দিল্লির ক্রিকেটার কেএল রাহুল। ছবি: পিটিআই।
ব্যক্তিগত মাইলফলক নিয়ে তিনি কোনও দিন ভাবেন না। তবে কোনও দিন যদি মহেন্দ্র সিংহ ধোনির মতো পাঁচটি আইপিএল জিততে পারেন তা হলে গর্ববোধ করবেন। জানিয়ে দিলেন কেএল রাহুল। এখনকার তরুণ প্রজন্মের ব্যাটিংয়েও মুগ্ধ তিনি।
সম্প্রতি আইপিএলের রান সংগ্রাহকদের তালিকায় ধোনিকে টপকে গিয়েছেন রাহুল। রাজস্থানের বিরুদ্ধে শুক্রবার খেলতে নামার আগে শুক্রবার এক সাক্ষাৎকারে রাহুল বলেছেন, “আমি জানতামও না যে, মাহি ভাইকে টপকে গিয়েছি। ব্যক্তিগত মাইলফলক ভাল। বুঝিয়ে দেয় যে, আমি সঠিক পথেই রয়েছি। তবে ধোনির মতো অতগুলো আইপিএল জিততে পারলে তবেই আমি খুশি হব। ক্রিকেট আসলে দলগত খেলা। ট্রফি সকলেই জিততে চায়। সকলেই সফল দলে খেলতে চায়। আমারও বরাবর সেটাই লক্ষ্য ছিল।”
বৈভব সূর্যবংশী, অভিষেক শর্মা, যশস্বী জয়সওয়ালের মতো ওপেনারেরা আইপিএলে একের পর এক ম্যাচ মাতিয়ে দিচ্ছেন। তাঁদের খেলা দেখে মুগ্ধ রাহুল। বলেছেন, “ওরা কারও জনপ্রিয়তায় ভয় পায় না। সে জসপ্রীত বুমরাহই হোক বা প্যাট কামিন্স। ওরা বল দেখে এবং সেটা মাঠের বাইরে ফেলে। এটাই আধুনিক টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের চাহিদা। নতুন প্রজন্মের ক্রিকেটারেরা যা করছে তা অসাধারণ। বৈভব তো ক্রিকেটদুনিয়াকে অবাক করে দিয়েছে। ১৫ বছরে দুটো শতরান করার কথা তো আমি স্বপ্নেও ভাবিনি। আয়ুষ মাত্রেও ভাল খেলেছে। যে ধরনের প্রতিভা ভারত থেকে উঠে আসছে তা ভয় ধরানোর মতোই। বিশেষ করে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে। ভয়ডরহীন এই ছেলেগুলো টি-টোয়েন্টি খেলাটাই বদলে দিচ্ছে।”
রাহুল নিজে কর্নাটকের ক্রিকেটার। এক সময় বেঙ্গালুরুর হয়ে আইপিএলও খেলেছেন। ফলে চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামও তাঁর চেনা। রাহুল সে প্রসঙ্গে বলেছেন, “মনে হয় আরসিবি-র বিরুদ্ধে খেলতে নামলে একটা সুইচ চালু করে দিই। নিজেও এর উত্তর পাইনি। চিন্নাস্বামীতে খেলা আমার কাছে আলাদা আবেগের। ওখানেই খেলে বড় হয়েছি। তাই এখনও খেলতে নামলেই কিছু একটা হয়। মানসিকতায় বদল আসে। শুধু আরসিবি-র বিরুদ্ধে নয়, আন্তর্জাতিক ম্যাচেও ভাল খেলেছি।”