চেন্নাই সুপার কিংসের ক্রিকেটারেরা। ছবি: পিটিআই।
প্রথম একাদশে চার বিদেশি ক্রিকেটার রাখতে সমস্যায় পড়ছে চেন্নাই সুপার কিংস। পরিস্থিতি এমন যে, শুক্রবার পঞ্জাব কিংসের বিরুদ্ধে মাত্র দুই বিদেশি নিয়ে খেলতে নেমেছিল তারা। এর অন্যতম কারণ, চোট। সেই কারণেই প্রথম একাদশ সাজাতে সমস্যায় পড়ছে তারা।
আইপিএলে প্রথম একাদশে কোনও দল চার জনের বেশি বিদেশি রাখতে পারে না। তার কম সংখ্যক বিদেশি অবশ্য খেলানো যায়। এর আগে মাত্র দু’বার কোনও দল দুই বিদেশি নিয়ে খেলতে নেমেছে। ২০১১ সালের কলকাতা নাইট রাইডার্স ও ২০২২ সালে দিল্লি ক্যাপিটালস প্রথম একাদশে মাত্র দুই বিদেশি নিয়ে নেমেছিল।
আইপিএলে ইমপ্যাক্ট প্লেয়ারের নিয়ম চালু হওয়ার পর থেকে বেশির ভাগ দল প্রথম একাদশে তিন বিদেশি নিয়ে নামে। দ্বিতীয় ইনিংসে আরও এক বিদেশিকে ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার হিসাবে খেলানো হয়। এ বার যেমন কেকেআর ফিন অ্যালেন বা ব্লেসিং মুজ়ারাবানির মধ্যে এক জনকে ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার হিসাবে খেলাচ্ছে।
চেন্নাইয়ের ছবিটা আলাদা। ডেওয়াল্ড ব্রেভিস ও স্পেনসার জনসন চোটে রয়েছেন। তাঁরা কবে ফিরবেন জানা যায়নি। প্রথম ম্যাচে রাজস্থান রয়্যালসের বিরুদ্ধে চার বিদেশি খেলিয়েছিল চেন্নাই। ম্যাথু শর্ট, জেমি ওভারটন, নুর আহমেদ ও ম্যাট হেনরি খেলেছিলেন। কিন্তু শর্ট মাত্র ২ রান করেন। ওভারটন অবশ্য ভাল খেলেছিলেন। তাঁর ৪৩ রানে ভর করে ১২৭ রানে পৌঁছেছিল চেন্নাই। তার পরেও তাঁকে দ্বিতীয় ম্যাচে বাইরে রাখা হয়েছে।
পঞ্জাবের বিরুদ্ধে নুর ও হেনরি ছিলেন দুই বিদেশি। প্রথমে ব্যাট করছিল চেন্নাই। শর্ট ও ওভারটনকে রাখা হয়েছিল ইমপ্যাক্ট ক্রিকেটারের তালিকায়। ব্যাটিং ভাল হওয়ায় শর্টকে প্রয়োজন পড়েনি। দলের ভারসাম্য ধরে রাখতে ওভারটনকেও খেলানো হয়নি।
চেন্নাইয়ের বোলিং আক্রমণে হেনরি, খলিল আহমেদ ও অংশুল কম্বোজ ছিলেন। শিবম দুবেও পেস বল করেন। ফলে তাঁদের মনে হয়েছে, ওভারটনের পেসের বদলে রাহুল চহরের স্পিন বেশি কার্যকরী হবে। তাই চহরকে ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার হিসাবে খেলানো হয়। চোটের কারণে দলের ভারসাম্য নষ্ট হয়েছে। ফলে বাধ্য হয়ে কম বিদেশি নিয়ে খেলতে হচ্ছে চেন্নাইকে। তাতে সুবিধা করতে পারছে না তারা।