বরুণ চক্রবর্তী। —ফাইল চিত্র।
বাঁ পায়ের হাড়ে চিড় ধরেছে বরুণ চক্রবর্তীর। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) কেন্দ্রীয় চুক্তিতে থাকা স্পিনারকে তা-ও খেলিয়েছে কলকাতা নাইট রাইডার্স। যা নিয়ে তৈরি হয়েছে বিতর্ক। চোট পাওয়া ক্রিকেটারকে আইপিএলের কোনও ফ্র্যাঞ্চাইজ়ি কি খেলাতে পারে? উঠেছে প্রশ্ন। অবশেষে মুখ খুললেন বিসিসিআই সচিব। দেবজিৎ শইকীয়া মেনে নিয়েছেন এমন ক্ষেত্রে বোর্ডও অসহায়। সিদ্ধান্ত নেওয়ার মালিক দলগুলিই।
বরুণ ঠিক মতো হাঁটতে পারছেন না। ক্রাচে ভর দিয়ে হাঁটছেন। এই অবস্থায়ও কেকেআরের স্বার্থে মাঠে নেমেছেন। ভাল বলও করেছেন। খেলতে গিয়ে চোট আরও গুরুতর হয়েছে। স্বাভাবিক ভাবেই কেকেআরের সিদ্ধান্ত নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। তার উপর বরুণ ভারতীয় টি-টোয়েন্টি দলের সদস্য। তাঁকে কী করে চোট পাওয়া অবস্থায় মাঠে নামিয়ে দেওয়া যায়? বিসিসিআইয়ের নিয়ম কী বলছে? প্রশ্ন করা হয় বোর্ড সচিবকে।
সংবাদ সংস্থা পিটিআইকে শইকীয়া বলেছেন, ‘‘আইপিএলের সময় ফ্র্যাঞ্চাইজ়িগুলোই ক্রিকেটারদের চোট এবং ফিটনেসের খেয়াল রাখে। বেঙ্গালুরুর সেন্টার অফ এক্সেলেন্সের ফিজিয়োরাও ক্রিকেটারদের উপর নজর রাখেন। কোন ক্রিকেটারের উপর কতটা চাপ পড়ছে, তা পর্যবেক্ষণ করেন। ক্রিকেটারদের কী করে ফিট রাখা যায়, তার পরিকল্পনাও করেন।’’
তা হলে বোর্ডের কোনও নিয়ন্ত্রণ নেই। শইকিয়া মেনে নিয়েছেন, আইপিএলের সময় বিসিসিআইয়ের এক্তিয়া সীমিত। বোর্ড সচিব বলেছেন, ‘‘নজরদারি অবশ্যই থাকে। তবে আইপিএলের সময় আমরা খুব বেশি হস্তক্ষেপ করতে পারি না। ঘটনাটা ভারতীয় দলের ক্ষেত্রে হলে আমাদের অনেক বেশি নিয়ন্ত্রণ থাকত।’’ তিনি আরও বলেছেন, ‘‘আমরা ফ্র্যাঞ্চাইজ়িগুলোকে খেলোয়াড়দের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে অনেক বেশি স্বাধীনতা দিচ্ছি। জাতীয় দল নির্বাচনের সময় আমরা ক্রিকেটারদের ফিটনেস খতিয়ে দেখি।’’
যন্ত্রণা নিয়েই গুজরাত টাইটান্সের বিরুদ্ধে ৪ ওভার বল করেছিলেন বরুণ। তার পরই বিতর্ক মাথাচাড়া দিয়েছে। বিসিসিআই সচিব বুঝিয়ে দিয়েছেন, আইপিএলের নিয়ম অনুযায়ী তাঁদের বিশেষ কিছু করার নেই।