু অস্ত্র? যুদ্ধের গতিপ্রকৃতির উপরে নির্ভর করবে এর উত্তর।

ছবি: সংগৃহীত ও এআই সহায়তায় প্রণীত।

(সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের Google News, X (Twitter), Facebook, Youtube, Threads এবং Instagram পেজ)
আরও গ্যালারি