Manoj Tiwary

প্রাক্তন স্বামীকে বেকার বলায় মেরিকে তোপ মনোজের, ছ’বারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নের বক্তব্য লজ্জাজনক বলে সেই ভিডিয়ো মুছলেন ক্রিকেটার

সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে প্রাক্তন স্বামীর বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ করেছিলেন মেরি কম। প্রাক্তন বক্সারের এমন আচরণ ভাল ভাবে নেননি মনোজ তিওয়ারি। মেরির সমালোচনা করে একটি ভিডিয়ো পোস্ট করেন প্রাক্তন ক্রিকেটার।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ১৬ জানুয়ারি ২০২৬ ১৩:০৭
Picture of Mary Kom and Manoj Tiwary

(বাঁ দিকে) মেরি কম এবং মনোজ তিওয়ারি (ডান দিকে)। —ফাইল চিত্র।

প্রকাশ্যে প্রাক্তন স্বামী কারুং অনলেরের সমালোচনা, নিন্দা করেছেন মেরি কম। ছ’বারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন বক্সারের এমন কাণ্ডে ক্ষুব্ধ বাংলার প্রাক্তন অধিনায়ক মনোজ তিওয়ারি। সমাজমাধ্যমে একটি ভিডিয়ো পোস্ট করে ভারতীয় দলের প্রাক্তন ক্রিকেটার মেরির তীব্র সমালোচনা করেন। যদিও পরে ভিডিয়োটি মুছে দেন মনোজ।

Advertisement

সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে প্রাক্তন স্বামীকে ‘বেকার’ বলেন মেরি। তিনি বলেন, ‘‘সফল কেরিয়ার তো দূরের কথা। অনলের গলিতে গলিতে ফুটবল খেলে বেড়াত। কোনও দিন এক টাকাও উপার্জন করেনি। কোনও ত্যাগ, অবদান নেই। দিনেরাত শুধু ঘুমোত। আমি অনেক টাকা রোজগার করেছি। বিশ্বাস করে ওর হাতে তুলে দিয়েছিলাম। সংসারের আর্থিক ব্যাপারে প্রথমে মাথা ঘামাতাম না। তখন পর্যন্ত সব ঠিকই ছিল। কিন্তু যখন মাথা ঘামাতে শুরু করলাম, তখন বুঝতে পারি, ভিতরে ভিতরে কী চলছে। ওর প্রচুর দেনা। আমার সম্পত্তি বন্ধক রেখে ধার করত। সেই দেনা শোধ করতে পারেনি। ফলে আমার সব সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত হয়ে গিয়েছে।”

প্রকাশ্যে এ ভাবে প্রাক্তন স্বামীর সমালোচনা মেনে নিতে পারেননি মনোজ। তিনি ভিডিয়োয় বলেন, ‘‘মেরি নিজে একজন চ্যাম্পিয়ন। দেশকে গর্বিত করেছেন। কিন্তু প্রাক্তন স্বামীকে নিয়ে প্রকাশ্যে যে ভাবে কথা বলেছেন, তা দেখে আমি ব্যথিত। ব্যক্তিগত ভাবে এ ব্যাপারে আমার কিছু বলার নেই। তবে একজন খেলোয়াড় হিসাবে জানি, আশপাশের মানুষগুলোর কতটা অবদান থাকে।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘সম্পর্ক শেষ হয়ে যাওয়ার পর একজনকে জাতীয় স্তরের একটি টেলিভিশন চ্যানেলে এ ভাবে অপদস্থ করা উদ্বেগজনক। আমি দুঃখিত মেরি। দেশ আপনার কাছে আরও মানবিক কিছু আশা করে। ওঁর প্রাক্তন স্বামীর জন্য খারাপ লাগছে। তাঁর মানসিক স্বাস্থ্যের বিষয়টি আমাকে ভাবাচ্ছে। এটা লজ্জাজনক। সমাজের কাছে ভাল বার্তা গেল না।’’ শেষে মনোজ বলেন, ‘‘সেই সব দম্পতিদের আমার স্যালুট, যাঁরা পরস্পরের পরিপূরক হিসাবে রয়েছেন।’’ তাঁর এই ভিডিয়ো নিয়েও সমাজমাধ্যমে সমালোচনা শুরু হয়। পরে ভিডিয়োটি মুছে দেন বাংলার ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী।

২০২৩ সালের ২০ ডিসেম্বর বিবাহবিচ্ছেদ হয় মেরির। তাঁদের ১৮ বছরের দাম্পত্যের শেষ হয়। এত দিন পর মেরি প্রকাশ্যে এ ভাবে অভিযোগ করায় মুখ খুলেছেন অনলেররও। তিনি অভিযোগ করে বলেছেন, বিয়ে ভাঙার ১০ বছর আগে থেকে মেরি একাধিক পরকীয়ায় জড়িত। তাঁর কাছে প্রমাণও রয়েছে। যদিও সন্তানদের মুখ চেয়ে প্রাক্তন স্ত্রীর বিরুদ্ধে আইনি লড়াইয়ে যেতে চান না তিনি।

Advertisement
আরও পড়ুন