ছবি : সংগৃহীত।
পৌষসংক্রান্তির পরে প্রথম ছুটির দিন। অনেকেই যাঁরা সপ্তাহের মাঝে স্রেফ নিয়ম রক্ষার পিঠে-মুখ করেছিলেন, তাঁরা এই সপ্তাহান্তে জমিয়ে পালন করবেন পার্বণ। ফলে আরও এক বার পিঠে খাওয়ার তোড়জোড়। আর সেই উদ্.যাপনে সঙ্গী হতে পারে বঙ্গের অতি পুরনো এক বাহারি পিঠে। দুধ সারস।
পিঠেকুলে পুলি,পাটিসাপটা, গোকুল, চিতৈ, ভাপা পিঠার মতো কুলীন না হলেও এ পিঠের নামডাক আছে। খেতে সুস্বাদু তো বটেই, দেখতেও সুন্দর। তাই সপ্তাহান্তে যদি পরিবার, পরিজন বা বন্ধুদের জন্য বাড়িতে পিঠের ‘বুফে’ সাজাবেন বলে ঠিক করেই থাকেন, তবে সেই মেনুতে চমক হিসাবে থাকতে পারে দুধ সারস পিঠে। কী ভাবে বানাবেন, শিখে নিন।
উপকরণ:
পিঠের জন্য—
১ কাপ গরম তরল দুধ
১/২ কাপ গুঁড়ো দুধ
১/২ কাপ চিনি
১/২ কাপ সুজি
১/৪ কাপ ময়দা
১/২ চা চামচ বেকিং সোডা
এক চিমটে নুন
মালাইয়ের জন্য—
১/২ লিটার তরল দুধ
২ টি এলাচ
১/২ কাপ পাটালি গুড়
অল্প সাদা তেল বা ঘি
প্রণালী:
প্রথমে একটি বাটিতে গরম দুধ নিয়ে ওর মধ্যে আধ কাপ চিনি এবং আধ কাপ গুঁড়ো দুধ দিয়ে ভাল ভাবে গুলিয়ে নিন।
এর পরে ওর মধ্যে দিন আধ কাপ সুজি এবং ময়দা। সব কিছু ভাল ভাবে মিশিয়ে নিয়ে দশ মিনিটের মত রেখে দিন।
দশ মিনিট পর মিশ্রণটি আরও গাঢ় হয়ে গেলে এতে নুন, বেকিং সোডা মিশিয়ে নিন।
এ বার ৪টি ছোট ছোট সমান মাপের বাটিতে তেল ব্রাশ করে তার মধ্যে অল্প অল্প করে মিশ্রণটি দিয়ে সেগুলিকে গরম জলে ভাপিয়ে নিন। ভাপানোর জন্য মোমো বানানোর বাসন ব্যবহার করতে পারেন অথবা গরম জলের পত্রের উপর ঝাঁঝরি রেখে তার উপর ঢাকা দিয়েও ভাইয়ে নিতে পারেন।
ভাপানো হয়ে গেলে একটি কানা উঁচু পাত্রে, যাতে আপনি পিঠে পরিবেশন করবেন তাতে ওই পিঠে গুলো সাজিয়ে রাখুন।
এর পরে কড়াইয়ে দুধ, দু’টি থেঁতো করা এলাচ আর স্বাদমতো চিনি বা পাটালি গুড় দিয়ে ভাল ভাবে ফুটিয়ে নিন। মনে রাখবেন দুধের এই মিশ্রণটি খুব ঘন হবে না। কারণ তাহলে পিঠের ভিতরে ওই দুধ বেশি ঢুকবে না।
এর পরে পাত্রে সাজানো পিঠের উপর দুধ ঢেলে দিন। দিয়ে দিন। মিনিট পাঁচেক রেখে দিলেই তৈরি হয়ে যাবে দুধ সারস পিঠে। উপরে কাঠ বাদাম বা পেস্তা বাদাম কুচি ছড়িয়ে পরিবেশন করুন।