বৈভব সূর্যবংশী। ছবি: পিটিআই।
ব্যাট করতে নেমে ঝড় তুললেও বাকি সময়ে চুপচাপই দেখা দেখা যায় বৈভব সূর্যবংশীকে। খুব একটা হইচই করে না সে। কিন্তু বিশ্বকাপ জিতে নিজের উচ্ছ্বাস ধরে রাখতে পারেনি বৈভবও। ব্যাট হাতে ঝড় তোলার পর সাজঘরে কোমর দুলিয়েও সকলকে অবাক করে দিয়েছে সে। ভোজপুরী গানে নেচেছে ভারতের ১৪ বছরের তারকা।
ইংল্যান্ডকে হারিয়ে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ জেতার পর সাজঘরে উল্লাসে মাতেন ভারতীয় ক্রিকেটারেরা। তাঁদের মধ্যে ছিল বৈভবও। প্রথমে পঞ্জাবি গানে নাচছিলেন সকলে। হঠাৎ, বৈভব বলে ওঠে, “পঞ্জাবি গান বুঝতে পারছি না। এ বার ভোজপুরী চলবে।” এ কথা বলেই ভোজপুরী গান চালিয়ে দেয় বিহারের সমস্তিপুরের ছেলে। তার পরেই দেখা যায় তার নাচের দক্ষতা। অধিনায়ক আয়ুষ মাত্রেও বৈভবের সঙ্গে যোগ দেন।
এই ঘটনার ভিডিয়ো সমাজমাধ্যমে পোস্ট করা হয়েছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে, বিভিন্ন কায়দায় নাচছে বৈভব। তার নাচ দেখে বাকিরা অবাক। তাঁরা হাততালি দিয়ে দলের কনিষ্ঠতম ক্রিকেটারকে উৎসাহ দিতে থাকেন। বেশ কিছু ক্ষণ নাচার পর বৈভব নাচ থামিয়ে বলে, “অনেক নেচেছি। আজকের মতো এটাই যথেষ্ট।” বৈভবের এই নাচের ভিডিয়ো সমাজমাধ্যমে ভাইরাল।
মাত্র ১৪ বছর বয়সেই শুধু ভারতীয় ক্রিকেট নয়, বিশ্বক্রিকেটে আলোচনা শুরু হয়েছে বৈভবকে নিয়ে। বিশেষ করে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের পর সেই আলোচনা আরও বেড়েছে। ফাইনালে তার ৮০ বলে ১৭৫ রানের দাপটে ৪১১ রান করে ভারত। ইংল্যান্ডকে ১০০ রানে হারিয়ে ষষ্ঠ বারের জন্য ছোটদের বিশ্বকাপ জিতেছে তারা।
অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে বেশ কয়েকটি রেকর্ড গড়েছে বৈভব। ছোটদের বিশ্বকাপের ফাইনালে সর্বাধিক রানের ইনিংস খেলেছে সে। প্রতিযোগিতায় ৩০ ছক্কা মেরেছে বৈভব। সেটিও রেকর্ড। বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ রানও বৈভবের। ফাইনাল ও প্রতিযোগিতার সেরা ক্রিকেটারের পুরস্কারও পেয়েছে সে। তার পরেই আরও এক প্রতিভার ঝলক দেখিয়েছে সে।