এঁচোড়-পোস্তর রেসিপি। ছবি: এআই সহায়তায় প্রণীত।
বাঙালিরা বলেন, এঁচোড় নাকি ‘নিরামিষ মাংস’। কাঁচা কাঁঠালের স্বাদের গুণমুগ্ধ অনেকেই। তাই বাড়িতে যদি নিরামিষ খাওয়া হয় (বা না-ও হয়), এক দিন বানিয়ে দেখতে পারেন এঁচোড়-পোস্ত। আলু, ঝিঙে, পটলের সঙ্গে পোস্তর যুগলবন্দি তো অনেক খেয়েছেন, এ বার এঁচোড় দিয়েও বানিয়ে নিতে পারেন সহজ এই রান্না। ছুটির দিনের দুপুরে বা রাতে এমন এক পদ কিন্তু জমিয়ে দেবে খাওয়ার টেবিল। শিখে নিন সহজ প্রণালী।
উপকরণ
২৫০ গ্রাম এঁচোড়
৪ টেবিল চামচ পোস্ত
পরিমাণ মতো সর্ষের তেল
১টি দারচিনি
৪টি এলাচ
৪টি লবঙ্গ
এক চিমটে জিরে
১ চা চামচ আদা-রসুন বাটা
আধ চা চামচ লঙ্কাগুঁড়ো
আধ চা চামচ হলুদগুঁড়ো
আধ চা চামচ জিরেগুঁড়ো
স্বাদমতো নুন
৩টি কাঁচালঙ্কা
এক চিমটে গরমমশলাগুঁড়ো
প্রণালী
ছোট ছোট করে এঁচোড় কেটে ফেলুন। রান্নার আগে সেদ্ধ করে নিন অল্প করে। ও দিকে অল্প জলে মিহি করে পোস্ত বেটে নিন।
এ বার কড়াইয়ে তেল গরম করে দারচিনি, এলাচ, লবঙ্গ ও জিরে ফোড়ন দিন। এতে এঁচোড় ঢেলে দিয়ে ভাল করে ভেজে নিতে হবে। তার মধ্যে আদা-রসুন বাটা দিয়ে নাড়াচাড়া করে নিন।
তার পর লঙ্কাগুঁড়ো, হলুদগুঁড়ো, জিরেগুঁড়ো এবং পোস্তবাটা একসঙ্গে কড়াইয়ে মিশিয়ে দিন। পোস্তবাটার পাত্র ধোয়া জলও এ বার ঢেলে দিতে পারেন তাতে।
এ বার ভাল করে মশলা কষানোর পালা। নুন আর কাঁচালঙ্কা দিয়ে বেশ খানিক ক্ষণ ধরে কষালে স্বাদ আরও ভাল ভাবে পাওয়া যাবে। এর ফলে পোস্তবাটার কাঁচা গন্ধও চলে যাবে।
এ বার যতটা প্রয়োজন ততখানি জল দিয়ে ঢাকা দিয়ে দিন। আঁচ কমিয়ে ১৫ মিনিট রান্না হতে দিন। তার পর শেষে গরমমশলার গুঁড়ো ছড়িয়ে দিয়ে রান্না সম্পন্ন করতে পারেন। পরিবেশন করুন গরম ভাতের সঙ্গে।