World Test Championship

টেস্ট বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে নতুন তিন দেশ? অলিম্পিক্সের যোগ্যতা অর্জন নিয়ে এ মাসেই সিদ্ধান্ত নিতে পারে শাহের আইসিসি

বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপকে দু’টি বিভাগে সম্ভবত ভাগ করা হবে না। এই প্রস্তাবের বিরোধিতা করেছে একাধিক পূর্ণ সদস্য দেশ। সদস্য হিসাবে সমান মর্যাদাপূর্ণ হওয়ার পরও বৈষম্য নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে তারা।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ১০ এপ্রিল ২০২৬ ১৪:২২
picture of cricket

জয় শাহ। —ফাইল চিত্র।

টেস্ট ক্রিকেটকে আরও গুরুত্ব দিতে চলেছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থা (আইসিসি)। বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে দলের সংখ্যা বৃদ্ধি করতে পারেন জয় শাহেরা। ২০২৮ সালের অলিম্পিক্সের যোগ্যতা অর্জনের পদ্ধতিও কয়েক দিনের মধ্যে চূড়ান্ত করে ফেলতে চান আইসিসি কর্তারা। যদিও ত্রৈমাসিক বৈঠক হওয়া নিয়ে কিছুটা অনিশ্চয়তা রয়েছে।

Advertisement

এক দিনের এবং টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের পাশাপাশি টেস্ট ক্রিকেটের আরও প্রসার চায় আইসিসি। সেই লক্ষ্যে ন’টি দলের পরিবর্তে ১২টি দলকে নিয়ে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ আয়োজনের কথা ভাবা হচ্ছে। অর্থাৎ, প্রতিটি পূর্ণ সদস্য দেশই অংশগ্রহণ করবে টেস্ট বিশ্বকাপে। এখন আফগানিস্তান, জ়িম্বাবোয়ে এবং আয়ারল্যান্ড বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ খেলে না। ১২টি দেশকে খেলার সমান সুযোগ দিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে আইসিসির আগামী ত্রৈমাসিক বৈঠকে।

একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আইসিসি কর্তারা মনে করছেন, ক্রিকেটের মান উন্নত করতে টেস্ট ক্রিকেটের বিকল্প নেই। তাই পূর্ণ সদস্য সব দেশকেই যথেষ্ট পরিমাণ লাল বলের ক্রিকেট খেলার সুযোগ দেওয়া উচিত। আফগানিস্তান, জ়িম্বাবোয়ে এবং আয়ারল্যান্ড বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে না থাকায় বছরে খুব বেশি টেস্ট খেলার সুযোগ পায় না। বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের দেশগুলিও এই তিন দেশের সঙ্গে টেস্ট খেলতে তেমন আগ্রহ দেখায় না। সারা বছরের ঠাসা সূচির কথা ভেবে ক্রিকেটারদের উপর চাপ বাড়াতে চায় না। তাই এই তিন দেশকেও বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের সূচিতে অন্তর্ভুক্ত করা হলে সমস্যা থাকবে না। ২০২৭ সালের জুন থেকে যে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ শুরু হবে, তা হতে পারে ১২ দলের। বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপকে দু’টি বিভাগে সম্ভবত ভাগ করা হবে না। এই প্রস্তাবের বিরোধিতা করেছে একাধিক পূর্ণ সদস্য দেশ। সদস্য হিসাবে সমান মর্যাদাপূর্ণ হওয়ার পরও বৈষম্য নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে তারা।

আসন্ন ত্রৈমাসিক বৈঠকে চূড়ান্ত হয়ে যেতে পারে ২০২৮ অলিম্পিক্সে যোগ্যতা অর্জনের পদ্ধতিও। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট হবে অলিম্পিক্সে। পুরুষ এবং মহিলা বিভাগে ছ’টি করে দল খেলার সুযোগ পাবে। অর্থাৎ, আইসিসির পূর্ণ সদস্য সব দেশ খেলতে পারবে না। আয়োজক হিসাবে আমেরিকার খেলা নিশ্চিত। এশিয়া, ইউরোপ, আফ্রিকা এবং ওসেনিয়ার চ্যাম্পিয়ন দলগুলিকে সুযোগ দিতে চায় আইসিসি। ষষ্ঠ দলকে বেছে নেওয়ার জন্য ২০২৭ সালে যোগ্যতা অর্জন প্রতিযোগিতা আয়োজন করবে আইসিসি। ক্রমতালিকার ভিত্তিতে বেছে নেওয়া হবে দলগুলিকে। ক’টি দলকে নিয়ে প্রতিযোগিতা হবে, তা-ও ঠিক হতে পারে ত্রৈমাসিক বৈঠকে।

আগামী ২৫ থেকে ২৭ মার্চ দোহায় হওয়ার কথা আইসিসির ত্রৈমাসিক বৈঠক। পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ পরিস্থিতির জন্য বৈঠকের স্থান বা দিন পরিবর্তন হতে পারে। এ ব্যাপারে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেননি জয়েরা। তাঁরা পরিস্থিতির উপর নজর রাখছেন। বিভিন্ন সদস্য দেশের ক্রিকেট বোর্ডগুলির পরামর্শ নেওয়া হচ্ছে। এ বার আইসিসির বার্ষিক সম্মেলন হওয়ার কথা এডিনবরায়। তার আগেই বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ এবং অলিম্পিক্স নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলতে চান জয়রা।

Advertisement
আরও পড়ুন