গরমের দিনের জন্য নানা রকম কাঞ্জির রেসিপি রইল। ছবি: ফ্রিপিক।
গরমের সময়ে দোকান থেকে কেনা শরবত বা বাজারচলতি প্যাকেটজাত পানীয় না খেয়ে ঘরেই বানিয়ে নিতে পারেন কাঞ্জি। সাধারণত পেট ভাল রাখতে প্রোবায়োটিক জাতীয় খাবার খেতে বলেন পুষ্টিবিদেরা। তবে ঘোল বা দই খেলেও অনেকের পেটের সমস্যা দেখা দেয়। তাই পঞ্জাব, উত্তরপ্রদেশ এবং রাজস্থানের স্থানীয়েরা বিশেষ একটি পানীয় খান এই সময়ে। এরই নাম কাঞ্জি। এই পানীয় গেঁজিয়ে তৈরি করা হয়। তাই এতে ভরপুর প্রোবায়োটিক থাকে। শরীর ভিতর থেকে ডিটক্স করতেও এই পানীয় উপকারী। কাঞ্জি অনেক রকম ভাবেই তৈরি করা যায়। রইল কয়েকটি রেসিপি।
আমলকির কাঞ্জি
কাচের বড় জারে ঈষদুষ্ণ জল নিয়ে তাতে আমলকি, হলুদ, আদার টুকরো দিয়ে দিন। জলে নুন মেশান। এ বার সর্ষের দানা পিষে নিয়ে সেটি জলে মিশিয়ে দিন। এই সর্ষেই পানীয়টিকে গেঁজাতে সাহায্য করবে। সব ভাল করে মিশিয়ে নিয়ে জারের মুখ ঢাকা দিয়ে রেখে দিন। জারের মুখ পাতলা কাপড় দিয়েও ঢাকতে পারেন। ২-৩ দিন জারটিকে রেখে দিতে হবে। মাঝে মাঝে চামচ দিয়ে পানীয়টিকে নেড়ে নিতে হবে। তিন দিন পরে ঢাকা খুলে অন্য একটি পাত্রে পানীয়টি ঢেলে নিন। এটি সপ্তাহে ২-৩ দিন খেলে পেটের যাবতীয় সমস্যার সমাধান হবে।
শসার কাঞ্জি
২ মাঝারি মাপের শসা খোসা ছাড়িয়ে টুকরো করে নিন। একটি পরিষ্কার বড় কাচের পাত্রে চার কাপ পানীয় জল নিয়ে তার মধ্যে ২ টেবিল চামচ সর্ষের গুঁড়ো, আধ চা-চামচ সৈন্ধব নুন, এক চিমচে হিং মিশিয়ে নিন। তার মধ্যে যোগ করুন শসার টুকরো। কাচের পাত্রটির সুতির কাপড়ে ঢেকে ঢাকনা আলগা করে দিয়ে রাখুন। ২-৩ দিন সেটি একটু গরম জায়গায় রাখতে হবে। প্রতি দিন এক বার জলটি চামচের সাহায্যে নাড়িয়ে দিন।
গাজরের কাঞ্জি
গাজর লম্বা করে কেটে নুন, সর্ষে গুঁড়ো এবং লঙ্কা গুঁড়ো দিয়ে জলে মিশিয়ে কাচের জারে ভরে রোদে দিন ৩-৪ দিন। জলটি টক হয়ে গেলেই তৈরি ভেষজ কাঞ্জি। প্রতি দিন এক বার জলটি চামচের সাহায্যে নাড়িয়ে দিন।