বিশ্ব জুড়ে যুদ্ধের দামামা। জল, স্থল, আকাশপথে শত্রুহামলা থেকে বাঁচতে ঘর গোছাতে কোমর বাঁধছে তাবড় শক্তিশালী রাষ্ট্রগুলি। সামরিক শক্তি প্রদর্শনের দিক থেকে কেউ কাউকে এক ইঞ্চি জমি ছাড়তে রাজি নয়। ক্ষমতার দিক থেকে এ বলে আমায় দেখ, তো ও বলে আমায়। তাল ঠোকাঠুকি চলছে অবিরত। শত্রুকে টেক্কা দিতে একের পর এক অত্যাধুনিক যুদ্ধাস্ত্রে সজ্জিত হয়ে উন্নততর হচ্ছে একাধিক রাষ্ট্র।
ফৌজিশক্তিতে কোন দেশ সবচেয়ে এগিয়ে তার একটি তালিকা ইতিমধ্যেই প্রকাশ করেছে ‘গ্লোবাল ফায়ারপাওয়ার ইনডেক্স’। যে কোনও দেশের সামরিক শক্তির ধার ও ভার অনেকটাই নির্ভর করে সে দেশের নৌবহরের উপর। যে কোনও দেশের সেনাবাহিনীর অন্যতম শক্তির জায়গা তার নৌবহর। আমেরিকা থেকে রাশিয়া, চিন থেকে ভারত, শক্তিশালী সব দেশই জোর দেয় সামরিক শক্তির এই অংশটিতে।
ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় এলাকা হোক বা ক্যারিবিয়ান সাগর কিংবা আটলান্টিকে টহলদারি। জলযুদ্ধে শত্রুর গুপ্তঘাতকের মোকাবিলা করতে নৌশক্তিকে মজবুত করা ছাড়া উপায় নেই যুযুধান দেশগুলির হাতে। ক্রমবর্ধমান জটিল সামুদ্রিক পরিবেশে এটা অপরিহার্য। আগামী দিনে সামুদ্রিক বাণিজ্য এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড স্বাভাবিক রাখার জন্য সমস্ত ‘সুপার পাওয়ার’ দেশই নড়েচড়ে বসেছে। জলযুদ্ধের অস্ত্রাগারে একের পর এক বিধ্বংসী ও শক্তিশালী অস্ত্র সংযোজিত করছে যা শত্রুর হৃৎকম্পন ধরানোর পক্ষে যথেষ্ট।
‘গ্লোবাল ফায়ারপাওয়ার ইনডেক্স’-এর সমীক্ষা অনুযায়ী, বর্তমানে বিশ্বের বৃহত্তম নৌবহরের মালিকানা রয়েছে বেজিঙের কাছে। সেখানে রয়েছে ৭৫৪টি রণতরী। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নৌবহরে যুদ্ধজাহাজের সংখ্যা ৪৪০। এর মধ্যে ১১টি বিমানবাহী রণতরী রয়েছে আমেরিকার।
শুধু সংখ্যার দিকে থেকে বিচার না করে ‘ট্রু ভ্যালু রেটিং’ ব্যবহার করে কোন দেশ নৌশক্তিতে কতটা পেশি প্রদর্শন করছে তার একটি তালিকা প্রকাশ করেছে ‘ওয়ার্ল্ড ডিরেক্টরি অফ মডার্ন ওয়ারশিপস অ্যান্ড সাবমেরিনস’ বা ডব্লিউডিএমএমডব্লিউডি। ৪০টি দেশ এই তালিকায় স্থান পেয়েছে। তবে এই সংস্থাটির সমীক্ষার বিচার্য বিষয় শুধুমাত্র নৌসম্পদ নয়।
শুধুমাত্র জাহাজের সংখ্যা বিবেচনা করে নয়, বরং যুদ্ধশক্তি এবং নৌশক্তির আধুনিকীকরণের দিক থেকে কোন দেশ কতটা এগিয়ে তার উপর ভিত্তি করে সমীক্ষা চালিয়েছে সংস্থাটি। আর তাতেই বদলে গিয়েছে শক্তির সমীকরণ। ‘ট্রু ভ্যালু রেটিং’ (টিভিআর) দিয়ে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী নৌবাহিনীর একটি নতুন তালিকা প্রকাশ করেছে ডব্লিউডিএমএমডব্লিউডি।
এই সংস্থাটির র্যােঙ্কিং অনুসারে কিন্তু মার্কিন নৌবাহিনী পিছনে ফেলে দিয়েছে ড্রাগনভূমকে। যুদ্ধজাহাজ এবং ডুবোজাহাজের সংখ্যার নিরিখে চিন আমেরিকার থেকে এগিয়ে থাকলেও বিশ্বের ‘সবচেয়ে শক্তিশালী’ নৌশক্তির অধিকারী আমেরিকা। নৌসম্পদের নিরিখে চিন এগিয়ে থাকলেও জলযুদ্ধের ময়দানে লড়াই করার অভিজ্ঞতা ও উন্নত প্রযুক্তিতে চিনের লালফৌজের নৌশক্তিকে মাত দিয়েছে পেন্টাগন। রণতরীর অতুলনীয় ক্ষমতা এবং ১১টি বিমানবাহী রণতরী থাকার কারণে শীর্ষস্থান দখল করেছে মার্কিন নৌবাহিনী। যদিও দীর্ঘ দিন ধরেই শীর্ষস্থান বজায় রেখেছে ওয়াশিংটন। পেন্টাগনের প্রাপ্ত ট্রু ভ্যালু রেটিং হল ৩২৩.৯।
যুক্তরাষ্ট্রের নৌবহরে যুদ্ধজাহাজের সংখ্যা ৪৪০। এর মধ্যে ১১টি বিমানবাহী রণতরী। আমেরিকার ডুবোজাহাজ ও হেলো ক্যারিয়ারের সংখ্যা যথাক্রমে ৭০ এবং ৯। আটলান্টিক থেকে প্রশান্ত মহাসাগরে দাপিয়ে বেড়াতে ৮১টি ডেস্ট্রয়ার শ্রেণির যুদ্ধজাহাজ রয়েছে আমেরিকার কাছে। তবে ফ্রিগেট শ্রেণির হালকা ও ছোট শ্রেণির কোনও যুদ্ধজাহাজ ব্যবহার করে না আমেরিকার নৌসেনা। আমেরিকার পয়েন্ট বৃদ্ধির মূলে রয়েছে পরমাণু শক্তিচালিত এবং পরমাণু অস্ত্রবাহী রণপোতগুলি। ওয়াশিংটনের নৌতালিকায় ২৩২টি ইউনিট সক্রিয় রয়েছে বলে সমীক্ষায় উল্লেখ করা হয়েছে।
এই বিমানবাহী রণতরীগুলিকে যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর শিরদাঁড়া বললে অত্যুক্তি হবে না। বুড়ো ও অক্ষম রণতরীগুলিকে সময়মতো সরিয়ে ফোর্ডশ্রেণির সুপারক্যারিয়রগুলিকে বাহিনীতে জায়গা দিয়েছে পেন্টাগন। আর তাতেই চিনের নৌবাহিনীকে টেক্কা দিতে পেরেছে আমেরিকা। পারমাণবিক সাবমেরিন, বিমানবাহী রণতরী, ডেস্ট্রয়ার (বিধ্বংসী জাহাজ) দিয়ে ধাপে ধাপে সাজানো আমেরিকার নৌবহর।
ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় এলাকা হোক বা কৃত্রিম মেধার দুনিয়া। প্রযুক্তি, মহাকাশ গবেষণা থেকে শুরু করে ভূরাজনৈতিক। সব ক্ষেত্রেই আমেরিকাকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ করছে চিন। দুই মহাশক্তিধরের মধ্যে সামরিক শক্তির পার্থক্যের ক্রমহ্রাস ঘুম উড়িয়েছে পশ্চিমি সমর বিশ্লেষকদের। দক্ষিণ চিন সাগর এবং প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে চিনের ‘দাদাগিরি’ নিয়ে দীর্ঘ টানাপড়েন চলছে দু’দেশের মধ্যে।
বর্তমানে বিশ্বের বৃহত্তম নৌবহর রয়েছে চিনের হাতে। বিশ্বের প্রথম ড্রোনবাহী রণতরী তৈরিতেও বিপুল খরচ করছে ড্রাগন সরকার। সম্পদ হাতে থাকলেও তালিকার দু’নম্বরে রয়েছে পিপল্স লিবারেশন আর্মির নৌবাহিনী। গত কয়েক দশক ধরে প্রশান্ত মহাসাগরীয় এলাকার সমুদ্রে দাপিয়ে বেড়ানোর জন্য নৌবহরকে ক্রমাগত শক্তি জুগিয়ে চলেছে বেজিং। প্রযুক্তির হাত ধরে নিজেদের নৌবহর অনেক দিন ধরেই শক্তিশালী করার পথ প্রশস্ত করতে শুরু করেছে শি জিনপিং সরকার।
বর্তমানে চিনের নৌবাহিনীতে ৪০৫টি ইউনিট সক্রিয়। যুদ্ধজাহাজ ও সাবমেরিন মিলিয়ে ৩৫০টিরও বেশি নৌযান রয়েছে। রয়েছে তিনটি বিমানবাহী যুদ্ধপোত। বহরে পারমাণবিক এবং প্রচলিত উভয় ধরনের সাবমেরিনই রয়েছে। যদিও মার্কিন নৌবাহিনীর তুলনায় কিছুটা দুর্বল বলে ধরা হয় চিনের ডুবোজাহাজগুলিকে। পিএলএ নৌসেনায় রয়েছে সবচেয়ে শক্তিশালী রণতরী ডেস্ট্রয়ার শ্রেণির যুদ্ধজাহাজ। যদিও ‘ট্রু ভ্যালু রেটিং’য়ের দিক থেকে আমেরিকার থেকে খুব একটা পিছিয়ে নেই চিন। ৩১৯.৯ নম্বর পেয়েছে এশিয়ার সুপার পাওয়ার দেশটি।
র্যা ঙ্কিংয়ের হিসাবে আমেরিকার ‘চিরশত্রু দেশ’ রাশিয়ার নৌবাহিনী তৃতীয় স্থানে রয়েছে। তবে, প্রতিবেদনে ক্রেমলিনের নৌবাহিনীকে একটি জটিল বাহিনী হিসাবে বর্ণনা করা হয়েছে। এর কাছে পারমাণবিক অস্ত্র বহন করতে সক্ষম একটি সাবমেরিনের বহর রয়েছে। ২৮৩টি সক্রিয় ইউনিট রয়েছে মস্কোর নৌবাহিনীতে। রিপোর্টে বলা হয়েছে, আগামী বছরে ৮০টি নতুন রণতরী বাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত করতে চলেছে ভ্লাদিমির পুতিনের দেশ।
চিন ও আমেরিকার মতো রাশিয়ার হাতে উন্নত জাহাজ-বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে। ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সাবমেরিন এবং আধুনিক পারমাণবিক শক্তিসম্পন্ন আক্রমণাত্মক সাবমেরিন রাশিয়ার বিশাল নৌবহরে জায়গা করে নিয়েছে। এগুলি পারমাণবিক হামলা চালাতে সক্ষম। এর নৌযানগুলি দূরপাল্লার শক্তিশালী হাইপারসনিক এবং ক্রুজ় ক্ষেপণাস্ত্র বহন করতে সক্ষম। পরমাণু হামলারও ক্ষমতা রয়েছে তাদের। গুপ্তঘাতকের মতো আচমকা আঘাত হানায় পারদর্শী রুশ রণপোতগুলি।
ছোট্ট দ্বীপরাষ্ট্র। অথচ বিশ্বের তাবড় শক্তিধর রাষ্ট্রগুলির সঙ্গে নৌশক্তিতে চার নম্বরে উঠে এসেছে। মহারথীদের সঙ্গে সমানে পাল্লা দিয়ে চলেছে ইন্দোনেশিয়া। ১৩৭.৩ নম্বর পয়েন্ট পেয়ে রাশিয়ার পর চতুর্থ স্থানে রয়েছে এশিয়ার ক্ষুদ্র রাষ্ট্রটি। সক্রিয় নৌশক্তির ২৪৫টি ইউনিট রয়েছে তাদের। ছোট টহলদারি জাহাজ, সাবমেরিন, ফ্লিট কোর ও উভচর জাহাজ নিয়ে তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে জাকার্তা। বিশাল দ্বীপপুঞ্জ জুড়ে গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ সুরক্ষিত করাই নৌবাহিনীর কাজ। ইন্দোনেশিয়ার চারটি সাবমেরিন, ন’টি ফ্রিগেট, ১২টি কর্ভেট, ২০৫টি টহল জাহাজ এবং ২৩টি ট্যাঙ্ক অবতরণ জাহাজ রয়েছে।
নৌবাহিনীকে মজবুত করতে দেশীয় প্রযুক্তিতে অত্যাধুনিক রণতরী বানাচ্ছে রিপাবলিক অফ কোরিয়া (উত্তর কোরিয়া)। নতুন এই রণতরীগুলিকে আরও বেশি শক্তিশালী এবং অত্যাধুনিক অস্ত্রে সজ্জিত করার পরিকল্পনা রয়েছে কিম জং উনের দেশে। পরমাণু অস্ত্রের পাশাপাশি ডুবোজাহাজ থেকে শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র নিয়েও কাজ করছে তারা। কিমের এই রহস্যময় ডুবোজাহাজকে টক্কর দেওয়ার মতো অস্ত্র তাদের কাছে আছে কি না, তা জানতে কৌতূহলী আমেরিকা-সহ অন্য দেশগুলি।
১৪৭টি কমিশনড জাহাজ নিয়ে দক্ষিণ কোরিয়া পঞ্চম স্থানে রয়েছে। এর নৌবাহিনীতে ২২টি সাবমেরিন, নির্মাণাধীন একটি বিমানবাহী রণতরী এবং মেরিন-সহ প্রায় ৭০,০০০ কর্মী রয়েছে। এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে কৌশলগত ভাবে নিজেদের অবস্থান তৈরি করতে একটি নতুন ৪৫৯ ফুট দৈর্ঘ্যের রণতরী তৈরি করছে উত্তর কোরিয়া। উত্তর কোরিয়ার নৌবাহিনীর রণতরীগুলির মধ্যে সবচেয়ে বড় যুদ্ধজাহাজটি হেলিকপ্টার বহনে সক্ষম। সমুদ্রপথে নিজেদের আরও মজবুত করার প্রস্তুতি নিচ্ছে কিমের দেশ। এ ছাড়াও ২২টি প্রচলিত সাবমেরিন-সহ ১৫৫টি বিভিন্ন ধরনের যুদ্ধজাহাজের বিশাল বহরও রয়েছে উত্তর কোরিয়ার হাতে।
গ্লোবাল পাওয়ারের ফৌজিশক্তিতে চতুর্থ তালিকায় জায়গা করে নিলেও ডব্লিউডিএমএমডব্লিউডি-এর ট্রু ভ্যালু রেটিংয়ে এক থেকে পাঁচের মধ্যে মাথা গলাতে পারেনি ভারত। জাপানেরও পরে স্থান পেয়েছে নয়াদিল্লি। ৪০টি দেশের নৌবাহিনীর মধ্যে ভারতের স্থান সপ্তম। ভারতের রেটিং ১০০.৫। এক দিকে চিন, অন্য দিকে পাকিস্তান। দুই প্রান্তের জোড়া শত্রুর মোকাবিলায় নৌসেনাকে সাজাচ্ছে ভারত। আর তাই পরমাণু শক্তিধর ডুবোজাহাজ থেকে শুরু করে বিমানবাহী রণতরী নৌসেনা হাতে তুলে দিয়েছে দিল্লি।
বর্তমানে ভারতীয় নৌসেনার হাতে বিমানবাহী রণতরী, উভচর মালবাহী ডক, ল্যান্ডিং শিপ ট্যাঙ্কস, ডেস্ট্রয়ার, ফ্রিগেট, পরমাণু শক্তিধর ডুবোজাহাজ, ডিজ়েলচালিত ডুবোজাহাজ, করভেট, লার্জ অফশোর ভেসেল, ফ্লিট ট্যাঙ্কার এবং আরও উন্নত প্রযুক্তির কিছু জলযান রয়েছে। রয়েছে দু’টি বিমানবাহী রণতরী। আইএনএস বিক্রমাদিত্য ও সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি আইএনএস বিক্রান্ত। ভারতীয় নৌসেনায় মোট ডুবোজাহাজের সংখ্যা ১৮। এর মধ্যে তিনটি পরমাণু শক্তিচালিত এবং পরমাণু হাতিয়ারে সজ্জিত।
ডব্লিউডিএমএমডব্লিউডি-এর তালিকায় দশে ঠাঁই পায়নি পাকিস্তান। রেটিংয়ে বাংলাদেশেরও নীচে রয়েছে রাওয়ালপিন্ডি। ২৯ নম্বরে রয়েছে ভারতের এই পশ্চিমের প্রতিবেশী দেশটি। ভারতের তুলনায় বহু যোজন পিছিয়ে রয়েছে পাকিস্তান নৌবাহিনী। তাদের টিভিআর ৩৬.৬। বর্তমানে ইসলামাবাদের কাছে নেই কোনও বিমানবাহী এবং ডেস্ট্রয়ার শ্রেণির রণতরী।
ন’টি ফ্রিগেট, ন’টি করভেট, ৬৯টি টহলদারি জাহাজ এবং তিনটি মাইন সুইপার শ্রেণির যুদ্ধজাহাজ ব্যবহার করে তারা। ডুবোজাহাজের নিরিখেও পিছিয়ে রয়েছে পাক নৌসেনা। ইসলামাবাদের নৌবাহিনীর বহরে ডুবোজাহাজের সংখ্যা মাত্র আট। এর মধ্যে একটিও পরমাণু অস্ত্রে সজ্জিত নয়। ফলে সমুদ্রের গভীর থেকে আণবিক হামলা চালাতে পারবে না রাওয়ালপিন্ডি। হাজার কিলোমিটারের বেশি লম্বা উপকূলরেখা থাকা সত্ত্বেও পাকিস্তানের নৌসেনা ঘাঁটির সংখ্যা মাত্র পাঁচ।
সব ছবি: সংগৃহীত।