বেঙ্গালুরুর বিরুদ্ধে আগ্রাসী সুদর্শন। ছবি: সমাজমাধ্যম।
রাজস্থানের বিরুদ্ধে অর্ধশতরান করার পর সময়টা ভাল যাচ্ছিল না সাই সুদর্শনের। আগের ম্যাচে প্রথম বলেই আউট হয়ে গিয়েছিলেন। আইপিএলে আবার ফর্মে ফিরলেন গুজরাতের ব্যাটার। শুক্রবার বেঙ্গালুরুর বিরুদ্ধে শতরান করলেন তিনি। শেষ ওভারে চালিয়ে খেলে বড় রান তুলল গুজরাত। প্রথমে ব্যাট করে তারা তুলেছে ২০৫/৩।
গুজরাতের আসল শক্তি তাদের প্রথম তিন ব্যাটার— সুদর্শন, শুভমন গিল এবং জস বাটলার। গত মরসুমেও এই তিন জনের ব্যাটের উপরেই নির্ভর করেছে দল। এ দিনও সেটাই দেখা গিয়েছে। ওপেনিং জুটিতেই গুজরাত তোলে ১২৮ রান। তবে সেই জুটিতে শুভমনের ভূমিকা বিশেষ ছিল না। গোড়া থেকে আগ্রাসী খেলেছেন সুদর্শনই। শুভমন স্রেফ একটা দিক ধরে রাখার দিকে মন দেন।
চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে চলতি মরসুমে কোনও জুটি আরসিবি-কে এতটা শাসন করেনি। এই নিয়ে আট বার শতরানের জুটি হয়ে গেল সুদর্শন-শুভমন জুটির। ক্রমশ আইপিএলের অন্যতম সেরা জুটি হয়ে ওঠার দিকে এগোচ্ছেন তাঁরা। ২৪ বলে ৩২ করে আউট হন শুভমন। একটা সময় বড় শট খেলতে পারছিলেন না। সেটা করতে গিয়েই সুযশ শর্মার মন্থরগতির বলের ফাঁদে পা দেন তিনি।
১৫তম ওভারে শতরান করেন সুদর্শন। সুযশকে চার মেরে তিন অঙ্কের রানে পৌঁছন তিনি। তবে দীর্ঘস্থায়ী হয়নি ইনিংস। পরের ওভারেই জশ হেজ়লউড ফেরান সুদর্শনকে। সেই সঙ্গে রানের গতিও কমে যায়। একসময় গুজরাতকে দেখে মনে হচ্ছিল হেসেখেলে ২৫০-র কাছাকাছি রান তুলবে তারা। কিন্তু সুদর্শন এবং বাটলার (২৫) আউট হওয়ার পর রানের গতি অনেকটাই কমে যায়। ১৭-১৯ ওভারে ওঠে মাত্র ১৭ রান। শেষ ওভারে রাসিখ সালাম এবং ক্রুণাল পাণ্ড্যের চোটের কারণে ইনিংস শেষ হতে কিছুটা দেরি হয়। গুজরাতের হয়ে ক্রিজ়ে অপরাজিত থাকেন ওয়াশিংটন সুন্দর (১৯) এবং জেসন হোল্ডার (২৩)।