হার্দিক পাণ্ড্য। ছবি: সমাজমাধ্যম।
আইপিএলে গত তিনটি ম্যাচে খেলেননি তিনি। কখনও সূর্যকুমার যাদব, কখনও জসপ্রীত বুমরাহ অধিনায়কের দায়িত্ব সামলেছেন। সেই হার্দিক পাণ্ড্যের প্রত্যাবর্তন হতে পারে কেকেআর ম্যাচে। শহরে চলে এসেছেন তিনি। সঙ্গে রোহিত শর্মা, সূর্য, বুমরাহেরাও চলে এসেছেন। অধিনায়ক হিসাবে হার্দিকের প্রত্যাবর্তন হবে কি না তা সময়ই বলবে।
মুম্বইয়ের সমাজমাধ্যম অ্যাকাউন্টে সোমবার সকাল ১০টায় একটি ছবি পোস্ট করা হয়েছে। সেখানে শুরুতেই রয়েছে হার্দিকের ছবি। পাশাপাশি তিলক বর্মা, বুমরাহ, সূর্যকুমার এবং রোহিতের ছবি রয়েছে। শোনা যাচ্ছিল হার্দিকের পিঠে চোট রয়েছে। সেই চোট সেরে তিনি ফিট কি না তা জানা যাবে দু’দিনের মধ্যেই।
পঞ্জাব ম্যাচের পর মুম্বইয়ের ক্রিকেটার শার্দূল ঠাকুর বলেছিলেন, “হার্দিকের চোট রয়েছে। সেই কারণে ও দলের সঙ্গে আসেনি। দলের সঙ্গে রায়পুরে গিয়েছিল। কিন্তু বেঙ্গালুরু ম্যাচেও খেলতে পারেনি। এখন মুম্বইয়ে অনুশীলন করছে। আশা করি দ্রুত ওকে মাঠে দেখতে পাওয়া যাবে। কলকাতা ম্যাচে ও ফিরতে পারে।”
জল্পনা শোনা যাচ্ছিল, হার্দিককে অধিনায়কত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে মুম্বইয়ের প্রধান কোচ মাহেলা জয়বর্ধনে দলের চোটের সমস্যা নিয়ে মুখ খুলেছিলেন। কারও নাম না করলেও তাঁর দাবি, চোটের কারণেই এই খারাপ পারফরম্যান্স।
বেঙ্গালুরুর কাছে হারের পর জয়বর্ধনে বলেছিলেন, “খুব হতাশ লাগছে। আমাদের কাছে সুযোগ ছিল। কিন্তু ভাল খেলতে পারিনি। ধারাবাহিকতা দেখাতে পারিনি। কেন এ রকম হল, সেটা এখনই বলা কঠিন। একটু খতিয়ে দেখতে হবে। একটা কথা বলতে পারি, আমরা ভাল খেলতে পারিনি।”
তার পরেই চোটের প্রসঙ্গ টেনেছিলেন জয়বর্ধনে। তিনি বলেন, “আমাদের প্রতি ম্যাচে দলে বদল করতে হয়েছে। তার একমাত্র কারণ চোট। এত ক্রিকেটার চোট পেয়েছে, কী বলব। বাধ্য হয়ে তাদের বদল করেছি। পরিকল্পনার কারণে বেশি বদল করিনি। বেশির ভাগ বদল হয়েছে চোটের কারণে।”