test cricket

বাংলাদেশের কাছে পর্যুদস্ত পাকিস্তান! পর পর তিন টেস্টে জয়, মাসুদদের লজ্জা বাড়াল শাহিনের বিরুদ্ধে বল বিকৃতির অভিযোগ

পাকিস্তানের বিরুদ্ধে টানা তিনটি টেস্ট জিতল বাংলাদেশ। প্রথম বার দেশের মাটিতে পাকিস্তানকে হারাল তারা। একই সঙ্গে দু’টেস্টের সিরিজ়ে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেলেন নাজমুল হোসেন শান্তেরা।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ১২ মে ২০২৬ ১৮:১৯
picture of cricket

বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের উচ্ছ্বাস। ছবি: এক্স।

পাকিস্তানের বিরুদ্ধে দু’টেস্টের সিরিজ়ে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল বাংলাদেশ। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে টানা তিনটি টেস্ট জিতল বাংলাদেশ। তবে দেশের মাটিতে প্রথম বার জয়ের স্বাদ পেলেন নাজমুল হোসেন শান্তেরা। পাকিস্তানের হারের লজ্জা বাড়িয়েছে শাহিন আফ্রিদির বিরুদ্ধে বল বিকৃতির অভিযোগ।

Advertisement

মিরপুরে ১০৪ রানে জয় পেল বাংলাদেশ। প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশ করে ৪১৩ রান। এর পর পাকিস্তানের প্রথম ইনিংস শেষ হয় ৩৮৬ রানে। ৯ উইকেটে ২৪০ রান তুলে দ্বিতীয় ইনিংস ডিক্লেয়ার করে দেন নাজমুল। তাতে পাকিস্তানের জয়ের লক্ষ্য দাঁড়ায় ২৬৮ রান। কিন্তু ১৬৩ রানেই শেষ হয়ে গেল শান মাসুদের দলের দ্বিতীয় ইনিংস। টেস্টে জীবনের সেরা পারফরম্যান্স করে বাংলাদেশের জয়ে বিশেষ ভূমিকা নিলেন নাহিদ রানা। ৪০ রানে ৫ উইকেট নিয়ে পাকিস্তানের মিডল অর্ডারকে চাপে ফেলে দেন নাহিদ।

পঞ্চম দিনের খেলা শুরু হওয়ার সময় বাংলাদেশের দ্বিতীয় ইনিংসের রান ছিল ৩ উইকেটে ১৫২। নাজমুল ৫৮ রানে এবং মুশফিকুর রহিম ১৬ রানে অপরাজিত ছিলেন। মুশফিকুর ২২ রানে আউট হয়ে গেলেও ক্রিজ়ের এক প্রান্ত আগলে ছিলেন বাংলাদেশের অধিনায়ক। নাজমুল শেষ পর্যন্ত খেলেন ৮৭ রানের ইনিংস। লিটন দাস (১১) রান পাননি। মেহদি হাসান করেন ২৭ বলে ২৪। পাকিস্তানের কোনও বোলারকেই বাংলাদেশের ব্যাটারদের সামনে বিপজ্জনক মনে হয়নি। এর মধ্যেই বিতর্কে জড়িয়েছেন শাহিন। তাঁর বিরুদ্ধে আবার বিকৃতির অভিযোগ উঠল। বাংলাদেশের এক ব্যাটারের শট পা দিয়ে আটকানোর পর বলের উপর জুতো দিয়ে ঘষতে দেখা গিয়েছে তাঁকে। জুতোর তলায় যে স্পাইক থাকে তার সাহায্যে বলের আকার বদলে দেওয়ার চেষ্টা করেন তিনি। তাতে অবশ্য সুবিধা হয়নি। আম্পায়ারেরা বিষয়টি লক্ষ্য করেন। তাঁরা বল দেখে তা বদলে ফেলেন। এই সিদ্ধান্ত থেকে স্পষ্ট বলের আকার বদলে গিয়েছিল।

বাংলাদেশ ডিক্লেয়ার করার পর পাকিস্তানের ব্যাটারেরাও মিরপুরের ২২ গজে সুবিধা করতে পারলেন না। ব্যতিক্রম শুধু তিন নম্বরে নামা আবদুল্লা ফয়জ়ল। ৬৬ রান করেছেন তিনি। কিছুটা লড়াই করেন সলমন আঘা (২৬)। বাকিরা কেউই দাঁড়াতে পারলেন না বাংলাদেশের বোলিং আক্রমণের সামনে। দ্রুত ফিরে যান দুই ওপেনার আজ়ান আওয়াইস (১৫) এবং ইমাম উল হক। ভরসা দিতে পারেননি মাসুদ (২), সাউদ শাকিল (১৫), মহম্মদ রিজ়ওয়ানেরা (১৫)। আর কেউই বলার মতো কিছু করতে পারেননি।

নাহিদের আগে পাক ইনিংসকে ধাক্কা দেন তাসকিন আহমেদ, মিরাজ়েরা। ৪০ রানে ২ উইকেট নিয়েছেন তাসকিন। ৪৭ রানে ১ উইকেট মিরাজ়ের। এ ছাড়া ২২ রানে ২ উইকেট নিয়েছেন তাইজুল ইসলাম।

Advertisement
আরও পড়ুন