দীপ্তি শর্মাকে জড়িয়ে ধরে উল্লাস হরমনপ্রীত কৌরের। ছবি: পিটিআই।
শুরুতে ভারত একটু চাপে পড়লেও শেষ পর্যন্ত যা হওয়ার তাই হয়েছে। পাকিস্তানকে ৬৪ রানে হারিয়ে মহিলাদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরু করেছে ভারত। এই জয়ের রহস্য ফাঁস করেছেন ভারতের অধিনায়ক হরমনপ্রীত কৌর ও ম্যাচের সেরা খেলোয়াড় দীপ্তি শর্মা।
হরমনপ্রীত দুই ক্রিকেটারকে জয়ের প্রধান কৃতিত্ব দিয়েছেন। তাঁরা হলেন স্মৃতি মন্ধানা ও দীপ্তি। অধিনায়ক বলেন, “যখনই দরকার পড়ে, ওরা এগিয়ে আসে। দলকে জেতায়। ওদের নিয়ে বেশি কিছু বলার নেই। ওদের খেলায় আমি খুব খুশি। আশা করছি, আগামী দিনেও ওরা এ ভাবে খেলবে।”
ব্যাট করতে নেমে শুরুতে দুই উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে গিয়েছিল ভারত। দেখে মনে হচ্ছিল, এই পিচে ব্যাট করা কঠিন। পিচ ততটাও কঠিন ছিল না বলে জানিয়েছেন হরমনপ্রীত। তিনি বলেন, “পিচ ঠিকই ছিল। আমার মনে হয়, শুরুতে অকারণে বেশি চাপ নিয়ে ফেলেছিলাম। পরে আমি ও স্মৃতি জুটি বাঁধলাম। সেখান থেকে খেলায় ফিরলাম।”
ভারতের রান ১৭০ পর্যন্ত নিয়ে যাওয়ার কৃতিত্ব রিচা ঘোষের। ১৭ বলে ৩৪ রানের ইনিংস খেলেন বাংলার রিচা। হরমন চান, রিচা শুরু থেকে খেলুন। কিন্তু তা সম্ভব নয়। হরমনপ্রীত বলেন, “আমি চাই রিচা প্রথম বল থেকে ব্যাট করুক। আমার হাতে ক্ষমতা থাকলে ওকে শুরুতে নামাতাম। কিন্তু এই দলে ওর নির্দিষ্ট ভূমিকা রয়েছে। সেটাই ও খুব ভাল ভাবে পালন করছে।”
বল করার সময়ও যে ভাবে তাঁরা খেলায় ফিরেছেন তার প্রশংসা শোনা গিয়েছে হরমনপ্রীতের মুখে। তিনি বলেন, “ওরা ভাল শুরু করেছিল। তার পর আমরা ফিরেছি। ভাল ক্যাচ ধরেছি। ভাল ফিল্ডিং হয়েছে। স্পিনারেরা নিজের কাজ করেছে। তাড়াতাড়ি জিততে চেয়েছিলাম। বড় ব্যবধানে জিততে চেয়েছিলাম। এই ধরনের প্রতিযোগিতায় নেট রানরেট খুব গুরুত্বপূর্ণ। সেটা করতে পেরেছি। আগামী ম্যাচেও এই ফর্ম ধরে রাখতে চাই।”
চার ওভারে মাত্র ১০ রান দিয়ে ৫ উইকেট নিয়েছেন দীপ্তি। স্বভাবতই হয়েছেন ম্যাচের সেরা। দীপ্তি জানিয়েছেন, একটি ছোট্ট পরিবর্তন করেই সফল হয়েছেন তিনি। দীপ্তি বলেন, “আমি এই ধরনের পিচে বল করতে ভালবাসি। বলের গতি কিছুটা কম রাখছিলাম। উইকেট লক্ষ্য করে বল করছিলাম। বাকিটা পিচ করে দিয়েছে।” যে ভাবে সমর্থকেরা তাঁদের উৎসাহ দিয়েছেন সে কথাও জানিয়েছেন হনুমানজির ভক্ত দীপ্তি। পাশাপাশি স্মৃতি ও হরমনপ্রীতের ব্যাটিংয়ের প্রশংসাও করেছেন তিনি।