রাহুল তেওটিয়া। ছবি: সংগৃহীত।
তাঁর বিখ্যাত মঙ্গুজ় ব্যাটের আদর্শ উত্তরসূরি হিসেবে রাহুল তেওটিয়াকে বাছলেন গুজরাত টাইটানসের ব্যাটিং কোচ ম্যাথু হেডেন। গুজরাত টাইটানসের একটি অনুষ্ঠানে হেডেন বলেছেন, ‘‘যদি আমার মঙ্গুজ় ব্যাট গুজরাত টাইটানসের কাউকে দিতে হয়, তা হলে আমি রাহুল তেওটিয়াকে বাছব। ওর ব্যাটিংয়ে সেই শক্তি রয়েছে। লম্বা ব্যাট দিয়ে ও দারুণ ভাবে নিজের কাজটা করতে পারবে। টি-টোয়োন্টি ক্রিকেটে ৫ রান, ১০ রান বড় পার্থক্য হয়ে দাঁড়ায়। ওর ওইরকম শক্তিশালী ব্যাটিং দলকে সুবিধা দেয়।’’
প্রাক্তন অস্ট্রেলীয় ওপেনার তাঁর বিখ্যাত মঙ্গুজ় ব্যাট ব্যবহার করেছিলেন ২০১০ আইপিএলে। সেই ইনিংসে তিনি ৪৩ বলে ৯৩ রান করেছিলেন দিল্লির বিরুদ্ধে। তাঁর ইনিংস সাজানো ছিল ৯টি চার ও ৭টি ছক্কা দিয়ে। মঙ্গুজ় ব্যাটের সঙ্গে সাধারণ ব্যাটের অনেকটাই পার্থক্য। সাধারণ ব্যাটের চেয়ে মঙ্গুজ় ব্যাটের হাতল ৪৩ শতাংশ বেশি লম্বা হয় আর ব্যাটের পাতটা ৩৩ শতাংশ ছোট হয়। মনে করা হয়, এর ফলে মঙ্গুজ় ব্যাটের সাহায্যে বড় শট খেলা সুবিধেজনক। তবে মঙ্গুজ় ব্যাট জনপ্রিয় হতে পারেনি কারণ এই ব্যাটে রক্ষণাত্মক শট খেলা প্রায় অসম্ভব।
এ দিন গুজরাত অধিনায়ক শুভমন গিল তাঁর দলের পেসারদের বলেছেন, বল হাতে আশিস নেহরার মতো আগ্রাসী হতে হবে। একটি শোয়ে শুভমন বলেছেন, ‘‘আমি আমার পেসারদের শান্ত দেখতে চাই না। আমি ওদের মধ্যে আগুনে মেজাজটা দেখতে চাই। ঠিক যেমন আশু পা-র (আশিস নেহরা) মধ্যে ছিল।’’ ভারতের প্রাক্তন বাঁ-হাতি পেসার নেহরা গুজরাতের প্রধান কোচের দায়িত্বে আছেন।
প্রথম বারই হার্দিক পাণ্ড্যের নেতৃত্বে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল গুজরাত টাইটানস। গত বার তারা শুভমন গিলের নেতৃত্বে মুম্বই ইন্ডিয়ানসের কাছে এলিমিনেটরে হেরে যায়। এই বছর ঘুরে দাঁড়ানোর ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী শুভমন। তিনি বলেছেন, ‘‘গত বারও কিন্তু আমরা সফল হয়েছিলাম। আমরা হয়তো ট্রফি জিতিনি, কিন্তু তার মানে এই নয় যে আমরা খারাপ খেলেছি। তবে আমরা কিছু ভুল করেছিলাম। এ বার সেই ভুল শুধরে নেওয়ার পালা।’’
কোনও কোনও প্রাক্তন ক্রিকেটার মনে করেন, এ বারের আইপিএল শুভমনের জন্যও বড় পরীক্ষা। ভারতের টি-টোয়েন্টি দল থেকে ছিটকে গিয়েছেন শুভমন। তাই আইপিএলে ভাল খেলে আবার জাতীয় দলে ফেরার জন্য নিঃসন্দেহে মুখিয়ে থাকবেন শুভমন।