Russia’s Dead Hand

কেউ সাড়া না দিলেই গুপ্ত গহ্বর থেকে বেরিয়ে ধ্বংসলীলা চালাবে ‘ডেড হ্যান্ড’! কেন পুতিনের ‘মৃত হাত’ নিয়ে আতঙ্কে বিশ্ব?

পরমাণু হামলায় দেশ ধ্বংস হয়ে গেলেও প্রতিশোধ নিতে আণবিক হামলা চালাতে পারবে রাশিয়া। এর জন্য সোভিয়েত ইউনিয়নের সময় থেকে ‘মৃত হাত’ বা ‘ডেড হ্যান্ড’ নামের একটি ব্যবস্থা চালু রেখেছে মস্কো।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ০১ মার্চ ২০২৬ ০৮:০২
০১ ১৮
Russia’s Dead Hand threat looming on Europe amid UK and France allegedly planning to give Nuclear Weapon to Ukraine

চার বছর পেরিয়ে এখনও চলছে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ। এর জেরে ক্ষতবিক্ষত পূর্ব ইউরোপ। এ-হেন পরিস্থিতিতে ব্রিটেন ও ফ্রান্সের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ তুলেছে মস্কো। গুপ্তচরবাহিনীর রিপোর্ট প্রকাশ্যে এনে ক্রেমলিন জানিয়েছে, কিভের হাতে পরমাণু অস্ত্র তুলে দেওয়ার ছক কষছে এই দুই পশ্চিমি শক্তি। শেষ পর্যন্ত আণবিক হামলায় গোটা দেশ ধ্বংস হলে কী ভাবে জবাব দেবেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন? সেই প্রশ্ন উঠতেই নতুন করে তাঁর ‘মৃত হাত’ বা ‘ডেড হ্যান্ড’ নিয়ে বিশ্ব জুড়ে তীব্র হয়েছে আতঙ্ক।

০২ ১৮
Russia’s Dead Hand threat looming on Europe amid UK and France allegedly planning to give Nuclear Weapon to Ukraine

গত শতাব্দীতে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ (১৯৩৯-’৪৫ সাল) শেষ হতেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ‘ঠান্ডা লড়াই’য়ে (কোল্ড ওয়ার) জড়িয়ে পড়ে সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন (বর্তমান রাশিয়া)। ওই সময় পরমাণু হামলার আশঙ্কা তীব্র হওয়ায় বিশেষ একটা ব্যবস্থা গড়ে তোলে মস্কো, যার পোশাকি নাম ‘মৃত হাত’ বা ‘ডেড হ্যান্ড’। ক্রেমলিনের দাবি, আণবিক হামলায় গোটা দেশ ধ্বংসস্তূপে পরিণত হলেও সক্রিয় থাকবে তাদের তৈরি ওই ব্যবস্থা। এককথায় কেউ বেঁচে না থাকলেও স্বয়ংক্রিয় ভাবে পরমাণু প্রত্যাঘাত শানাতে পারে রাশিয়ার ‘মৃত হাত’।

০৩ ১৮
Russia’s Dead Hand threat looming on Europe amid UK and France allegedly planning to give Nuclear Weapon to Ukraine

‘ঠান্ডা লড়াই’ চলাকালীন ৮০-এর দশকে মস্কোর ফৌজে ‘ডেড হ্যান্ড’-এর অন্তর্ভুক্তি ঘটে। সেই খবর জানাজানি হতেই যুক্তরাষ্ট্র-সহ পশ্চিমি গণমাধ্যমগুলিতে একের পর এক প্রতিবেদন প্রকাশ হতে শুরু করে। প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের দাবি, সেগুলির বেশির ভাগই ছিল জল্পনা। ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতন হলে ক্রেমলিনের ‘মৃত হাত’-এর আতঙ্ক একরকম কাটিয়ে ওঠে বিশ্ব। কিন্তু, গত বছর (২০২৫ সাল) আমেরিকাকে হুমকি দিতে হঠাৎ করেই এর প্রসঙ্গ তোলেন রুশ নিরাপত্তা কাউন্সিলের ডেপুটি চেয়ারম্যান দিমিত্রি মেদভেদভ।

Advertisement
০৪ ১৮
Russia’s Dead Hand threat looming on Europe amid UK and France allegedly planning to give Nuclear Weapon to Ukraine

সোভিয়েত ভেঙে ১৫টি দেশ তৈরি হলে ‘ডেড হ্যান্ড’-এর মালিকানা পায় আজকের রাশিয়া। ক্রেমলিনের ফৌজের কাছে অবশ্য এটা পরিচিত ‘পেরিমিটার’ নামে। প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের কথায়, ‘মৃত হাত’ প্রকৃতপক্ষে একটা আধা স্বয়ংক্রিয় বা স্বয়ংক্রিয় পরমাণু প্রতিশোধ ব্যবস্থা। এর আরও একটা কোড নাম রয়েছে। সেটা হল ‘ডুমস্‌ডে ডিভাইস’। বর্তমানে মস্কোর কৌশলগত রকেটবাহিনী (স্ট্যাটেজ়িক রকেট ফোর্স) এর দেখভাল করছে। হাতিয়ারটির ব্যাপারে অধিকাংশ তথ্যই অত্যন্ত গোপন রেখেছে পুতিন প্রশাসন।

০৫ ১৮
Russia’s Dead Hand threat looming on Europe amid UK and France allegedly planning to give Nuclear Weapon to Ukraine

ওপেন সোর্স প্ল্যাটফর্মগুলি থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, সাধারণ অবস্থায় কাজ করবে না মস্কোর ‘মৃত হাত’। শত্রুর আক্রমণে রুশ নেতৃত্ব সম্পূর্ণ ভাবে নিশ্চিহ্ন হয়ে গেলে প্রতিশোধমূলক পরমাণু হামলা চালাতে সক্রিয় হবে এই ব্যবস্থা। সেই উদ্দেশ্যে বিশেষ ভাবে এর নকশা তৈরি করেছেন সোভিয়েতের প্রতিরক্ষা গবেষকেরা। সংশ্লিষ্ট যন্ত্রটির শরীরে লাগানো আছে একাধিক সেন্সর, যা দিয়ে নিজে থেকে ভূমিকম্প, আণবিক বিকিরণ এবং তার থেকে উদ্ভূত চাপ চিনে নেওয়ার সক্ষমতা আছে ‘ডেড হ্যান্ড’-এর ।

Advertisement
০৬ ১৮
Russia’s Dead Hand threat looming on Europe amid UK and France allegedly planning to give Nuclear Weapon to Ukraine

সূত্রের খবর, মস্কোর এ-হেন ‘মৃত হাত’ সক্রিয় হলে স্বয়ংক্রিয় ভাবে বেশ কয়েকটি কাজ করে থাকে। প্রথমেই সেনাবাহিনীর পরমাণু কমান্ড ঠিকমতো কাজ করছে কি না, তা বোঝার চেষ্টা করবে ‘ডেড হ্যান্ড’। ওই সময় শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে যোগাযোগ না হলে বা কোনও মানব ইনপুট না পেলে আণবিক হামলা শুরু করে দেবে এই ব্যবস্থা। অর্থাৎ, স্বয়ংক্রিয় ভাবে পূর্বনির্ধারিত লক্ষ্যবস্তুতে গিয়ে আছড়ে পড়বে ক্রেমলিনের একের পর এক পরমাণু ক্ষেপণাস্ত্র। সাইলো (ভূগর্ভস্থ লঞ্চার), ডুবোজাহাজ এবং মোবাইল লঞ্চার থেকে সেগুলির উৎক্ষেপণ হতে পারে।

০৭ ১৮
Russia’s Dead Hand threat looming on Europe amid UK and France allegedly planning to give Nuclear Weapon to Ukraine

সাবেক সেনাকর্তাদের দাবি, সংশ্লিষ্ট হাতিয়ারটির অনেক কিছুই এখনও রহস্যের আড়ালে রেখেছে রাশিয়া। তবে পারস্পরিক ধ্বংস নিশ্চিত করার জন্য এটি যে তাদের শেষ অবলম্বন, তা বলা যেতে পারে। সংশ্লিষ্ট ডিভাইসটিতে ডুমস্‌ডে রেডিয়ো নামের একটি যোগাযোগ ব্যবস্থা সম্পৃক্ত রয়েছে। প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের অনুমান, এর মাধ্যমেই আপৎকালীন পরিস্থিতিতে পরমাণু হামলার কোড পাবে ‘মৃত হাত’। অতি নিম্ন কম্পাঙ্কের এই রেডিয়ো যে সমস্ত যোগাযোগ ব্যবস্থা ধ্বংস হয়ে গেলেও বেঁচে থাকবে, তা বলা বাহুল্য।

Advertisement
০৮ ১৮
Russia’s Dead Hand threat looming on Europe amid UK and France allegedly planning to give Nuclear Weapon to Ukraine

সোভিয়েত প্রতিরক্ষা গবেষকদের হাতে ‘ডেড হ্যান্ড’-এর জন্ম হওয়ার একটা আলাদা ইতিহাস রয়েছে। গত শতাব্দীর ৮০-এর দশকে ডুবোজাহাজ থেকে ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার কৌশল আবিষ্কার করে ফেলে আমেরিকা। তা দেখে মস্কোর রাজনৈতিক নেতৃত্বের কপালে পড়ে চিন্তার ভাঁজ। এর পরই সুরক্ষাবলয় তৈরি করতে ‘মৃত হাত’ ব্যবস্থাটি গড়ে তোলেন ক্রেমলিনের সামরিক বিজ্ঞানীরা। শুধু তা-ই নয়, পরবর্তী বছরগুলিতে আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নির্মাণে জোর দিতে দেখা গিয়েছিল তাঁদের।

০৯ ১৮
Russia’s Dead Hand threat looming on Europe amid UK and France allegedly planning to give Nuclear Weapon to Ukraine

২১ শতক আসতে আসতে ‘হাইপারসনিক’ ক্ষেপণাস্ত্র বানিয়ে ফেলে রাশিয়া। শব্দের পাঁচ গুণের চেয়ে বেশি গতিতে ছুটতে পারে পরমাণু অস্ত্র বহনে সক্ষম এই হাতিয়ার। বর্তমানে ১১ থেকে ১৬ হাজার কিলোমিটার পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে মস্কোর হাতে। পূর্ব ইউরোপের দেশটির আণবিক ওয়ারহেডের সংখ্যাও ৫,৫০০-এর কিছু বেশি, যা বিশ্বে সর্বাধিক। তার মধ্যে কত শতাংশকে ক্রেমলিন ‘মৃত হাত’ ব্যবস্থাটির আওতাভুক্ত রেখেছে, সেটা স্পষ্ট নয়। আর তাই অনেকেই মনে করেন ‘ডেড হ্যান্ড’ প্রতিশোধমূলক আক্রমণ শানালে ধ্বংস হবে গোটা পৃথিবী।

১০ ১৮
Russia’s Dead Hand threat looming on Europe amid UK and France allegedly planning to give Nuclear Weapon to Ukraine

১৯৬৭ সালে ‘সিগন্যাল’ নামের একটি হাতিয়ার তৈরি করে সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন। এটি অবশ্য পুরোপুরি স্বংয়ক্রিয় ব্যবস্থা ছিল না। এর মাধ্যমে একসঙ্গে ৩০টি লক্ষ্যে পরমাণু হামলার সক্ষমতা অর্জন করেছিল মস্কো। তবে ব্যবস্থাটিতে বেশ কিছু গলদ চোখে প়ড়ায় পরবর্তী কালে সেটি বন্ধ করতে বাধ্য হয় ক্রেমলিন। প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের একাংশের দাবি, এর উপরে ভিত্তি করেই পরবর্তী কালে ‘মৃত হাত’ গড়ে তোলেন রুশ সামরিক গবেষকেরা।

১১ ১৮
Russia’s Dead Hand threat looming on Europe amid UK and France allegedly planning to give Nuclear Weapon to Ukraine

সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে যাওয়ার পর ১৯৯২ সালে প্রথম বার ‘ডেড হ্যান্ড’ নিয়ে পশ্চিমি গণমাধ্যমের কাছে মুখ খোলেন রুশ কৌশলগত রকেটবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত ডেপুটি চিফ অফ স্টাফ কর্নেল জেনারেল ভারফোলোমি কোরোবুশিন। তিনি বলেন, ‘‘আমাদের কাছে এমন একটা ব্যবস্থা আছে যা সঙ্কটকালে আমরা সক্রিয় করে থাকি। ওই হাতিয়ারটি কেবলমাত্র আলো, তেজ়স্ক্রিয়তা এবং অতিরিক্ত চাপকে চিহ্নিত করে পরমাণু হামলা চালাতে পারে। এর জন্য কোনও মানব নির্দেশের প্রয়োজন নেই।’’

১২ ১৮
Russia’s Dead Hand threat looming on Europe amid UK and France allegedly planning to give Nuclear Weapon to Ukraine

১৯৯৩ সালে ‘ডেড হ্যান্ড’-এর অস্তিত্ব স্বীকার করে নেন সোভিয়েত আমলের কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির প্রতিরক্ষা ও শিল্প বিভাগের চেয়ারম্যান তথা বর্ষীয়ান উপদেষ্টা ভিটালি কাটায়েভ। ১৯৬৭-’৮৫ সাল পর্যন্ত ওই পদে ছিলেন তিনি। তাঁর কথায়, ‘‘৮০-এর দশকেই মৃত হাতের কার্যকারিতা স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল। গোড়ার দিকে এটা পুরোপুরি স্বয়ংক্রিয় ছিল না। পরবর্তী কালে পদ্ধতিটিকে সেই জায়গায় নিয়ে যাওয়া হয়। তবে দল এবং ফৌজের বাছাই করা অফিসারদের এর ব্যাপারে তথ্য দেওয়া হয়েছিল।’’

১৩ ১৮
Russia’s Dead Hand threat looming on Europe amid UK and France allegedly planning to give Nuclear Weapon to Ukraine

যদিও ১৯৯২ সালে ‘মৃত হাত’-এর ব্যাপারে সম্পূর্ণ উল্টো কথা বলতে শোনা গিয়েছিল অবসরপ্রাপ্ত রুশ কর্নেল জেনারেল আন্দ্রিয়ান ড্যানিলিভিচকে। তিনি জানিয়েছেন, ‘ডেড হ্যান্ড’-এর মতো একটা ব্যবস্থা গড়ে তোলার ব্যাপারে চিন্তাভাবনা করা হয়েছিল। কিন্তু সেটা অত্যন্ত বিপজ্জনক হওয়ায় পরবর্তী কালে সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসে ক্রেমলিন। ১৯৮৪-’৯০ সাল পর্যন্ত জেনারেল স্টাফ অফিসারের অন্যতম প্রধান সহকারী ছিলেন আন্দ্রিয়ান। ফলে তাঁর কথা উড়িয়ে দেওয়া একেবারেই সম্ভব নয়।

১৪ ১৮
Russia’s Dead Hand threat looming on Europe amid UK and France allegedly planning to give Nuclear Weapon to Ukraine

প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের অনেকেই মনে করেন, রুশ ফৌজের কাছে মৃত হাতের মতো একটা ব্যবস্থা রয়েছে। তবে যতটা স্বয়ংক্রিয় বলে প্রচার করা হচ্ছে, হাতিয়ারটি ঠিক তেমন নয়। পরমাণু হামলার জন্য বিশেষ কিছু কোডের প্রয়োজন। জটিল পরিস্থিতিতে সেটা ছাড়াই হয়তো এই ব্যবস্থার মাধ্যমে আক্রমণ শানাতে পারবে ক্রেমলিনের কৌশলগত রকেটবাহিনী। বাস্তব যা-ই হোক না কেন, ‘ডেড হ্যান্ড’ নিয়ে জল্পনা থামেনি। উল্টে লোকসংস্কৃতির অংশ হয়েছে ওই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা।

১৫ ১৮
Russia’s Dead Hand threat looming on Europe amid UK and France allegedly planning to give Nuclear Weapon to Ukraine

গত বছর প্রেসিডেন্ট হিসাবে শপথ নিয়েই রুশ-ইউক্রেন যুদ্ধ থামানোর চেষ্টা করেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। সেই লক্ষ্যে জুলাইয়ে মস্কোকে চরম হুঁশিয়ারি দিয়ে বসেন ‘পোটাস’ (প্রেসিডেন্ট অফ দ্য ইউনাইটেড স্টেটস)। নিজের সমাজমাধ্যম প্ল্যাটফর্ম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ করা একটি পোস্টে তিনি লেখেন, ১০ দিনের মধ্যে সংঘর্ষবিরতিতে যেতে হবে ক্রেমলিনকে। নইলে তাদের অর্থনীতি ধ্বংস করবে যুক্তরাষ্ট্র। ট্রাম্পের ওই মন্তব্যের পরেই ফুঁসে ওঠেন দিমিত্রি মেদভেদভ।

১৬ ১৮
Russia’s Dead Hand threat looming on Europe amid UK and France allegedly planning to give Nuclear Weapon to Ukraine

‘পোটাস’কে জবাব দিতে পাল্টা এক্স হ্যান্ডলে বিস্ফোরক পোস্ট করেন রুশ নিরাপত্তা কাউন্সিলের ডেপুটি চেয়ারম্যান। সেখানে তিনি লেখেন, ‘‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের অবশ্যই সোভিয়েত যুগের ‘মৃত হাত’-এর কথা মনে রাখা উচিত। ওই বিপজ্জনক অস্ত্রটা এখনও সক্রিয় রয়েছে।’’ মস্কোকে ধ্বংস করার চেষ্টা হলে প্রতিশোধমূলক পরমাণু হামলা ক্রেমলিন চালাতে পারে, তাঁর কথায় সেটা স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল।

১৭ ১৮
Russia’s Dead Hand threat looming on Europe amid UK and France allegedly planning to give Nuclear Weapon to Ukraine

চলতি বছরের ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেন সংক্রান্ত একটি গোপন রিপোর্ট প্রকাশ্যে আনে রুশ গুপ্তচর সংস্থা এসভিআর। তার পর নতুন করে ইউরোপ জুড়ে মস্কোর ‘মৃত হাত’ ব্যবস্থাটি নিয়ে শুরু হয়েছে আলোচনা। অন্য দিকে, এই আবহে পরমাণু অস্ত্রের মহড়া চালিয়েছে ক্রেমলিনের ফৌজ। বেলারুশের প্রেসিডেন্ট আলেকজ়ান্ডার লুকাশেঙ্কোকে পাশে নিয়ে কম্পিউটারে তা প্রত্যক্ষ করেন পুতিন। ফলে দু’পক্ষের পারদ যে চড়ছে, তাতে কোনও সন্দেহ নেই।

১৮ ১৮
Russia’s Dead Hand threat looming on Europe amid UK and France allegedly planning to give Nuclear Weapon to Ukraine

ইউক্রেনের যুদ্ধের চার বছরের মাথায় বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে রুশ পার্লামেন্ট ফেডারেল অ্যাসেম্বলি। বিদেশের মাটিতে থাকা সৈন্য ব্যবহারের সবুজ সঙ্কেত দিয়েছে মস্কোর সর্বোচ্চ আইনসভা। ফলে বেলারুশের জমি ব্যবহার করে ইউক্রেনের উপর আক্রমণের ঝাঁজ বাড়াতে পারে ক্রেমলিন। সংঘাত পরিস্থিতিতে ‘মৃত হাত’ ব্যবহার করতে হবে প্রেসিডেন্ট পুতিনকে? উত্তর দেবে সময়।

সব ছবি: সংগৃহীত ও এআই সহায়তায় প্রণীত।

(সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের Google News, X (Twitter), Facebook, Youtube, Threads এবং Instagram পেজ)
আরও গ্যালারি