IPL 2026

আইপিএল থেকে ক্রিকেটারেরা ১০০ কোটি টাকা আয় করবে! ভবিষ্যদ্বাণী ললিতের, বৈভবদের সামলে রাখতে বলছেন প্রাক্তন কর্তা

নিজের শুরু করা আইপিএলের ক্রিকেটীয় এবং ব্যবসায়িক সাফল্য এবং শ্রীবৃদ্ধিতে উচ্ছ্বসিত ললিত মোদী। বৈভব সূর্যবংশীর ব্যাটিং তাঁর কাছে অবিশ্বাস্য মনে হয়। তাকেই ভারতীয় ক্রিকেটের ভবিষ্যতের মুখ হিসাবে চিহ্নিত করেছেন ললিত।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ১৯ এপ্রিল ২০২৬ ১৭:৩১
picture of cricket

ললিত মোদী। ছবি: এক্স।

ভারতীয় ক্রিকেট থেকে অনেক দূরে ললিত মোদী। বিদেশে বসেই নিজের শুরু করা (ব্রেন চাইল্ড) আইপিএলের দিকে নজর রাখেন ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের প্রাক্তন কর্তা। তাঁর আশা, ২০৩০ সালের মধ্যে নতুন উচ্চতায় পৌঁছে যাবে আইপিএল। ক্রিকেটারেরা কয়েক গুণ বেশি রোজগার করবেন আইপিএল খেলে। ললিত উচ্ছ্বসিত বৈভব সূর্যবংশীকে নিয়েও। তবে এটাও জানিয়েছেন, বৈভবদের সামলে রাখতে হবে।

Advertisement

আইপিএল এবং বৈভবের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদী ললিত। তাঁর মতে, ১৫ বছরের বৈভবই ভবিষ্যতে ভারতীয় ক্রিকেটের মুখ। এক সাক্ষাৎকারে ললিত বলেছেন, ‘‘বৈভব আগামী দিনে ভারতীয় ক্রিকেটের মুখ হয়ে উঠবে। ১৪-১৫ বছরের একটা ছেলের কী আত্মবিশ্বাস! আমার ছেলের বয়সও ১৪। ওর ব্যাটিং দেখে মনে হচ্ছিল, আমি কি স্বপ্ন দেখছি! এ ভাবে খেলা অসম্ভব। ২০২৫ সালে ওকে প্রথম বার দেখে মনেই হয়নি, ১৪ বছর বয়স। সন্দেহ হচ্ছিল। গুগল করলাম। বেশ কয়েক জনকে ফোন করলাম। সকলকে জিজ্ঞাসা করলাম, বৈভবের বয়স কি সত্যিই এত কম? নাকি বানিয়ে বলা হচ্ছে? কিন্তু সকলের কাছে একই উত্তর পেলাম। এক বার, দু’বার নয়। বার বার ছেলেটার খেলা দেখছি। ও সকলকে ছাপিয়ে যাবেই।’’

ললিতের বিশ্বাস বৈভবের মতো আরও প্রতিভা ভারতে রয়েছে। তিনি বলেছেন, ‘‘আমি নিশ্চিত বৈভবের মতো অন্তত ৫০টা ছেলে ভারতে আছে। আইপিএল এই পরিবর্তনটাই করেছে। দেশের সব প্রান্তের ক্রিকেটারদের জন্য সুযোগ তৈরি করে দিয়েছে।’’

আইপিএলের ভবিষ্যৎ নিয়েও দারুণ আশাবাদী ললিত। তাঁর দাবি, একটা সময় এমন আসবে যখন প্রতি মরসুমে ক্রিকেটারেরা ১৩০০ কোটি টাকা আয় করবে। আইপিএলের প্রাক্তন চেয়ারম্যান বলেছেন, ‘‘২০৩০ সালের মধ্যে অন্য উচ্চতায় পৌঁছে যাবে আইপিএল। ক্রিকেটারেরা অনেক বেশি রোজগার করবে। বছরে একের জনের আয় ১০০ কোটি টাকায় পৌঁছে যাবে। পাল্লা দিয়ে বাড়বে বিসিসিআইয়ের আয়ও।’’ তাঁর দাবি, এখন দলগুলি ক্রিকেটার নেওয়ার জন্য সর্বোচ্চ ১২৫ কোটি টাকা খরচ করতে পারে। ২০৩০ সালে এই টাকা ৯৩২ কোটিতে পৌঁছোতে পারে। তিনি বলেছেন, ‘‘প্রথম সারির ক্রিকেটারেরা প্রতিটি ম্যাচ থেকে সাড়ে ৮ কোটি টাকা পর্যন্ত আয় করতে পারে। দলের সবচেয়ে দামী ক্রিকেটারেরা বছরে ১৩০ থেকে ১৫০ কোটি টাকা পেতে পারে।’’

বিভিন্ন দেশের বেসরকারি সংস্থাগুলি যে ভাবে আইপিএলের প্রতি আকৃষ্ট হচ্ছে, তাতে অবিশ্বাস্য গতিতে আর্থিক শ্রীবৃদ্ধি সময়ের অপেক্ষা বলেই মনে করেন ললিত। নিজের শুরু করা প্রতিযোগিতার ক্রিকেটীয় এবং ব্যবসায়িক সাফল্যে উচ্ছ্বসিত নির্বাসিত ভারতীয় ক্রিকেট কর্তা।

Advertisement
আরও পড়ুন