গুজরাত জায়ান্টসের ক্রিকেটারদের উল্লাস। ছবি: এক্স।
হারে ফিরল ইউপি ওয়ারিয়র্জ়। হারের হ্যাটট্রিকের পর দু’ম্যাচ জিতে মেয়েদের আইপিএলের প্লে-অফের দৌড়ে ফিরেছিল তারা। কিন্তু গুজরাত জায়ান্টসের বিরুদ্ধে হেরে পিছিয়ে পড়ল তারা। অভিষেক নায়ারের দলকে ৪৫ রানে হারিয়ে প্লে-অফের দৌড়ে এগিয়ে গেল অ্যাশলি গার্ডনারেরা। প্রথমে ব্যাট করে ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ১৫৩ রান করেছিল গুজরাত। ১৭.৩ ওভারে ১০৮ রানে অল আউট হয়ে গেল ইউপি। ব্যাটে-বলে গুজরাতের জয়ের নায়ক সোফি ডিভাইন। অর্ধশতরানের পাশাপাশি ২ উইকেট নেন তিনি।
টস জিতে বল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন ইউপি-র অধিনায়ক মেগ ল্যানিং। গুজরাত ঝোড়ো শুরু করলেও ড্যানি ওয়াট-হজ (১৪) ও অনুষ্কা শর্মা (১৪) বড় ইনিংস খেলতে পারেননি। রান পাননি অধিনায়ক গার্ডনারও (৫)। গুজরাতের ইনিংস সামলান বেথ মুনি ও সোফি ডিভাইন। দুই অভিজ্ঞ ব্যাটার দলের রান এগিয়ে নিয়ে যান।
৩৮ রান করেন মুনি। তিনি আউট হওয়ার পর আবার পর পর উইকেট হারাতে থাকে গুজরাত। কিন্তু এক দিকে ছিলেন ডিভাইন। ডেথ ওভারের জন্য অপেক্ষা করছিলেন তিনি। শেষ দিকে হাত খোলেন ডিভাইন। শেষ ওভারে নেন ১৬ রান। শেষ পর্যন্ত ১৫৩ রান করে গুজরাত। ডিভাইন ৫০ রানে অপরাজিত থাকেন। ইউপি-র বোলারদের মধ্যে ক্রান্তি গৌড় ও সোফি একলেস্টোন ২ করে এবং শিখা পাণ্ডে ও ক্লোয়ি ট্রিয়ন ১ করে উইকেট নেন।
১৫৪ রানের লক্ষ্য খুব বড় না হলেও দ্বিতীয় বলেই ওপেনার কিরণ নভগিরেকে হারায় ইউপি। অধিনায়ক ল্যানিং ও ফিবি লিচফিল্ড ভাল খেলছিলেন। কিন্তু ল্যানিংয়ের উইকেট ছবিটা বদলে দেয়। হরলীন দেওল এই ম্যাচে ব্যর্থ। ১২ বলে খেলে ৩ রান করেন তিনি। লিচফিল্ড ৩২ রানে আউট হলে চাপে পড়ে যায় ইউপি।
দীপ্তির উপর নির্ভর ছিল ইউপি-র ব্যাটিং। কিন্তু তিনিও হতাশ করেন। মাত্র ৪ রানে আউট হন। গুজরাতের স্পিনারেরা ইউপি-র ব্যাটারদের আটকে রাখেন। রান তোলার গতি কমে যায়। বাধ্য হয়ে বড় শট মারতে গিয়ে একের পর উইকেট পড়ে। ট্রিয়ন একাই লড়েন। কিন্তু তিনিও দলের হার আটকাতে পারেননি। ৩০ রানে অপরাডিত থাকেন ট্রিয়ন। ১০৮ রানে অল আউট হয়ে যায় ইউপি। বল হাতে সফল রাজেশ্বরী গায়কোয়াড়। ৩ উইকেট নেন তিনি। ২ করে উইকেট নেন রেণুকা সিংহ ঠাকুর ও ডিভাইন। গার্ডনার ও কাশবী গৌতম ১ করে উইকেট নেন।
এই জয়ের ফলে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে টপকে দু’নম্বরে উঠল গুজরাত। তাদের পয়েন্ট ৬ ম্যাচে ৬। সমসংখ্যক ম্যাচে ৪ পয়েন্ট নিয়ে পয়েন্ট তালিকায় সকলের শেষে ইউপি।