Gautam Gambhir

দিল্লি হাইকোর্টের সুরক্ষা পেলেন গম্ভীর, ভারতের কোচকে নিয়ে আপত্তিকর ভিডিয়ো সরাতে হবে সকল মাধ্যম থেকে

তাঁর নাম, ছবি, গলার স্বর ব্যবহার করে ভুয়ো ভিডিয়ো ছড়ানো হচ্ছে, এই অভিযোগ তুলে দিল্লি হাইকোর্টে আবেদন করেছিলেন গৌতম গম্ভীর। ভারতের কোচকে ব্যক্তিসত্তা সুরক্ষার অধিকার দিল আদালত।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ২৫ মার্চ ২০২৬ ১৮:৩৫
cricket

গৌতম গম্ভীর। — ফাইল চিত্র।

তাঁর নাম, ছবি, গলার স্বর ব্যবহার করে ভুয়ো ভিডিয়ো ছড়ানো হচ্ছে, এই অভিযোগ তুলে দিল্লি হাইকোর্টে আবেদন করেছিলেন গৌতম গম্ভীর। ভারতের কোচকে ব্যক্তিসত্তা সুরক্ষার অধিকার দিল আদালত। ফলে আর কেউ গম্ভীরের অনুমতি ছাড়া তাঁর ছবি, গলার স্বর ব্যবহার করতে পারবেন না। নিয়ম না মানলে শাস্তি পেতে হবে।

Advertisement

বুধবার দিল্লি হাইকোর্ট স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছে, গম্ভীরের অনুমতি না নিয়ে যে সব বিষয়বস্তু (কনটেন্ট) তৈরি করা হয়েছে তা সমাজমাধ্যম এবং অন্তর্জালের (ইন্টারনেট) বাকি মাধ্যম থেকে সরিয়ে নিতে হবে। দিল্লি হাইকোর্ট মেটা, গুগ্‌ল এবং অ্যামাজ়নকে নির্দেশ দিয়েছে যাতে সমস্ত আপত্তিকর ভিডিয়ো, ছবি এবং ইউআরএল সরিয়ে নেওয়া হয়।

উল্লেখ্য, গম্ভীর অভিযোগ করেছিলেন, এআই ব্যবহার করে তাঁর ‘ডিপফেক’ ভিডিয়ো তৈরি করা হচ্ছে। গম্ভীরের ছবি এবং স্বর ব্যবহার করে বিভিন্ন ভিডিয়ো তৈরি করা হচ্ছে, যা আদৌ সত্যি নয়। গম্ভীর অনুরোধ করেছিলেন, অবিলম্বে এই সব ভিডিয়ো সমস্ত সমাজমাধ্যম থেকে তুলে নেওয়া হোক।

অভিযোগে গম্ভীর লিখেছিলেন, “আমার পরিচয়— আমার নাম, আমার মুখ এবং আমার স্বর— বেনামী অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে ব্যবহার করা হচ্ছে। এগুলোর সাহায্যে আমাকে ব্যবহার করে ভুল তথ্য ছড়ানো হচ্ছে এবং অর্থ উপার্জন করছে কিছু মানুষ। এটা শুধু ব্যক্তিগত আঘাতের জায়গা নয়। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার এই যুগে আইনের সাহায্য নিয়ে সম্মানরক্ষা এবং সুরক্ষার অধিকার প্রত্যেক নাগরিকের রয়েছে।”

সম্প্রতি একটি অসত্য ভিডিয়ো সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছিল। সেখানে দাবি করা হয়েছিল, গম্ভীর কোচের পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন। সেই ভিডিয়ো দেখেছেন ২৯ লক্ষ মানুষ। আরও একটি ভিডিয়োয় তাঁকে সিনিয়র ক্রিকেটারদের উদ্দেশে কিছু বিতর্কিত মন্তব্য করতে দেখা গিয়েছে। সেই ভিডিয়ো দেখেছেন ১৭ লক্ষ মানুষ।

অভিযোগে গম্ভীর ১৬টি নাম নিয়েছিলেন। তার মধ্যে সমাজমাধ্যমের বিভিন্ন অ্যাকাউন্ট ছাড়াও অ্যামাজ়ন, ফ্লিপকার্টের মতো ই-কমার্স সংস্থাও রয়েছে। এই সংস্থাগুলি গম্ভীরের ছবি ব্যবহার করে বিভিন্ন পণ্য বিক্রি করছে বলে অভিযোগ ছিল।

Advertisement
আরও পড়ুন