ঋষভ পন্থ। —ফাইল চিত্র।
অর্থ বাড়লেও আইপিএলের থেকে অনেক পিছিয়ে পাকিস্তান সুপার লিগ (পিএসএল)। গত বারের তুলনায় এ বার প্রতিটি দলের হাতে বেশি টাকা থাকবে। এ বার আর ড্রাফ্ট পদ্ধতিতে ক্রিকেটার কেনা যাবে না। আইপিএলের মতো নিলাম হবে সেখানে। অর্থাৎ, ক্রিকেটারেরা হাতে টাকা বেশি পাবেন। কিন্তু তার পরেও আইপিএলের ধারেকাছে নেই তারা। পিএসএলের একটি গোটা দলের হাতে যে টাকা থাকবে, তার দ্বিগুণ একাই পান ঋষভ পন্থ।
সঞ্জীব গোয়েন্কার লখনউ ২৭ কোটি টাকায় কিনেছিল পন্থকে। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড জানিয়েছে, আগামী মরসুমে প্রতিটি দলের হাতে প্রায় ১৪ কোটি টাকা করে থাকবে। আগে প্রতিটি দল ১১ কোটি টাকা পেত ক্রিকেটারদের কেনার জন্য। এ বার ৩ কোটি টাকা বাড়লেও অনেক পিছিয়ে তারা। সেখানে একটি দল মোট ১৪ কোটি টাকা হাতে পাবে। তার প্রায় দ্বিগুণ টাকা পন্থ একাই পাচ্ছেন।
২০০৮ সালে আইপিএলের প্রথম মরসুমে প্রতিটি দলের হাতে ছিল ২০ কোটি টাকা। সেই টাকায় দল গড়তে হত তাদের। আগামী মরসুমে ১১ বছরে পা দেবে পাকিস্তান সুপার লিগ। এখনও সেখানে একটি দলের মোট টাকা আইপিএলের প্রথম মরসুমের থেকে কম। বোঝা যাচ্ছে, কেন অবসর নেওয়া বা আইপিএলে দল না পাওয়া ক্রিকেটারেরা পাকিস্তানের লিগে খেলতে যান।
২০২৬ সালে আইপিএলের প্রতিটি দলের হাতে রয়েছে ১২৫ কোটি টাকা করে। পাকিস্তান সুপার লিগের প্রতিটি দলের হাতে থাকা টাকার তুলনায় তা ৭৫৮.৫ শতাংশ বা ৯ গুণ বেশি। আইপিএলের ১০ দলের মোট টাকার পরিমাণ ১২৫০ কোটি। পিএসএলের আট দলের মোট টাকার পরিমাণ ১১২ কোটি। অর্থাৎ, আইপিএলের ১০ দলের হাতে থাকা মোট টাকার পরিমাণ পিএসএলের আট দলের হাতে থাকা মোট টাকার পরিমাণের তুলনায় ৯৭৩ শতাংশ বা ১১ গুণ বেশি। শুধু তা-ই নয়, পিএসএলের আট দলের হাতে মোট যে টাকা রয়েছে, তার থেকে বেশি টাকা নিয়ে নিলামে নামে আইপিএলের একটি দল।