বিজয় শঙ্কর। —ফাইল চিত্র।
ভারতীয় ক্রিকেট থেকে অবসরের পর বিদেশের লিগে নাম লেখালেন বিজয় শঙ্কর। গত শুক্রবার অবসর বার্তাতেই বিদেশের লিগে খেলার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। সেই মতো শ্রীলঙ্কার টি-টোয়েন্টি লিগে নাম লেখালেন ৩৫ বছরের অলরাউন্ডার। অর্থাৎ অবসর ঘোষণার পাঁচ দিনের মাথায় অন্য দেশের ক্রিকেটে নাম লিখিয়ে ফেললেন তিনি।
লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগের (এলপিএল) দল ক্যান্ডি রয়্যালসে সই করেছেন। আগামী ১ জুন এলপিএলের ড্রাফট প্রকাশ করবে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট। যে ক্রিকেটারেরা টি-টোয়েন্টি লিগ খেলতে চেয়ে আবেদন করেছেন, তাঁদের নাম থাকবে তালিকায়। নিলামের মাধ্যমে বিভিন্ন দল তালিকা থেকে পছন্দের ক্রিকেটারদের কিনে নেবে। ২০১৯ সালের এক দিনের বিশ্বকাপে ভারতের প্রতিনিধিত্ব করা বিজয়কে নিলাম পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে না। তার আগেই তাঁকে চুক্তিবদ্ধ করেছেন ক্যান্ডি কর্তৃপক্ষ।
এলপিএলে বিজয়ের সতীর্থদের মধ্যে রয়েছেন ওয়ানিন্দু হাসরঙ্গ, অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউজ, মইন আলিরা। প্রতিযোগিতার নিয়ম অনুযায়ী, নিলামের আগে প্রতিটি দল দু’জন করে দেশি এবং বিদেশি ক্রিকেটারকে সই করাতে পারে। বিজয়কে দ্বিতীয় বিদেশি হিসাবে দলে নেওয়া হয়েছে। ভারতের হয়ে ১২টি এক দিনের ম্যাচ এবং ন’টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলছেন বিজয়।
২০১২-য় তামিলনাড়ুর হয়ে ঘরোয়া ক্রিকেটে অভিষেক হয় বিজয়ের। ১৩ বছর নিজের রাজ্যের হয়ে খেলার পর ২০২৫-২৬ মরসুমে যোগ দেন ত্রিপুরায়। তামিলনাড়ুর হয়ে বিভিন্ন বয়সভিত্তিক ক্রিকেটেও খেলেছেন। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ৭৭টি ম্যাচ খেলে ৪২৫৩ রান করেছেন এবং ৪৩টি উইকেট নিয়েছেন। ১১২টি লিস্ট ম্যাচে ২৭৯০ রান করেছেন এবং ৭৩টি উইকেট নিয়েছেন। এ ছাড়া ১৫৯টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচে ২৫৮৩ রান করেছেন এবং ৩৮টি উইকেট নিয়েছেন।
২০১৯ বিশ্বকাপে আচমকাই ভারতীয় দলে নেওয়া হয়েছিল বিজয়কে। তৎকালীন প্রধান নির্বাচক এমএসকে প্রসাদ ‘থ্রিডি’ বা ত্রিমাত্রিক ক্রিকেটার হিসাবে বিজয়কে বর্ণনা করেছিলেন। অর্থাৎ যিনি ব্যাট, বল এবং ফিল্ডিং তিনটেই করতে পারেন।