ছোট চিংড়ি দিয়ে রান্না খেতে সুস্বাদু। তবে সেই রান্না করা বেশ ঝক্কির। কারণ, চিংড়ি মাছ পরিস্কার করতেই অনেকটা সময় চলে যায়। দিতে হয় ধৈর্ষের পরীক্ষা। আবার যথাযথ ভাবে পরিস্কার না করলেও মুশকিল।
১। চিংড়ির পিঠের কালো সুতো বা চিংড়ির পরিপাক নালী পরিস্কার করা বাধ্যতামূলক। কারণ তা থেকেই হজমের সমস্যা সবচেয়ে বেশি হয়। মাছের খোসা না ছাড়িয়েও পিঠের দ্বিতীয় বা তৃতীয় খাঁজের ভেতর একটি টুথপিক বা সুচ ঢুকিয়ে ওপরের দিকে টান দিন। দেখবেন পুরো কালো সুতোটি বেরিয়ে আসছে।
২। ছোট চিংড়ির মাথায় একটি ছোট থলির মতো অংশ থাকে যেখানে বালি ও নোংরা জমে। মাথার একদম সামনের দিকের ধারালো অংশ (শুঁড়সহ) কাঁচি দিয়ে কেটে ফেলুন। এরপর আঙুল দিয়ে মাথার ভেতরে হালকা চাপ দিলেই কালো বা কালচে-সবুজ একটি অংশ বেরিয়ে আসবে। এটি ফেলে দিলে সংক্রমণের ভয় থাকে না।
৩। ছোট চিংড়ির গায়ে অনেক সময় পিচ্ছিল ভাব বা শ্যাওলা জাতীয় ময়লা থাকে যা ধুয়ে ফেলা কঠিন। মাছ কাটার পর একটি ছাঁকনিতে নিয়ে তাতে বেশ খানিকটা মোটা দানাযুক্ত নুন ছিটিয়ে দিন। এবার হাত দিয়ে হালকা করে ঘষুন। নুনের ঘষা খেয়ে মাছের গায়ের ময়লা দ্রুত উঠে যাবে।
৪। আঁশটে গন্ধ ও ব্যাক্টেরিয়া দূর করতে ধোয়ার পরে সামান্য লেবুর রস বা সাদা ভিনেগার মাখিয়ে ১ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। এটি মাছের টক্সিন কমাতে সাহায্য করে। রান্না করার আগে মাছ ধুয়ে হলুদ-নুনমাখিয়ে রাখলে প্রাকৃতিক অ্যান্টি-সেপটিক হিসেবে কাজ করে।
৫। মাছগুলো ৫ মিনিট হালকা গরম জলে (ফুটন্ত নয়) ভিজিয়ে রাখুন, খোসা চটজলদি উঠে আসবে।