পছন্দ হবে ছোটদেরও, দই দিয়ে বানিয়ে ফেলুন ইয়োগার্ট বার্ক। ছবি: ফ্রিপিক।
গরমে আইসক্রিম খেতেই মন চাইছে। কিন্তু স্বাস্থ্যের কথা ভেবে পিছিয়ে আসছেন। বদলে বেছে নিয়েছেন দই। তবে রোজই কি দই খেতে ভাল লাগে? যদি স্বাদ বদলাতে হয় তা হলে আইসক্রিম বা অন্যান্য মিষ্টির দিকে না তাকিয়ে বরং স্বাস্থ্যকর উপায় খুঁজে নিন। দই দিয়েই বানিয়ে ফেলুন আইসক্রিমের মতোই ঠান্ডা ও মিষ্টি স্বাদের ফ্রোজ়েন ইয়োগার্ট বার্ক। পদ্ধতি সহজ, খেতে ভাল এবং স্বাস্থ্যের সঙ্গে আপস করারও প্রয়োজন নেই।
ইয়োগার্ট বার্ক কেন এত পছন্দের
আইসক্রিমের বিকল্প যাঁরা খুঁজছেন, তাঁরা এখন ইয়োগার্ট বার্কই পছন্দ করছেন বেশি। দইয়ের সঙ্গে মধু বা মেপল সিরাপ মিশিয়ে তাতে ফল, বাদাম ও চকোলেট চিপ্স দিয়ে তৈরি করা যায় এই মিষ্টি। দেখতে খুব সুন্দর ও রঙিন হয়। অনেকে এতে প্রোটিন পাউডারও মেশান। বার্কে যেহেতু চিনি বা প্রিজ়ারভেটিভ থাকে না, তাই এটি স্বাস্থ্যকর। প্রোটিনে সমৃদ্ধ। খেলে ক্যালোরি বেড়ে যাওয়ার ভয়ও থাকবে না। ছোটরা আইসক্রিম খেতে চাইলে, বদলে ইয়োগার্ট বার্ক বানিয়ে খাওয়াতে পারেন।
কী ভাবে বানাবেন?
উপকরণ:
২ কাপ জল ঝরানো টক দই বা গ্রিক ইয়োগার্ট
৩ চামচের মতো মধু বা মেপল সিরাপ
আধ কাপ নানা রকম বাদাম কুচি
১ থেকে ২ চামচ প্রোটিন পাউডার
আধ চামচ ভ্যানিলা এসেন্স
১টি পাকা কলা
টপিংয়ের জন্য
পেস্তা, কাঠবাদাম বা আখরোটের কুচি
চকোলেট চিপ্স
নানা রকম বীজ
ফল যেমন বেদানা, কালো আঙুর বা আম
প্রণালী:
বেকিং ট্রে-র উপর পার্চমেন্ট পেপার পেতে তাতে জল ঝরানো ফেটানো দই, মেপল সিরাপ বা মধু, প্রোটিন পাউডার, ভ্যানিলা এসেন্স মিশিয়ে ঢেলে দিন। চামচ দিয়ে ভাল করে ছড়িয়ে দিতে হবে সমান করে। এ বার চকোলেট চিপ্স থেকে খানিকটা নিয়ে ভাল করে গলিয়ে তা দইয়ের উপর ঢেলে দিন। এ বার তার উপরে কলার ছোট ছোট টুকরো দিয়ে সামান্য বাদাম কুচি ছড়িয়ে দিন। এই বেকিং ট্রে ফ্রিজে ৩-৪ ঘণ্টা রাখতে হবে। ভাল হয় সারা রাত রাখলে। দই পুরো জমে গেলে উপরে আরও খানিকটা বাদাম কুচি, চকোলেট চিপ্স ও ফলের টুকরো টপিং দিয়ে ছোট ছোট চৌকো আকারে কেটে নিন। টপিংয়ের জন্য দেখতে ভাল লাগবে এবং খেতেও সুস্বাদু হবে।